বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে যশোরের খেজুরের গুড়, রাজশাহীর মিষ্টি পান ও জামালপুরের নকশিকাঁথা। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ার) শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, ‘আরো ৩টি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩১টি।
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর, আগর আতর ও মুক্তাগাছার মন্ডাকে জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ গোপালগঞ্জের রসগোল্লা দেশের ২৩তম জিআই পণ্যে হিসাবে স্বীকৃতি
জিআই হিসেবে অনুমোদন পেল যে ৪ পণ্যজিআই হিসেবে অনুমোদন পেল যে ৪ পণ্য এর একদিন আগে টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার জিআই অনুমোদনের কপি ও জার্নাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।
টাঙ্গাইল শাড়িসহ ৩ পণ্যের জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রীর হাতেটাঙ্গাইল শাড়িসহ ৩ পণ্যের জিআই সনদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে ২০১৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় জামদানি শাড়ি।
এগুলো ছাড়াও জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদন পাওয়া পণ্যগুলো হলো বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুর কাটারিভোগ, বাংলাদেশের কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই ও কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আলম হোসেন
Copyright © 2026 অন্যায়ের প্রতিবাদ. All rights reserved.