০৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে কোথায় লকডাউন! কোথায় জনদূরত্ব! পালিয়েছে করোনা ভাইরাস!

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৫:৫৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০
  • / 42

চট্রগ্রাম ব্যুরোপ্রধান
চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসকে উপেক্ষা করে লক্ষ শ্রমিকের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা চট্টগ্রামের সিইপিজেড সরকার নিয়ন্ত্রিত সিইপিজেড (বেপজা) সবকিছুই আইন শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সরেজমিনে এ প্রতিবেদন তৈরীকালে দেখা যায়, বিকাল ৪টার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসন দোকানপাট বন্ধের জন্য ব্যাপক অভিযান চালালেও লক্ষ গার্মেন্টস্ শ্রমিকের বেপরোয়া চলাফেরায় স্থানীয় প্রশাসনও বেকায়দায় পড়েছে। জানা যায় যে, সরকারের নির্ধারিত সময়সূচীর মধ্যে ভোর ৬.০০টা থেকে বিকাল ৪টার দোকান পাট খোলা রাখার নির্দেশ থাকলেও দোকানীরা অভিযোগ করেছেন যদিও ব্যবসার সময় বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কিন্তু  আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রশাসনের ব্যাপক অভিযানের কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে বিকাল ৪টার পর থেকেই দোকানপাট করতে প্রশাসন তোড়জোড় চালাচ্ছে।  অন্যদিকে প্রশাসন ব্যাপক আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করে জনসচেতনার সৃষ্টি করলেও গার্মেন্টস্ শ্রমিকরা তা উপেক্ষা করে জনদূরত্ব বজায় না রেখে ব্যাংকের বুথে টাকা উত্তোলনের জন্য হুড়মুড় করে চলেছে। ঠিক চট্টগ্রাম ইপিজেড থানার ঝনক প্লাজার বিপরীতে অবস্থিত  ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের বুথ থেকে ৮ জুন বিকাল ৫.৩০ মিনিটে টাকা তুলতে হাজারো গার্মেন্টস্ একে অন্যের উপর ঘাপ্টা মেরে যেন করোনা ভাইরাসকে তাড়াতে অভিযান চালাচ্ছে স্থানীয় ও অভিজ্ঞ মহলের ধারণা এভাবে শ্রমিকদের তাড়া খেয়ে করোনা ভাইরাস আসলে কি পালাচ্ছে!  নাকি আমরা আরো মৃত্যুর ঝুঁকি পড়ছি। সবকিছু মিলিয়ে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে ডাচ্ বাংলা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার নিরাপত্তা বজায় না রাখায় শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা তুলতে গিয়ে করোনা ভাইরাসকে বরণ করে বাসায় যা”েছ মরণ নিয়ে ওরা! মানা হচ্ছে   না কোন স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে   না কোন সামাজিক দূরত্ব ও নিরাপত্তা।  যার কারণে যে কোন সময় চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকা চীনের উহান রাজধানীতে পরিণত হয়ে গণমৃত্যুর মিছিল ডেকে আনবে বলে দৈনিক আজকালের বিশেষ প্রতিবেদনের সচিত্র চিত্রে উঠে আসে তার চিত্র।

Please Share This Post in Your Social Media

চট্টগ্রামে কোথায় লকডাউন! কোথায় জনদূরত্ব! পালিয়েছে করোনা ভাইরাস!

প্রকাশ : ০৫:৫৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০

চট্রগ্রাম ব্যুরোপ্রধান
চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসকে উপেক্ষা করে লক্ষ শ্রমিকের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা চট্টগ্রামের সিইপিজেড সরকার নিয়ন্ত্রিত সিইপিজেড (বেপজা) সবকিছুই আইন শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সরেজমিনে এ প্রতিবেদন তৈরীকালে দেখা যায়, বিকাল ৪টার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসন দোকানপাট বন্ধের জন্য ব্যাপক অভিযান চালালেও লক্ষ গার্মেন্টস্ শ্রমিকের বেপরোয়া চলাফেরায় স্থানীয় প্রশাসনও বেকায়দায় পড়েছে। জানা যায় যে, সরকারের নির্ধারিত সময়সূচীর মধ্যে ভোর ৬.০০টা থেকে বিকাল ৪টার দোকান পাট খোলা রাখার নির্দেশ থাকলেও দোকানীরা অভিযোগ করেছেন যদিও ব্যবসার সময় বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কিন্তু  আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রশাসনের ব্যাপক অভিযানের কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে বিকাল ৪টার পর থেকেই দোকানপাট করতে প্রশাসন তোড়জোড় চালাচ্ছে।  অন্যদিকে প্রশাসন ব্যাপক আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করে জনসচেতনার সৃষ্টি করলেও গার্মেন্টস্ শ্রমিকরা তা উপেক্ষা করে জনদূরত্ব বজায় না রেখে ব্যাংকের বুথে টাকা উত্তোলনের জন্য হুড়মুড় করে চলেছে। ঠিক চট্টগ্রাম ইপিজেড থানার ঝনক প্লাজার বিপরীতে অবস্থিত  ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের বুথ থেকে ৮ জুন বিকাল ৫.৩০ মিনিটে টাকা তুলতে হাজারো গার্মেন্টস্ একে অন্যের উপর ঘাপ্টা মেরে যেন করোনা ভাইরাসকে তাড়াতে অভিযান চালাচ্ছে স্থানীয় ও অভিজ্ঞ মহলের ধারণা এভাবে শ্রমিকদের তাড়া খেয়ে করোনা ভাইরাস আসলে কি পালাচ্ছে!  নাকি আমরা আরো মৃত্যুর ঝুঁকি পড়ছি। সবকিছু মিলিয়ে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে ডাচ্ বাংলা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার নিরাপত্তা বজায় না রাখায় শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা তুলতে গিয়ে করোনা ভাইরাসকে বরণ করে বাসায় যা”েছ মরণ নিয়ে ওরা! মানা হচ্ছে   না কোন স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে   না কোন সামাজিক দূরত্ব ও নিরাপত্তা।  যার কারণে যে কোন সময় চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকা চীনের উহান রাজধানীতে পরিণত হয়ে গণমৃত্যুর মিছিল ডেকে আনবে বলে দৈনিক আজকালের বিশেষ প্রতিবেদনের সচিত্র চিত্রে উঠে আসে তার চিত্র।