১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ পরবর্তি ১৪দিন সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরী বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৮:২৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০
  • / 44

মোঃ সাহাব উদ্দিন,কক্সবাজার
লকডাউন উপেক্ষা করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কক্সবাজার,চকরিয়া,চট্রগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মহেশখালী প্রবেশ করেছে অনেক মানুষ৷ এই মানুষগুলো মহেশখালী প্রবেশ করে কোয়ারান্টাইন পালন করা দূরে থাক হাট বাজারে, গ্রামের ছোট ছোট দোকানগুলোতে, স্থানীয় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার পাশাপাশি ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করেছেন সবার সাথে কাধেকাঁধ মিলিয়ে স্থানীয় মসজিদে৷ যেখানে মহেশখালীর দুএকটা মসজিদ ছাড়া বাকী মসজিদগুলোতে মানা হয়নি সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি৷ কাধেকাঁধ মিলিয়ে দাড়িয়ে নামায পড়ার পাশাপাশি ইমামদের বক্তব্য উপেক্ষা করে করেছে কোলাকুলি ও হ্যান্ডসেক৷ 
এই অবস্থায় বহিরাগত উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসে দ্রুত সময়ে বাড়তে পারে কোরানা আক্রান্তের হার৷ আমরা সরকারী নির্দেশ অমান্য করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে যাথায়ত করছি অবাধে৷ মানছিনা স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব৷ তার উপর আলেমদের বক্তব্যকে অবজ্ঞা করে নিত্য নতুন ফতোয়া দিতে ব্যস্ত  অশিক্ষিত ব্যক্তিরা৷ কোথাও কোথাও করোনা ভাইরাসের কথা বললে ঈমান চলে যাবে বলে মনগড়া ফতোয়া দিয়ে বেড়াচ্ছে কিছু ধর্মান্ধরা৷ অনেকে আবার করোনা ভাইরাসকে রাজনৈতিক সৃষ্টি বলেও অপপ্রচারে মত্ত৷ এই ডিজিটাল আধুনিক বিশ্বে আমরা এতটাই পিছিয়ে আছি এখনো৷ সপ্তাহে একদিন মসজিদে যাওয়া ব্যক্তিও গলা উচু করে বলে মরলে মসজিদে গিয়ে মরব৷ বুঝে আসছেনা মসজিদকে লাশ ঘর বানাতে কেন এত ইচ্ছা তাদের৷ জেনেশুনে করোনায় নিজের আত্মহুতী দিয়ে জাহান্নামী হতে কেন এত ইচ্ছা তাদের৷ পুলিশ প্রশাসন রাতদিন শ্রম দিয়েও পারছেনা আমাদের যাথায়ত বন্ধ করতে, পারছেনা আমাদের ঘরে রাখতে৷ আমরা পুলিশের সাথে চোর পুলিশ খেলছি প্রতিনিয়ত৷ 
আমরা টাকার অভাবে ত্রানের জন্য হুড়োহুড়ি করি আবার লকডাউন উপেক্ষা করে শেষ রাতে মার্কেটিং করতে যাই মিছিলে মিছিলে৷ অতীতের এই ভূলগুলোর কারনে সামনে আমাদের জন্য খুবই খারাফ সময় অপেক্ষা করছে৷ এই ঈদুল ফিতর উপলক্ষে করোনা সংক্রমন দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে, বাড়বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা৷ আগামী ১৪দিন খুব বেশী গুরুত্বপূর্ন আমাদের জন্য৷ এই ১৪দিন আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করি৷ তবেই ঘরে ঘরে করোনা ছড়িয়ে পড়া থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি৷ মহেশখালীতে এই পর্যন্ত ২৮জন রুগী সনাক্ত হয়েছে৷ তন্মধ্যে ১২জন সুস্থ হয়ে ফিরছে৷ বাকীরা বাড়ীতে ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে৷  লক্ষন উপসর্গ ছিলনা প্রায় সবকটি রুগীর৷ এই লক্ষন উপসর্গহীন রোগীই করোনা ছড়াতে পারে আমাদের অসচেতনতা ও অসাবধানতার কারনে। সারাদেশে বর্তমানে যে হারে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে আমরা সচেতন না হলে করোনা প্রতিরোধ অসম্ভব। তাই আসুন আমরা সচেতন হই, মেনে চলি স্বাস্থ্যবিধি৷ জরূরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেননা৷ জরূরী প্রয়োজনে বের হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন,

