১০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর আওয়ামিলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে বিএনপি তে যোগদানের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০২:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০
  • / 45

মোঃ নজরুল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)
যশোরের শার্শার সীমান্তে পুটখালি গ্রামের নাসির সরদার একজন সফল তরুন গরু খামার ব্যাবসায়ী তার সু-বিশাল ফিরোজ আল-মামুন গরু ফার্ম একটি সফল উদ্যেক্তার রোল মড়েল। তার সফল্যর পেছনে বড় ভূমিকা হলো তিনি ৩৫ বছরের অত্যান্ত পরিশ্রমী এক জন যুবক নাছির উদ্দিন বলেন, আমার পরিশ্রমের ফলে আমি  এ সাফলতা অর্জন করেছি। আমি বাবার অভাব অনটনের জন্য লেখা পড়া শিখতে পারি নাই। ৬ ভাই এক বোন ও বাবা মা মিলে বড় সংসার আমাদের। তাই পণ করলাম লেখা পড়া না শিখেও জীবনে  কি ভাবে সফলতা পাওয়া যায়। প্রথমে  ২০০৪ সালে আমি বাবার সামান্য জমি বিক্রির টাকা নিয়ে ছোট ছোট ১০ টি গরু নিয়ে বাড়িতে প্রতিপালন করি। এবং সফলতার  এক বছরের মধ্যে আমার ভাগ্যে খুলে যায় । লেখা পড়া না শিখেও নিজ বুদ্ধি বিবেক দিয়ে পরিশ্রম করে সফলতা অর্জন করেছি। বর্তমান আমার আয় প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। মাত্র ২০ বছর বয়স থেকে গরু লালন পালন করে বড় বড় কয়েকটি গরু , ছাগল, দুম্বা, ভেড়া, গাড়ল ও মহিষের খামার করেছি। সাথে তার আছে ২৬ বিঘা জমির উপর একটি বৃহৎ আমবাগান আছে। এছাড়া  এই গরুর খামার থেকে আয় করে জমি ক্রয় করে সেখানে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করি । বর্তমান আমার খামার  জমির ফসল দেখার জন্য ২৫ জন লোকের কর্মসংস্থান করেছি। যাদের বেতন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। বর্তমান আমার খামারে প্রতিবছর তিন থেকে ৪ শত গরু লালন পালন করা হয়। আমার বড় দুটি খামার আছে। এ বছর আমি ৫ শত গরু পালব। যা কোরবানির ঈদের সময় বিক্রি করব। গরু ছাড়া আমি মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ও গাড়ল ও লালন পালন করি। বর্তমানে আমার খামারে রয়েছে গরু ৮৫ টি , মহিষ, ৭০ টি ভেড়া ৫০ টি গাড়ল, ৬০ টি ভেড়া, ভারতীয় রাজস্থানের উন্নত জাতের ছাগল ২০০ টি ও ৭৫ টি গাভী গরু। প্রতিদিন আমার খামার থেকে প্রায় ৮শত লিটার দুধ উৎপন্ন হয়। গত কোরবানীর ঈদের সময় আমি ৪ শত গরু ১৫০ টি ছাগল ১০০ টি ভেড়া ও গাড়ল এবং ৬টি দুম্বা থেকে সকল খরছ বাদ দিয়ে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা মুনাফা অর্জন করেছি। আমি এলাকার গরীব দুঃখি মানুষের কথা ভেবে খামার বেশী বড় করছি যাতে আরো লোকের কর্মসংস্থান হয়। “সে ও তার পরিবার  বঙ্গবন্ধুর আদর্শে  গড়ে উঠা  আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী”। একটা কুচক্রী মহল যেন সব সময় উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে দেওয়ার চেষ্টায় আছে কিছু তেই তার পিছু ছাড়ছে না। এইতো  গত ২৩ মে (শনিবার) পুটখালির বুধো সদ্দারের পুত্র নাসিরের বি এন পিতে যোগদানের খবর বিভিন্ন অন-লাইন ও কিছু  পত্রিকায় প্রকাশিত করে যেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। নাসির গ্রামের একজন সহজ সরল মনা দানশীল ব্যক্তি ও অসহায় গরিব পাশে থেকে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে সেখানে নাসিরের বি এন পি যোগদানে বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার নামে। জানা যায় পুটখালী ইউনিয়ানের পুটখালি গ্রামের মৃত মফিজুরের পুত্র  কাদেরের নেতৃত্বে দফায় দফায়  যে গোপন বৈঠক হয়েছে সেই  বৈঠকে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হওয়ার প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে সেখানে কাদের নিজেই বলেছে এটা একটা মিথ্যা গুজব লটিয়েছে একটি মহল । এর প্রধান কারন যশোরের শার্শা উপজেলার পুটখালী গরুর খাটাল জোর পূর্বক দখলে নিতে পুটখালী  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদিউজ্জামানের সহযোগিতা চাওয়ায়, তিনি রাজি না হলে তার উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে ফক্কা নাসির গং। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল সোমবার পুটখালীর ফক্কা নাসির (বর্তমানে যশোরে বসবাস) গ্রামে ত্রাণ দেওয়ার নামে যশোর থেকে তার বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে তার অসৎ কাজে সহযোগিতা না করায় চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদিউজ্জামানের উপর অতর্কীত হামলা চালায়। এতে চেয়ারম্যান হাদীউজ্জামান মারাত্মক জখম হন। এসময় স্থানীয় গ্রামবাসীরা ছুটে এসে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে। আর এঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য  উদোরপিন্ডি বুদোর ঘাড়ে দেওয়ার মত, প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে পুটখালী গ্রামের খামার ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন। নিজেদের সন্ত্রাসী ঘটনাকে আড়াল করতে, নাটক সাজিয়ে উল্টো সে হামলার দায় চাপান খামার ব্যবসায়ী নাসিরের উপর। এর প্রধান কারন হলো বর্তমান পুটখালী খাটাল দখল করার একটা পায়তারা চালাচ্ছে একটি মহল কিন্তু নাসির এলাকার মানুষের আস্তা ও ভরসার একজন প্রতিয়মান যুবক। ৫ নং পুটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদিউজ্জামান জানান, পুটখালী গরুর খাটাল জোর পূর্বক দখলে নিতে এক শ্রেনীর অসাধু লোকজন নাসিরের নামে বি এন পিতে যোগদানের অপপ্রচার চালাচ্ছেন যেটা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট এছাড়াও এক শ্রেণির সাংবাদিক নামধারী অসাধু লোকজন। দাবিকৃত অর্থ না পেয়ে এরা যেমন পারছে প্রমাণ ছাড়াই নিজেদের মনগড়া ভাবে বে-নামে বিগত কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়,অনলাইন পত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বিভিন্ন সময়ে পুটখালী গ্রামের বিশিষ্ট খামার ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ কর্মী নাসির উদ্দিন সরদারের নামে কোন প্রমাণ ছাড়াই অপসাংবাদিকতার জোরে লিখে দিল তা সম্পূর্ন ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

