০২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের সকালে লালমনিরহাটে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড শতাধিক বাড়ি

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ১১:০৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২০
  • / 39

অনলাইন ডেস্ক

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের চলবলা ইউনিয়নে ঈদের দিন আজ সোমবার সকালে আকস্মিক ঝড়ে শতাধিক কাঁচা ও আধা-পাকা ঘরবাড়ি এবং দোকান লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অনাহারে-অর্ধাহারে রয়েছেন খোলা আকাশের নিচে।

উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চলবলা ইউনিয়নের সোনারহাট, সতীরপাড়, বান্দেরকুড়া, ও শিয়ালখোওয়া এলাকা। এসব এলাকায় পাকা বোরো ধান ও ভুট্টা খেতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন জানান, সকালে হঠাৎ আকাশে ঘন মেঘ দেখা দেয়। এর কিছুক্ষণ পরই ঝড়ের আঘাতে অধিকাংশ ঝুপড়ি ঘর, টিনশেড ঘর, দোকানপাট, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছপালা উপড়ে যায়।

শিয়ালখোওয়া এলাকার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শমসের আলী বলেন, সব কিছুই লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে চিন্তায় আছি। ঈদে মিষ্টিমুখ করতে পারিনি এখনো।

চলবলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু বলেন, ঝড়ে তার ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অধিকাংশ ঘড় বাড়ি, গাছপালা, ফসলি খেতের ক্ষতি হয়েছে। বিধ্বস্ত পরিবারের মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। এবারের ঈদ তাদের জন্য নিরানন্দের।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল হাসান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

ঈদের সকালে লালমনিরহাটে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড শতাধিক বাড়ি

প্রকাশ : ১১:০৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের চলবলা ইউনিয়নে ঈদের দিন আজ সোমবার সকালে আকস্মিক ঝড়ে শতাধিক কাঁচা ও আধা-পাকা ঘরবাড়ি এবং দোকান লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অনাহারে-অর্ধাহারে রয়েছেন খোলা আকাশের নিচে।

উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চলবলা ইউনিয়নের সোনারহাট, সতীরপাড়, বান্দেরকুড়া, ও শিয়ালখোওয়া এলাকা। এসব এলাকায় পাকা বোরো ধান ও ভুট্টা খেতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন জানান, সকালে হঠাৎ আকাশে ঘন মেঘ দেখা দেয়। এর কিছুক্ষণ পরই ঝড়ের আঘাতে অধিকাংশ ঝুপড়ি ঘর, টিনশেড ঘর, দোকানপাট, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছপালা উপড়ে যায়।

শিয়ালখোওয়া এলাকার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শমসের আলী বলেন, সব কিছুই লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে চিন্তায় আছি। ঈদে মিষ্টিমুখ করতে পারিনি এখনো।

চলবলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু বলেন, ঝড়ে তার ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অধিকাংশ ঘড় বাড়ি, গাছপালা, ফসলি খেতের ক্ষতি হয়েছে। বিধ্বস্ত পরিবারের মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। এবারের ঈদ তাদের জন্য নিরানন্দের।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল হাসান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।