১০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড গোল চত্তর এখন মরণ ফাঁদ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০২:০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২০
  • / 40

ইলিয়াস সরদার,বাগেরহাট
বাগেরহাট-মংলা ও খুলনা জাতীয় মহা-সড়কের গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের গোল চত্তরটি এখন মরণ চত্তরে পরিনত হচ্ছে। দুই পাশের্^ আইল্যান্ড নির্মাণের ঘষা মাজা ও রংয়ের কাজ দ্রæত গতিতে এগিয়ে চললেও জনবহুল গোল চত্তরের বেশ কিছু স্থানে ওভারলোড যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে সড়কের পিচ উঠে এক জায়গায় জড়ো হয়ে বড়বড় ট্যাম হয়ে তা এখন যানবাহন চলাচলে চরম প্রতিবন্ধিকতা সৃষ্টি করছে।
এই বিষয়টি কেউ নজরে না আনায় দিনদিন ট্যামের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপর দিকে কাটাখালী-বাগেরহাট মহাসড়কের টাউন নওয়াপাড়া (মোড়) গোল চত্তর হতে কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের প্রায় পোনে ১কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের কোন সাইড সোল্ডার না থাকায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সিমাহীন দুর্ভোগের কবলে পড়তে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে অহরহ।
সুত্রে জানা গেছে, খুলনা-মংলা, বাগেরহাট-পিরোজপুর, গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর জাতীয় মহা-সড়কের কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের গোল চত্তরটি অতিগুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল বাসস্ট্যান্ড হিসাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সুপরিচিতি রয়েছে। কিন্তু চত্তরটির বর্তমান অবস্থা এতই খারাপ যা নিজের চোখে না দেখলে বুঝাই যাবে না। এই স্ট্যান্ডের পূর্বপাশের্^ বাগেরহাট সড়কে ১টি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে, যে ব্রীজটি সড়কের চেয়ে ১/২ফুট উচু। কোন যানবাহন বাগেরহাট বা গোপালগঞ্জ হতে খুলনা বা মংলা অভিমুখে প্রবেশ করলে সম্পূর্ণ চাপটি পড়ে গোল চত্তরের উপর। তখন সড়কের নিজের উপর কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না। ফলে প্রচন্ড রোদের তাপে গরম হওয়া পিচ গলে এক জায়গায় জড়ো হয়ে ট্যামের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরী হচ্ছে।
অপর দিকে কাটাখালী-বাগেরহাট মহাসড়কের টাউন নওয়াপাড়া গোল চত্তর হতে কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় পৌনে ১কিলোমিটার সড়কের দুইপাশের্^ কোন সাইড সোল্ডার নাই। ফলে বাধ্য হয়েই পথচারী জনগণ ও ছোটবড় যানবাহনকে মুল সড়কের উপর দিয়ে চলতে হয়। সে সময় দ্রæতগামী পরিবহন ট্রাক বা বড়বড় যানবাহনের ধাক্কায় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয় অনেককে। প্রতিনিয়ত এই সড়কে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও অভিজ্ঞ মহলের ধারনা।

Please Share This Post in Your Social Media

বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড গোল চত্তর এখন মরণ ফাঁদ

প্রকাশ : ০২:০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২০

ইলিয়াস সরদার,বাগেরহাট
বাগেরহাট-মংলা ও খুলনা জাতীয় মহা-সড়কের গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের গোল চত্তরটি এখন মরণ চত্তরে পরিনত হচ্ছে। দুই পাশের্^ আইল্যান্ড নির্মাণের ঘষা মাজা ও রংয়ের কাজ দ্রæত গতিতে এগিয়ে চললেও জনবহুল গোল চত্তরের বেশ কিছু স্থানে ওভারলোড যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে সড়কের পিচ উঠে এক জায়গায় জড়ো হয়ে বড়বড় ট্যাম হয়ে তা এখন যানবাহন চলাচলে চরম প্রতিবন্ধিকতা সৃষ্টি করছে।
এই বিষয়টি কেউ নজরে না আনায় দিনদিন ট্যামের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপর দিকে কাটাখালী-বাগেরহাট মহাসড়কের টাউন নওয়াপাড়া (মোড়) গোল চত্তর হতে কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের প্রায় পোনে ১কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের কোন সাইড সোল্ডার না থাকায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সিমাহীন দুর্ভোগের কবলে পড়তে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে অহরহ।
সুত্রে জানা গেছে, খুলনা-মংলা, বাগেরহাট-পিরোজপুর, গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর জাতীয় মহা-সড়কের কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের গোল চত্তরটি অতিগুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল বাসস্ট্যান্ড হিসাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সুপরিচিতি রয়েছে। কিন্তু চত্তরটির বর্তমান অবস্থা এতই খারাপ যা নিজের চোখে না দেখলে বুঝাই যাবে না। এই স্ট্যান্ডের পূর্বপাশের্^ বাগেরহাট সড়কে ১টি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে, যে ব্রীজটি সড়কের চেয়ে ১/২ফুট উচু। কোন যানবাহন বাগেরহাট বা গোপালগঞ্জ হতে খুলনা বা মংলা অভিমুখে প্রবেশ করলে সম্পূর্ণ চাপটি পড়ে গোল চত্তরের উপর। তখন সড়কের নিজের উপর কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না। ফলে প্রচন্ড রোদের তাপে গরম হওয়া পিচ গলে এক জায়গায় জড়ো হয়ে ট্যামের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরী হচ্ছে।
অপর দিকে কাটাখালী-বাগেরহাট মহাসড়কের টাউন নওয়াপাড়া গোল চত্তর হতে কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় পৌনে ১কিলোমিটার সড়কের দুইপাশের্^ কোন সাইড সোল্ডার নাই। ফলে বাধ্য হয়েই পথচারী জনগণ ও ছোটবড় যানবাহনকে মুল সড়কের উপর দিয়ে চলতে হয়। সে সময় দ্রæতগামী পরিবহন ট্রাক বা বড়বড় যানবাহনের ধাক্কায় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয় অনেককে। প্রতিনিয়ত এই সড়কে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও অভিজ্ঞ মহলের ধারনা।