Please Share This Post in Your Social Media

যশোর আওয়ামিলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে বিএনপি তে যোগদানের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ

প্রকাশ : ০২:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

মোঃ নজরুল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)
যশোরের শার্শার সীমান্তে পুটখালি গ্রামের নাসির সরদার একজন সফল তরুন গরু খামার ব্যাবসায়ী তার সু-বিশাল ফিরোজ আল-মামুন গরু ফার্ম একটি সফল উদ্যেক্তার রোল মড়েল। তার সফল্যর পেছনে বড় ভূমিকা হলো তিনি ৩৫ বছরের অত্যান্ত পরিশ্রমী এক জন যুবক নাছির উদ্দিন বলেন, আমার পরিশ্রমের ফলে আমি  এ সাফলতা অর্জন করেছি। আমি বাবার অভাব অনটনের জন্য লেখা পড়া শিখতে পারি নাই। ৬ ভাই এক বোন ও বাবা মা মিলে বড় সংসার আমাদের। তাই পণ করলাম লেখা পড়া না শিখেও জীবনে  কি ভাবে সফলতা পাওয়া যায়। প্রথমে  ২০০৪ সালে আমি বাবার সামান্য জমি বিক্রির টাকা নিয়ে ছোট ছোট ১০ টি গরু নিয়ে বাড়িতে প্রতিপালন করি। এবং সফলতার  এক বছরের মধ্যে আমার ভাগ্যে খুলে যায় । লেখা পড়া না শিখেও নিজ বুদ্ধি বিবেক দিয়ে পরিশ্রম করে সফলতা অর্জন করেছি। বর্তমান আমার আয় প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। মাত্র ২০ বছর বয়স থেকে গরু লালন পালন করে বড় বড় কয়েকটি গরু , ছাগল, দুম্বা, ভেড়া, গাড়ল ও মহিষের খামার করেছি। সাথে তার আছে ২৬ বিঘা জমির উপর একটি বৃহৎ আমবাগান আছে। এছাড়া  এই গরুর খামার থেকে আয় করে জমি ক্রয় করে সেখানে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করি । বর্তমান আমার খামার  জমির ফসল দেখার জন্য ২৫ জন লোকের কর্মসংস্থান করেছি। যাদের বেতন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। বর্তমান আমার খামারে প্রতিবছর তিন থেকে ৪ শত গরু লালন পালন করা হয়। আমার বড় দুটি খামার আছে। এ বছর আমি ৫ শত গরু পালব। যা কোরবানির ঈদের সময় বিক্রি করব। গরু ছাড়া আমি মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ও গাড়ল ও লালন পালন করি। বর্তমানে আমার খামারে রয়েছে গরু ৮৫ টি , মহিষ, ৭০ টি ভেড়া ৫০ টি গাড়ল, ৬০ টি ভেড়া, ভারতীয় রাজস্থানের উন্নত জাতের ছাগল ২০০ টি ও ৭৫ টি গাভী গরু। প্রতিদিন আমার খামার থেকে প্রায় ৮শত লিটার দুধ উৎপন্ন হয়। গত কোরবানীর ঈদের সময় আমি ৪ শত গরু ১৫০ টি ছাগল ১০০ টি ভেড়া ও গাড়ল এবং ৬টি দুম্বা থেকে সকল খরছ বাদ দিয়ে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা মুনাফা অর্জন করেছি। আমি এলাকার গরীব দুঃখি মানুষের কথা ভেবে খামার বেশী বড় করছি যাতে আরো লোকের কর্মসংস্থান হয়। “সে ও তার পরিবার  বঙ্গবন্ধুর আদর্শে  গড়ে উঠা  আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী”। একটা কুচক্রী মহল যেন সব সময় উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে দেওয়ার চেষ্টায় আছে কিছু তেই তার পিছু ছাড়ছে না। এইতো  গত ২৩ মে (শনিবার) পুটখালির বুধো সদ্দারের পুত্র নাসিরের বি এন পিতে যোগদানের খবর বিভিন্ন অন-লাইন ও কিছু  