১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় কিস্তি আদায়ে চাপ দেওয়ার অভিযোগ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৩:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০
  • / 38

ইশতিয়াক আহাম্মদ, চুয়াডাঙ্গা 
সরকার ঘোষিত সাধারন ছুটি শেষে আলমডাঙ্গায় পরিচালিত বিভিন্ন এনজিও‘র মাঠকর্মীদের তাদের সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তির টাকা আদায় নিয়ে গ্রাহক পর্যায় থেকে নানা কথা বলা হচ্ছে।বলা হচ্ছে চাপ দিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনও জুনের ৩০ তারিখ পর্যন্ত গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনরূপ চাপ প্রয়োগ করে কিস্তি নেওয়ার বিরোধীতা করেছেন।
এমন প্রেক্ষিতে গ্রাহকদের অভিযোগ ও এনজিওগুলোর কর্মকান্ড আমরা সরেজমিন প্রত্যক্ষ করেছি। এতে উঠে এসেছে বর্তমান চিত্র।
এনজিওগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের কর্মীরা গ্রাহকদের সাথে কোনরকম জবরদস্তি করছেন না। যেসব গ্রাহক কিস্তির টাকা স্বেচ্ছায় দিচ্ছেন কেবল তাদের কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হচ্ছে। চাপ প্রয়োগের প্রশ্নই ওঠে না।
সৃজনী ফাউন্ডেশনের আলমডাঙ্গা ব্রাঞ্চের ম্যানেজার বিপ্রদ্বীপ সরকার বলেন, ১ জুন থেকে ৯ জুন পর্যন্ত তাদের কিস্তির টাকা আদায় হয়েছে মাত্র ৩৬ পারসেন্ট। তাদের শতকরা ৬৪ ভাগ গ্রাহক কিস্তি দেননি। এ নিয়ে সৃজনীর মাঠকর্মীরা গ্রাহকদের সাথে কোন জোরাজুরি করছেন না। তাদের গ্রাহক সংখ্যা ৮০৯ জন।
জাগরনী চক্র নামের বহুল পরিচিত এনজিওটির ম্যানেজার দেবাশীষ কুমার মন্ডল বলেন, তাদের গ্রাহক সংখ্যা ২৩৮৫ জন। ১ জুন থেকে ৯ জুন পর্যন্ত তাদের কিস্তির টাকা উঠেছে মাত্র ২০ পারসেন্ট। তাদের গ্রাহকদের শতকরা ৮০ ভাগই কিস্তির টাকা দেননি। তারাও কোন চাপ প্রয়োগ করছেন না।
এনজিও দিশা‘র ম্যানেজার বলেন, তাদের গ্রাহক সংখ্যা ১১০৪ জন। ১ জুন থেকে ৯ জুন পর্যন্ত তাদের কিস্তির টাকা উঠেছে ৪১ পারসেন্ট। শতকরা তাদের ৫১ ভাগ গ্রাহক টাকা দেননি।
দেশের মানবিক এনজিও হিসেবে পরিচিত ব্রাকের ম্যানেজার বাবুল আক্তার বলেন, তাদের ঋনী গ্রাহক ২৪০০ জন। তাদের এক সপ্তায় কিস্তির টাকা উঠেছে মাত্র ৫ পারসেন্ট।
তিনি জানান, আমাদের এনজিও থেকেই গ্রাহকদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে কিস্তির টাকা তুলতে নিষেধ করা হয়েছে। বরং গরীব অসহায় গ্রাহকদের সহায়তা করতে তাদের পাশে দাড়ানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া আছে।
তবে কয়েকটি ছোট এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে গ্রাহকদের কাছ থেকে কিস্তির টাকা তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

চুয়াডাঙ্গায় কিস্তি আদায়ে চাপ দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশ : ০৩:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

ইশতিয়াক আহাম্মদ, চুয়াডাঙ্গা 
সরকার ঘোষিত সাধারন ছুটি শেষে আলমডাঙ্গায় পরিচালিত বিভিন্ন এনজিও‘র মাঠকর্মীদের তাদের সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তির টাকা আদায় নিয়ে গ্রাহক পর্যায় থেকে নানা কথা বলা হচ্ছে।বলা হচ্ছে চাপ দিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনও জুনের ৩০ তারিখ পর্যন্ত গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনরূপ চাপ প্রয়োগ করে কিস্তি নেওয়ার বিরোধীতা করেছেন।
এমন প্রেক্ষিতে গ্রাহকদের অভিযোগ ও এনজিওগুলোর কর্মকান্ড আমরা সরেজমিন প্রত্যক্ষ করেছি। এতে উঠে এসেছে বর্তমান চিত্র।
এনজিওগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের কর্মীরা গ্রাহকদের সাথে কোনরকম জবরদস্তি করছেন না। যেসব গ্রাহক কিস্তির টাকা স্বেচ্ছায় দিচ্ছেন কেবল তাদের কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হচ্ছে। চাপ প্রয়োগের প্রশ্নই ওঠে না।
সৃজনী ফাউন্ডেশনের আলমডাঙ্গা ব্রাঞ্চের ম্যানেজার বিপ্রদ্বীপ সরকার বলেন, ১ জুন থেকে ৯ জুন পর্যন্ত তাদের কিস্তির টাকা আদায় হয়েছে মাত্র ৩৬ পারসেন্ট। তাদের শতকরা ৬৪ ভাগ গ্রাহক কিস্তি দেননি। এ নিয়ে সৃজনীর মাঠকর্মীরা গ্রাহকদের সাথে কোন জোরাজুরি করছেন না। তাদের গ্রাহক সংখ্যা ৮০৯ জন।
জাগরনী চক্র নামের বহুল পরিচিত এনজিওটির ম্যানেজার দেবাশীষ কুমার মন্ডল বলেন, তাদের গ্রাহক সংখ্যা ২৩৮৫ জন। ১ জুন থেকে ৯ জুন পর্যন্ত তাদের কিস্তির টাকা উঠেছে মাত্র ২০ পারসেন্ট। তাদের গ্রাহকদের শতকরা ৮০ ভাগই কিস্তির টাকা দেননি। তারাও কোন চাপ প্রয়োগ করছেন না।
এনজিও দিশা‘র ম্যানেজার বলেন, তাদের গ্রাহক সংখ্যা ১১০৪ জন। ১ জুন থেকে ৯ জুন পর্যন্ত তাদের কিস্তির টাকা উঠেছে ৪১ পারসেন্ট। শতকরা তাদের ৫১ ভাগ গ্রাহক টাকা দেননি।
দেশের মানবিক এনজিও হিসেবে পরিচিত ব্রাকের ম্যানেজার বাবুল আক্তার বলেন, তাদের ঋনী গ্রাহক ২৪০০ জন। তাদের এক সপ্তায় কিস্তির টাকা উঠেছে মাত্র ৫ পারসেন্ট।
তিনি জানান, আমাদের এনজিও থেকেই গ্রাহকদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে কিস্তির টাকা তুলতে নিষেধ করা হয়েছে। বরং গরীব অসহায় গ্রাহকদের সহায়তা করতে তাদের পাশে দাড়ানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া আছে।
তবে কয়েকটি ছোট এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে গ্রাহকদের কাছ থেকে কিস্তির টাকা তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।