Please Share This Post in Your Social Media

ঈদ পরবর্তি ১৪দিন সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরী বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে

প্রকাশ : ০৮:২৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০

মোঃ সাহাব উদ্দিন,কক্সবাজার
লকডাউন উপেক্ষা করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কক্সবাজার,চকরিয়া,চট্রগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মহেশখালী প্রবেশ করেছে অনেক মানুষ৷ এই মানুষগুলো মহেশখালী প্রবেশ করে কোয়ারান্টাইন পালন করা দূরে থাক হাট বাজারে, গ্রামের ছোট ছোট দোকানগুলোতে, স্থানীয় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার পাশাপাশি ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করেছেন সবার সাথে কাধেকাঁধ মিলিয়ে স্থানীয় মসজিদে৷ যেখানে মহেশখালীর দুএকটা মসজিদ ছাড়া বাকী মসজিদগুলোতে মানা হয়নি সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি৷ কাধেকাঁধ মিলিয়ে দাড়িয়ে নামায পড়ার পাশাপাশি ইমামদের বক্তব্য উপেক্ষা করে করেছে কোলাকুলি ও হ্যান্ডসেক৷ 
এই অবস্থায় বহিরাগত উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসে দ্রুত সময়ে বাড়তে পারে কোরানা আক্রান্তের হার৷ আমরা সরকারী নির্দেশ অমান্য করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে যাথায়ত করছি অবাধে৷ মানছিনা স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব৷ তার উপর আলেমদের বক্তব্যকে অবজ্ঞা করে নিত্য নতুন ফতোয়া দিতে ব্যস্ত  অশিক্ষিত ব্যক্তিরা৷ কোথাও কোথাও করোনা ভাইরাসের কথা বললে ঈমান চলে যাবে বলে মনগড়া ফতোয়া দিয়ে বেড়াচ্ছে কিছু ধর্মান্ধরা৷ অনেকে আবার করোনা ভাইরাসকে রাজনৈতিক সৃষ্টি বলেও অপপ্রচারে মত্ত৷ এই ডিজিটাল আধুনিক বিশ্বে আমরা এতটাই পিছিয়ে আছি এখনো৷ সপ্তাহে একদিন মসজিদে যাওয়া ব্যক্তিও গলা উচু করে বলে মরলে মসজিদে গিয়ে মরব৷ বুঝে আসছেনা মসজিদকে লাশ ঘর বানাতে কেন এত ইচ্ছা তাদের৷ জেনেশুনে করোনায় নিজের আত্মহুতী দিয়ে জাহান্নামী হতে কেন এত ইচ্ছা তাদের৷ পুলিশ প্রশাসন রাতদিন শ্রম দিয়েও পারছেনা আমাদের যাথায়ত বন্ধ করতে, পারছেনা আমাদের ঘরে রাখতে৷ আমরা পুলিশের সাথে চোর পুলিশ খেলছি প্রতিনিয়ত৷ 
আমরা টাকার অভাবে ত্রানের জন্য হুড়োহুড়ি করি আবার লকডাউন উপেক্ষা করে শেষ রাতে মার্কেটিং করতে যাই মিছিলে মিছিলে৷ অতীতের এই ভূলগুলোর কারনে সামনে আমাদের জন্য খুবই খারাফ সময় অপেক্ষা করছে৷ এই ঈদুল ফিতর উপলক্ষে করোনা সংক্রমন দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে, বাড়বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা৷ আগামী ১৪দিন খুব বেশী গুরুত্বপূর্ন আমাদের জন্য৷ এই ১৪দিন আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করি৷ তবেই ঘরে ঘরে করোনা ছড়িয়ে পড়া থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি৷ মহেশখালীতে এই পর্যন্ত ২৮জন রুগী সনাক্ত হয়েছে৷ তন্মধ্যে ১২জন সুস্থ হয়ে ফিরছে৷ বাকীরা বাড়ীতে ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে৷  লক্ষন উপসর্গ ছিলনা প্রায় সবকটি রুগীর৷ এই লক্ষন উপসর্গহীন রোগীই করোনা ছড়াতে পারে আমাদের অসচেতনতা ও অসাবধানতার কারনে। সারাদেশে বর্তমানে যে হারে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে আমরা সচেতন না হলে করোনা প্রতিরোধ অসম্ভব। তাই আসুন আমরা সচেতন হই, মেনে চলি স্বাস্থ্যবিধি৷ জরূরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেননা৷ জরূরী প্রয়োজনে বের হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন,