০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে প্রতি উপজেলায় আইসোলেশন সেন্টার করার পরিকল্পনা

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৬:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০
  • / 43

অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজার জেলার প্রতিটি উপজেলায় করোনা আইসোলেশন সেন্টার করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য জেলার মোট আটটি উপজেলার সকল নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

উপজেলার সুবিধাজনক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো এমন আবাসিক হোটেল, কমিউনিটি সেন্টার, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ভাড়া নিয়ে ন্যূনতম ৫০ শয্যার একটি করে করোনা আইসোলেশন সেন্টার গড়ে তোলা হবে।

চকরিয়া উপজেলার মতো বড় উপজেলাসহ যেসব উপজেলায় করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেশি দেখা দিয়েছে, সেখানে একাধিক ভবন নিয়ে আরও বেশি শয্যার আইসোলেশন সেন্টার করার জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, পরিবার ও এলাকাকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে উপসর্গহীন করোনা রোগীদের বিচ্ছিন্ন করার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপসর্গহীন করোনা রোগীদের হোম আইসোলেশনে রাখলে তারা আইসোলেশনে না থেকে বাইরে ঘুরে বেড়ান বলে অভিযোগ উঠেছে।

কক্সবাজার জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. কামাল হোসেন আরও জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ উপজেলা আইসোলেশন সেন্টারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদী। কক্সবাজার জেলা সদরে ২০০ শয্যার অনুরূপ আইসোলেশন সেন্টার গড়ে তোলার প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

কক্সবাজারে প্রতি উপজেলায় আইসোলেশন সেন্টার করার পরিকল্পনা

প্রকাশ : ০৬:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজার জেলার প্রতিটি উপজেলায় করোনা আইসোলেশন সেন্টার করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য জেলার মোট আটটি উপজেলার সকল নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

উপজেলার সুবিধাজনক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো এমন আবাসিক হোটেল, কমিউনিটি সেন্টার, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ভাড়া নিয়ে ন্যূনতম ৫০ শয্যার একটি করে করোনা আইসোলেশন সেন্টার গড়ে তোলা হবে।

চকরিয়া উপজেলার মতো বড় উপজেলাসহ যেসব উপজেলায় করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেশি দেখা দিয়েছে, সেখানে একাধিক ভবন নিয়ে আরও বেশি শয্যার আইসোলেশন সেন্টার করার জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, পরিবার ও এলাকাকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে উপসর্গহীন করোনা রোগীদের বিচ্ছিন্ন করার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপসর্গহীন করোনা রোগীদের হোম আইসোলেশনে রাখলে তারা আইসোলেশনে না থেকে বাইরে ঘুরে বেড়ান বলে অভিযোগ উঠেছে।

কক্সবাজার জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. কামাল হোসেন আরও জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ উপজেলা আইসোলেশন সেন্টারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদী। কক্সবাজার জেলা সদরে ২০০ শয্যার অনুরূপ আইসোলেশন সেন্টার গড়ে তোলার প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।