অনলাইন ডেস্ক
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তকরণ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আরও ৬০০ কিট জমা দিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট উদ্ভাবন দলের প্রধান ড. বিজন কুমার শীল, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার ও গবেষক দলের সদস্য ড. নিহাদ আদনান আজ সকালে বিএসএমএমইউ এর মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্টে গিয়ে কিট প্রদান করেন।
তৃতীয় দফার কিট হস্তান্তরের কথা জানিয়ে ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘এর আগে দুই দফায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র মোট ৪০০ কিট দিয়েছিল। বিএসএমএমইউ মোট এক হাজার কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করবে। আজ সব কিট দেওয়া সম্পন্ন হলো। ঈদের ছুটির কারণে কিটের পরীক্ষায় হয়ত ধীরগতি ছিল। আজ থেকে পরীক্ষা পুরোদমে শুরু করেছে বিএসএমএমইউ। ধারণা করছি আগামী অল্প কয়েক দিনের মধ্যে তারা পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারবে।’
পরীক্ষায় কিটের কার্যকারিতা প্রমাণের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করে ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার বলেন, ‘পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র যে ফলাফল পেয়েছে বিএসএমএমইউ-ও সেরকম ফলাফল পাবে বলে আশা করছি।’
উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে বিএসএমএমইউ বা আইসিডিডিআর,বিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়।
এরপর গত ২ মে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। ১৩ মে হাসপাতালের চাহিদা অনুযায়ী প্রথম দফায় ২০০ কিট ও পরীক্ষার জন্য সরকার নির্ধারিত ফি জমা দেয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। পরে আরেক দফায় দেওয়া হয় আরও ২০০ কিট। বিএসএমএমইউ’র একটি সূত্র থেকে জানা যায়, গতকাল পর্যন্ত তারা ৩০০ কিট পরীক্ষা করেছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আলম হোসেন
Copyright © 2026 অন্যায়ের প্রতিবাদ. All rights reserved.