প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ২:১০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১০, ২০২৩, ১:২১ পি.এম
মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় সিরাজুল আলম খান
![]()
নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মায়ের কবরে দাফন করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানকে। শনিবার বিকেলে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
এরআগে, মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই রাজনীতিককে দেয়া হয় গার্ড অব অনার।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সিরাজুল আলম খানকে গত বৃহস্পতিবার রাতে লাইফ সাপোর্ট নেওয়া হয়। ৮২ বছর বয়সী এই নেতা উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট এবং ফুসফুসে সংক্রমণসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ।
শনিবার সকালে বাংলাদেশের রাজনীতির রহস্যপুরুষ হিসেবে খ্যাত সিরাজুল আলম খানের প্রথম জানাজা হয় বায়তুল মোকাররমের পশ্চিম গেইটে। জানাজায় অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
স্বাধীনতালগ্নে তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমেদের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবি পরিষদ বা ‘স্বাধীনতার নিউক্লিয়াস’ গঠিত হয়। পরে ছাত্র-তরুণদের আন্দোলন সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই তিন জন। বঙ্গবন্ধুরও ঘনিষ্ঠ সাহচর্যে ছিলেন তারা।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই শেখ ফজলুল হক মনির সঙ্গে সিরাজুল আলম খানের বিরোধের জের ধরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ভেঙে দুই ভাগ হয়ে যায়। সিরাজুল আলম খানের অনুসারী ছাত্রলীগ গঠন করে ১৯৭২ সালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। তিনি কখনও মূল নেতৃত্বে না এলেও জাসদ নেতাদের ‘তাত্ত্বিক গুরু’ হিসেবে পরিচিত। তাদের কাছে তিনি ‘দাদা ভাই’ নামে পরিচিত।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আলম হোসেন
Copyright © 2026 অন্যায়ের প্রতিবাদ. All rights reserved.