১১:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
কুড়িগ্রাম উলিপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং শুরু
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ১২:১৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০
- / 41
উলিপুর(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি
বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গন তীব্র হওয়ার পূর্বেই কুড়িগ্রাম উলিপুর হাতিয়া ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র ভাঙ্গনরোধে প্রায় ৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা প্রকল্পে ব্যয়ে প্রথম ব্লক পালের ঘাটে ও দ্বিতীয় ব্লক হাতিয়ার গ্রামে ১০০০ মিটারে এক লক্ষ চল্লিশ হাজার বালু ভর্তি জিও ফেলানো হবে। ইতিমধ্যে প্রায় ৬৭ হাজার জিও ব্যাগে বালুভর্তি করে ডাম্পিং শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
প্রায় ১ বছর পূর্বে সামাজিক যোগাযোগ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসে হাতিয়া তীব্র নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি।এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক এম এ মতিন বিষয়টি নজরে আসলে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি সহ ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
দ্রুত ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে স্থানীয় মানুষকে আশ্বস্ত করেন।
এরই প্রেক্ষিতে প্রায় ২০/২৫ দিন থেকে বেলাল কনস্ট্রাকশন ও জেভি এম এম বিল্ডার্স ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এর আওতায় জিও ব্যাগে বালুভর্তি কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।
জানা যায় ,১১/০৬/২০২০ ইং তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলী সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ মার্কিং করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোজাফফর হোসেন বলেন, সামনে বর্ষাকালে ধরলা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেলে স্রোত বেড়ে যাবে ফলে জিও ব্যাগ সঠিকভাবে ডাম্পিং করতে অনেকটা বিঘ্নিত হবে। তাই যথাসময়ে ডাম্পিং এর কাজ শেষ করার জোর দাবি জানান।
উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান, পালের ঘাট হতে হাতিয়ার গ্রাম পর্যন্ত ভাঙ্গন ঠেকাতে জরুরী ভিত্তিতে অস্থায়ীভাবে ডাম্পিং করা হচ্ছে। জুলাই মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী মানিক মিয়া বলেন, ড্রেজিং এর পাশাপাশি জিও ব্যাগে বালু ভর্তি সর্বদা উপস্থিত থেকে তদারকি করে আসছেন অনিয়ম করার সুযোগ নেই।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তদারকি জোরদার করার জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের থাকার কথা থাকলেও তারা শুধু কিছুক্ষণের জন্য এসেই চলে যান।তাদেরকে সবসময় মাঠে খুঁজে পাওয়া যায় না।বালুর সূক্ষ্মতার গুণাঙ্ক ও জিও ব্যাগের ভর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জনগন।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় ভাঙ্গনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এর মধ্যে দ্রুত কাজ শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য চলতি মৌসুমে নদীর তীব্র ভাঙ্গনে প্রায় ৭০০ পরিবার বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।











