০২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৪:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০
  • / 42

বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়া শহরের জহুরুল নগর এলাকার একটি ছাত্রাবাসে যুবলীগের এক নেতা খুন হয়েছেন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত যুবলীগ নেতা ফিরোজ শেখ (৩৫) বগুড়া পৌর যুবলীগের চার নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানান, আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় শহরের জহুরুল নগরে মাহি ছাত্রাবাসে ফিরোজকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় তার দুই সহযোগী মশিউর রহমান মেমো ও এমরানকে কুপিয়ে জখম করা হয়। আহতদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রেজাউল করিম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, নিহত ব্যক্তি ও হামলাকারীদের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিজেদের মধ্যে বিরোধে ফিরোজ খুন হয়ে থাকতে পারেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম বদিউজ্জামান জানান, ফিরোজ তার সহযোগীদের সঙ্গে বিকেলে জহুরুল নগর ব্যাঙ্ক পাড়ার একটি ছাত্রাবাসে আড্ডা দিচ্ছিল। এসময় কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফিরোজ এবং তার দুই সহযোগীকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তিন জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা ফিরোজকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও বলেন, হামলাকারী কয়েকজনকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের একটি দল এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়ায় যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ : ০৪:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০

বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়া শহরের জহুরুল নগর এলাকার একটি ছাত্রাবাসে যুবলীগের এক নেতা খুন হয়েছেন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত যুবলীগ নেতা ফিরোজ শেখ (৩৫) বগুড়া পৌর যুবলীগের চার নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানান, আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় শহরের জহুরুল নগরে মাহি ছাত্রাবাসে ফিরোজকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় তার দুই সহযোগী মশিউর রহমান মেমো ও এমরানকে কুপিয়ে জখম করা হয়। আহতদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রেজাউল করিম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, নিহত ব্যক্তি ও হামলাকারীদের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিজেদের মধ্যে বিরোধে ফিরোজ খুন হয়ে থাকতে পারেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম বদিউজ্জামান জানান, ফিরোজ তার সহযোগীদের সঙ্গে বিকেলে জহুরুল নগর ব্যাঙ্ক পাড়ার একটি ছাত্রাবাসে আড্ডা দিচ্ছিল। এসময় কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফিরোজ এবং তার দুই সহযোগীকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তিন জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা ফিরোজকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও বলেন, হামলাকারী কয়েকজনকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের একটি দল এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।