০৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহেশখালীর মাতারবাড়ী মসজিদের জমি দখল নিতে মারিয়া এক প্রভাবশালী

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০২:৪৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০
  • / 39

মোঃ সাহাব উদ্দিন,মহেশখালী(কক্সবাজার)
মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের ফুলজানমোরা গ্রামের বাইতুল মোকারম জামে মসজিদ ও মসজিদের দানকৃত জমি অবৈধভাবে ভোগদখলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানিয় মৃত কালা মিয়ার পুত্র মুফতি ফরিদ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। 
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই মসজিদের নাম ব্যবহার করে মসজিদের দানকৃত টাকা নিজে আত্মসাত করে  আসছেন বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী ও মসজিদ কমিটির লোকজন। মসজিদ কমিটির উপদেষ্ঠা হাজী বদর উদ্দিন ও আকতার হোছাইন বলেন, মসজিদের জন্য দানকৃত ৫২ শতক জমির উপর ১৯৯১ সালে মসজিদটি স্থাপিত হওয়ার পর থেকে সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে মুফতি ফরিদ বিভিন্ন সময় কিছু লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে মসজিদে হামলা চালিয়ে মসজিদ বন্ধ করে দে। দায়িত্বরত মুয়াজ্জিমকে গলায় ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দে। এতে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা লোকজন দুর্ভোগ পড়তে হয়েছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মৌওলানা আব্দুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক নাজেম উদ্দিন বলেন,  জমিদাতা ওই সম্পত্তি তার জীবদ্দশায় মসজিদের পক্ষে দখলে থাকে।কিন্তু তার অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে একাধিকবার বিচারের উদ্যোগ নেয়া হলেও কোনো সুফল পায়নি এলাকাবাসী ও মসজিদ কমিটি।
স্থানিয় সূত্রে জানাগেছে, একজন মুফতি ফরিদের কারনে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় মসজিদ কমিটি ও এলাকারবাসীকে। বিভিন্ন তালবাহানায় মামলায় হুমকি, অশালীন আচরণ ও অকথ্য ভাষায় গালিাগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে ওই মুফতি ফরিদের বিরুদ্ধে। এব্যাপারে অভিযোক্ত মুফতি ফরিদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব বিষয়ে অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

মহেশখালীর মাতারবাড়ী মসজিদের জমি দখল নিতে মারিয়া এক প্রভাবশালী

প্রকাশ : ০২:৪৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

মোঃ সাহাব উদ্দিন,মহেশখালী(কক্সবাজার)
মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের ফুলজানমোরা গ্রামের বাইতুল মোকারম জামে মসজিদ ও মসজিদের দানকৃত জমি অবৈধভাবে ভোগদখলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানিয় মৃত কালা মিয়ার পুত্র মুফতি ফরিদ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। 
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই মসজিদের নাম ব্যবহার করে মসজিদের দানকৃত টাকা নিজে আত্মসাত করে  আসছেন বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী ও মসজিদ কমিটির লোকজন। মসজিদ কমিটির উপদেষ্ঠা হাজী বদর উদ্দিন ও আকতার হোছাইন বলেন, মসজিদের জন্য দানকৃত ৫২ শতক জমির উপর ১৯৯১ সালে মসজিদটি স্থাপিত হওয়ার পর থেকে সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে মুফতি ফরিদ বিভিন্ন সময় কিছু লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে মসজিদে হামলা চালিয়ে মসজিদ বন্ধ করে দে। দায়িত্বরত মুয়াজ্জিমকে গলায় ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দে। এতে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা লোকজন দুর্ভোগ পড়তে হয়েছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মৌওলানা আব্দুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক নাজেম উদ্দিন বলেন,  জমিদাতা ওই সম্পত্তি তার জীবদ্দশায় মসজিদের পক্ষে দখলে থাকে।কিন্তু তার অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে একাধিকবার বিচারের উদ্যোগ নেয়া হলেও কোনো সুফল পায়নি এলাকাবাসী ও মসজিদ কমিটি।
স্থানিয় সূত্রে জানাগেছে, একজন মুফতি ফরিদের কারনে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় মসজিদ কমিটি ও এলাকারবাসীকে। বিভিন্ন তালবাহানায় মামলায় হুমকি, অশালীন আচরণ ও অকথ্য ভাষায় গালিাগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে ওই মুফতি ফরিদের বিরুদ্ধে। এব্যাপারে অভিযোক্ত মুফতি ফরিদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব বিষয়ে অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানান।