০৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে এবার ৪৪ টি ডিম দিয়েছে মা কুমির পিলপিল

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৫:৪০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০
  • / 74

ইলিয়াস সরদার,বাগেরহাট 
দেশের এক মাত্র সরকারী কুমির প্রজনন কেন্দ্রে মা কুমির “পিলপিল এবার ৪৪টি ডিম দিয়েছে। শুক্রবার বিকালে পুর্ব সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্রে এ ডিম দেয়। আগামি ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে এ ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার কথা রয়েছে। বাচ্চা ফোটানোর জন্য ২১ টি ডিম কুমিরটির নিজস্ব বাসা, ১২টি ডিম কেন্দ্রের পুরাতন ইনকিউবেটরে ও ১১ টি নতুন ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে।
প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার আজাদ কবির জানান, করমজল বন্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্রে ছোট বড় মিলিয়ে মোট ১৯৫ টি বাচ্চা কুমির রয়েছে। এর মধ্যে বড় কুমির রয়েছে ৬টি। কেন্দ্রের পুকুরে প্রজননের জন্য দুটি স্ত্রী ও একটি পুরুষ কুমির রয়েছে। বাকী কুমিরগুলো কেন্দ্রের প্যানে রেখে লালন পালন করা হচ্ছে। বংশ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বিলুপ্ত প্রায় নোনা পানির এ কুমিরগুলোকে পরবর্তিতে বনের অভ্যন্তরের বিভিন্ন নদ নদীতে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানায় তিনি।
গত ২৯ মে অপর মা কুমির “জুলিয়েট ৫২ ডিম পেড়েছিল। প্রতি বছর প্রজনন মৌশুম মে ও জুন মাসে এ কুমির দুইটি ডিম পাড়ে। গত বছর মা কুমির জুলিয়েট ও পিলপিল ডিম দিলেও তা থেকে কোন বাচ্চা ফোটানো সম্ভব হয়নি বলে জানায় এ কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

সুন্দরবনে এবার ৪৪ টি ডিম দিয়েছে মা কুমির পিলপিল

প্রকাশ : ০৫:৪০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

ইলিয়াস সরদার,বাগেরহাট 
দেশের এক মাত্র সরকারী কুমির প্রজনন কেন্দ্রে মা কুমির “পিলপিল এবার ৪৪টি ডিম দিয়েছে। শুক্রবার বিকালে পুর্ব সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্রে এ ডিম দেয়। আগামি ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে এ ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার কথা রয়েছে। বাচ্চা ফোটানোর জন্য ২১ টি ডিম কুমিরটির নিজস্ব বাসা, ১২টি ডিম কেন্দ্রের পুরাতন ইনকিউবেটরে ও ১১ টি নতুন ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে।
প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার আজাদ কবির জানান, করমজল বন্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্রে ছোট বড় মিলিয়ে মোট ১৯৫ টি বাচ্চা কুমির রয়েছে। এর মধ্যে বড় কুমির রয়েছে ৬টি। কেন্দ্রের পুকুরে প্রজননের জন্য দুটি স্ত্রী ও একটি পুরুষ কুমির রয়েছে। বাকী কুমিরগুলো কেন্দ্রের প্যানে রেখে লালন পালন করা হচ্ছে। বংশ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বিলুপ্ত প্রায় নোনা পানির এ কুমিরগুলোকে পরবর্তিতে বনের অভ্যন্তরের বিভিন্ন নদ নদীতে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানায় তিনি।
গত ২৯ মে অপর মা কুমির “জুলিয়েট ৫২ ডিম পেড়েছিল। প্রতি বছর প্রজনন মৌশুম মে ও জুন মাসে এ কুমির দুইটি ডিম পাড়ে। গত বছর মা কুমির জুলিয়েট ও পিলপিল ডিম দিলেও তা থেকে কোন বাচ্চা ফোটানো সম্ভব হয়নি বলে জানায় এ কর্মকর্তা।