০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় করোনার উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০১:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০
  • / 41

অনলাইন ডেস্ক

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে একদিনে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি ছিল করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে জেলায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

খুমেক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) এবং করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ফ্লু কর্নারের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সাত জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনো আমাদের হাতে রিপোর্ট আসেনি।’

গত ১৯ মার্চ করোনা উপসর্গ নিয়ে খুমেক হাসপাতালে মোংলার এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়। এটি ছিল সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে প্রথম মৃত্যু। তবে তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। ২৩ মার্চ খুমেক হাসপাতালে করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়।

খুলনা জেলায় গতকাল পর্যন্ত করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিন জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো তিনটি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে। বাকি ৪০ জনের নমুনা খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩৪ জনের ফলাফলই নেগেটিভ আসে।

খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে গতকাল শনাক্তের সংখ্যাও ছিল সর্বোচ্চ সংখ্যক। ৩৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনায় আক্রান্ত ১৪০ জন শনাক্ত করা হয়। এদের মধ্যে ১৩৩ জনের বাড়ি খুলনায়। খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী নেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘বাকি সাত জনের মধ্যে একজনের বাড়ি যশোরে, নড়াইলের দুই জন, বাগেরহাটের তিন জন এবং একজনের বাড়ি পিরোজপুর জেলায়।

Please Share This Post in Your Social Media

খুলনায় করোনার উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশ : ০১:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে একদিনে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি ছিল করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে জেলায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

খুমেক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) এবং করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ফ্লু কর্নারের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সাত জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনো আমাদের হাতে রিপোর্ট আসেনি।’

গত ১৯ মার্চ করোনা উপসর্গ নিয়ে খুমেক হাসপাতালে মোংলার এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়। এটি ছিল সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে প্রথম মৃত্যু। তবে তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। ২৩ মার্চ খুমেক হাসপাতালে করোনা সাসপেকটেড আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়।

খুলনা জেলায় গতকাল পর্যন্ত করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে তিন জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো তিনটি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে। বাকি ৪০ জনের নমুনা খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩৪ জনের ফলাফলই নেগেটিভ আসে।

খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে গতকাল শনাক্তের সংখ্যাও ছিল সর্বোচ্চ সংখ্যক। ৩৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনায় আক্রান্ত ১৪০ জন শনাক্ত করা হয়। এদের মধ্যে ১৩৩ জনের বাড়ি খুলনায়। খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী নেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘বাকি সাত জনের মধ্যে একজনের বাড়ি যশোরে, নড়াইলের দুই জন, বাগেরহাটের তিন জন এবং একজনের বাড়ি পিরোজপুর জেলায়।