০৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ১২:০৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০
  • / 39

মোঃ শরিফুল ইসলাম,টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বকুল  আহাম্মেদকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান চান মামুদ পাকিরের নির্দেশে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন বকুল আহাম্মেদ। তিনি বল্লা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক  লীগের  সাধারণ সম্পাদক।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কালিহাতী উপজেলা সদর থেকে বাড়ি ফেরার পথে বল্লা হাইস্কুল এন্ড  কলেজের গেটে পৌঁছালে কতিপয় ব্যক্তি বকুল আহাম্মেদের পথরোধ করে। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান চান মাহমুদ পাকিরের নির্দেশে সবুজ মিয়া, গাফফার হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিবসহ ১০-১২ জন যুবক অতর্কিতভাবে তাকে কিল-ঘুষি মারে। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অন্যরাও লাথি ও কিল-ঘুষি মারে।
চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা বকুল আহাম্মেদকে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে রামপুর বাজারে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। 
বকুল আহাম্মেদ বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান চান মামুদ পাকির একজন ধণাঢ্য ব্যক্তি। তিনি বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে তিনি বিএনপি মনোভাবাপন্ন লোকদের সঙ্গে নিয়ে সবসময় পরিষদ পরিচালনা করেন। যেকোনো কাজে তিনি বিএনপির লোকদের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন। যেমন, ইউনিয়ন পুলিশিং কমিটি গঠনকালে তিনি ছাত্রদল নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসান।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান চান মামুদ পাকির বলেন, ‘বকুল আহাম্মেদ বিএনপির একজন দালাল। ঐতিহ্যবাহী বল্লা ও রামপুর গ্রামের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির জন্য বকুল আহাম্মেদ এ ঘটনা সাজিয়েছেন। এ ধরনের কোনো ঘটনা বল্লায় ঘটেনি।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, ‘বল্লা ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে দেওয়া একটি অভিযোগ পেয়েছি। থানার এসআই মনিরুজ্জামান বিষয়টি তদন্ত করছেন,তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

প্রকাশ : ১২:০৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

মোঃ শরিফুল ইসলাম,টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বকুল  আহাম্মেদকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান চান মামুদ পাকিরের নির্দেশে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন বকুল আহাম্মেদ। তিনি বল্লা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক  লীগের  সাধারণ সম্পাদক।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কালিহাতী উপজেলা সদর থেকে বাড়ি ফেরার পথে বল্লা হাইস্কুল এন্ড  কলেজের গেটে পৌঁছালে কতিপয় ব্যক্তি বকুল আহাম্মেদের পথরোধ করে। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান চান মাহমুদ পাকিরের নির্দেশে সবুজ মিয়া, গাফফার হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিবসহ ১০-১২ জন যুবক অতর্কিতভাবে তাকে কিল-ঘুষি মারে। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অন্যরাও লাথি ও কিল-ঘুষি মারে।
চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা বকুল আহাম্মেদকে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে রামপুর বাজারে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। 
বকুল আহাম্মেদ বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান চান মামুদ পাকির একজন ধণাঢ্য ব্যক্তি। তিনি বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে তিনি বিএনপি মনোভাবাপন্ন লোকদের সঙ্গে নিয়ে সবসময় পরিষদ পরিচালনা করেন। যেকোনো কাজে তিনি বিএনপির লোকদের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন। যেমন, ইউনিয়ন পুলিশিং কমিটি গঠনকালে তিনি ছাত্রদল নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসান।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান চান মামুদ পাকির বলেন, ‘বকুল আহাম্মেদ বিএনপির একজন দালাল। ঐতিহ্যবাহী বল্লা ও রামপুর গ্রামের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির জন্য বকুল আহাম্মেদ এ ঘটনা সাজিয়েছেন। এ ধরনের কোনো ঘটনা বল্লায় ঘটেনি।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, ‘বল্লা ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে দেওয়া একটি অভিযোগ পেয়েছি। থানার এসআই মনিরুজ্জামান বিষয়টি তদন্ত করছেন,তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’