১২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে গুরুতর আহত মেছোবাঘ উদ্ধার

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ১১:২৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০
  • / 41

অনলাইন ডেস্ক

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বরমসিদ্ধিপুর এলাকায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়া একটি মেছোবাঘ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।

গতকাল বুধবার ধরা পড়া গুরুতর আহত মেছোবাঘটিকে আজ উদ্ধার করে সিলেটের টিলাগড়ের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক জিএম আবু বকর সিদ্দিক।

‘স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ার সময় আহত হওয়া মেছোবাঘটি ওই এলাকার দুলাল মিয়া নামের একজনের বাড়িতে ছিল। খবর পেয়ে বনবিভাগ বিড়ালটি উদ্ধার করে নিয়ে আসে’, বলেন তিনি।

মেছোবাঘের বৈজ্ঞানিক নাম Prionailurus viverrinus। এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মাঝারি আকারের বিড়ালগোত্রীয় একধরনের স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী। সাম্প্রতিক সময়ে জলাভূমি কমে যাওয়ায় এই প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকিতে পড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচার (আইইউসিএন)।

আইইউএন তার লাল তালিকায় (আইইউসিএন রেড লিস্ট) ২০১৬ সালে এই প্রাণীটিকে ‘বিপদগ্রস্ত’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

সিলেটে গুরুতর আহত মেছোবাঘ উদ্ধার

প্রকাশ : ১১:২৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বরমসিদ্ধিপুর এলাকায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়া একটি মেছোবাঘ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।

গতকাল বুধবার ধরা পড়া গুরুতর আহত মেছোবাঘটিকে আজ উদ্ধার করে সিলেটের টিলাগড়ের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক জিএম আবু বকর সিদ্দিক।

‘স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ার সময় আহত হওয়া মেছোবাঘটি ওই এলাকার দুলাল মিয়া নামের একজনের বাড়িতে ছিল। খবর পেয়ে বনবিভাগ বিড়ালটি উদ্ধার করে নিয়ে আসে’, বলেন তিনি।

মেছোবাঘের বৈজ্ঞানিক নাম Prionailurus viverrinus। এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মাঝারি আকারের বিড়ালগোত্রীয় একধরনের স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী। সাম্প্রতিক সময়ে জলাভূমি কমে যাওয়ায় এই প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকিতে পড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচার (আইইউসিএন)।

আইইউএন তার লাল তালিকায় (আইইউসিএন রেড লিস্ট) ২০১৬ সালে এই প্রাণীটিকে ‘বিপদগ্রস্ত’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।