পত্রিকায় প্রকাশিত করে যেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। নাসির গ্রামের একজন সহজ সরল মনা দানশীল ব্যক্তি ও অসহায় গরিব পাশে থেকে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে সেখানে নাসিরের বি এন পি যোগদানে বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার নামে। জানা যায় পুটখালী ইউনিয়ানের পুটখালি গ্রামের মৃত মফিজুরের পুত্র  কাদেরের নেতৃত্বে দফায় দফায়  যে গোপন বৈঠক হয়েছে সেই  বৈঠকে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হওয়ার প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে সেখানে কাদের নিজেই বলেছে এটা একটা মিথ্যা গুজব লটিয়েছে একটি মহল । এর প্রধান কারন যশোরের শার্শা উপজেলার পুটখালী গরুর খাটাল জোর পূর্বক দখলে নিতে পুটখালী  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদিউজ্জামানের সহযোগিতা চাওয়ায়, তিনি রাজি না হলে তার উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে ফক্কা নাসির গং। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল সোমবার পুটখালীর ফক্কা নাসির (বর্তমানে যশোরে বসবাস) গ্রামে ত্রাণ দেওয়ার নামে যশোর থেকে তার বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে তার অসৎ কাজে সহযোগিতা না করায় চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদিউজ্জামানের উপর অতর্কীত হামলা চালায়। এতে চেয়ারম্যান হাদীউজ্জামান মারাত্মক জখম হন। এসময় স্থানীয় গ্রামবাসীরা ছুটে এসে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে। আর এঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য  উদোরপিন্ডি বুদোর ঘাড়ে দেওয়ার মত, প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে পুটখালী গ্রামের খামার ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন। নিজেদের সন্ত্রাসী ঘটনাকে আড়াল করতে, নাটক সাজিয়ে উল্টো সে হামলার দায় চাপান খামার ব্যবসায়ী নাসিরের উপর। এর প্রধান কারন হলো বর্তমান পুটখালী খাটাল দখল করার একটা পায়তারা চালাচ্ছে একটি মহল কিন্তু নাসির এলাকার মানুষের আস্তা ও ভরসার একজন প্রতিয়মান যুবক। ৫ নং পুটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদিউজ্জামান জানান, পুটখালী গরুর খাটাল জোর পূর্বক দখলে নিতে এক শ্রেনীর অসাধু লোকজন নাসিরের নামে বি এন পিতে যোগদানের অপপ্রচার চালাচ্ছেন যেটা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট এছাড়াও এক শ্রেণির সাংবাদিক নামধারী অসাধু লোকজন। দাবিকৃত অর্থ না পেয়ে এরা যেমন পারছে প্রমাণ ছাড়াই নিজেদের মনগড়া ভাবে বে-নামে বিগত কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়,অনলাইন পত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বিভিন্ন সময়ে পুটখালী গ্রামের বিশিষ্ট খামার ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ কর্মী নাসির উদ্দিন সরদারের নামে কোন প্রমাণ ছাড়াই অপসাংবাদিকতার জোরে লিখে দিল তা সম্পূর্ন ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।