০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের জন্য গরু-ছাগল কোরবানি দিল পুলিশ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ১০:৫০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২০
  • / 35

অনলাইন ডেস্ক
করোনা রোগীরাও যেন ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই চেষ্টাই ছিল চট্টগ্রামের কয়েকশ তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের। এছাড়া করোনায় মারা যাওয়া রোগীর স্বজনদের কোরবানির অংশীদার করেছে পুলিশ। তাদের জন্য দেয়া হয়েছে গরু ও ছাগল কোরবানি। আইসোলেশন সেন্টারগুলোর রোগী ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য পাঠানো হচ্ছে রান্না করা মাংস।
ঈদের দিন সকালে আইসোলেশন সেন্টারগুলোতে সেমাই দিয়ে মিষ্টি মুখ করানো হয় রোগীদের। সে সাথে দেয়া হয় পশু কোরবানিও। অন্যান্য দিনের মতো আজও রোগীদের সেবায় ওয়ার্ডে ছুটোছুটি করছেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবকরা।
স্বেচ্ছাসেবীদের একজন বলেন, করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর থেকে বাড়িতে না গিয়ে সকলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
গত দু’মাস ধরে রোগীদের নিরলস সেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অনেক স্বেচ্ছাসেবক। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে আবার তারা নেমে পড়েছেন রোগীদের সেবায়। ঈদের দিনও তাদের সময় কাটছে আইসোলেশন সেন্টারে।
এদিকে চট্টগ্রামের করোনা রোগীদের জন্য বিশেষায়িত আইসোলেশন সেন্টার ও ফিল্ড হাসপাতালের পাশাপাশি মারা যাওয়া রোগীর স্বজনদের কোরবানির অংশীদার করেছে পুলিশ। তাদের জন্য দেয়া হয়েছে গরু এবং ছাগল কোরবানি। আইসোলেশন সেন্টারগুলোর রোগী ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য পাঠানো হচ্ছে রান্না করা মাংস।
সিএমপি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন বলেন, আজকে করোনা রোগীদের পক্ষ থেকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে ৪টি ছাগল কোরবানি করেছি।

চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের সেবায় বেসরকারিভাবে ছোট-বড় ১০টি আইসোলেশন সেন্টার চালু রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের জন্য গরু-ছাগল কোরবানি দিল পুলিশ

প্রকাশ : ১০:৫০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
করোনা রোগীরাও যেন ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই চেষ্টাই ছিল চট্টগ্রামের কয়েকশ তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের। এছাড়া করোনায় মারা যাওয়া রোগীর স্বজনদের কোরবানির অংশীদার করেছে পুলিশ। তাদের জন্য দেয়া হয়েছে গরু ও ছাগল কোরবানি। আইসোলেশন সেন্টারগুলোর রোগী ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য পাঠানো হচ্ছে রান্না করা মাংস।
ঈদের দিন সকালে আইসোলেশন সেন্টারগুলোতে সেমাই দিয়ে মিষ্টি মুখ করানো হয় রোগীদের। সে সাথে দেয়া হয় পশু কোরবানিও। অন্যান্য দিনের মতো আজও রোগীদের সেবায় ওয়ার্ডে ছুটোছুটি করছেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবকরা।
স্বেচ্ছাসেবীদের একজন বলেন, করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর থেকে বাড়িতে না গিয়ে সকলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
গত দু’মাস ধরে রোগীদের নিরলস সেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অনেক স্বেচ্ছাসেবক। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে আবার তারা নেমে পড়েছেন রোগীদের সেবায়। ঈদের দিনও তাদের সময় কাটছে আইসোলেশন সেন্টারে।
এদিকে চট্টগ্রামের করোনা রোগীদের জন্য বিশেষায়িত আইসোলেশন সেন্টার ও ফিল্ড হাসপাতালের পাশাপাশি মারা যাওয়া রোগীর স্বজনদের কোরবানির অংশীদার করেছে পুলিশ। তাদের জন্য দেয়া হয়েছে গরু এবং ছাগল কোরবানি। আইসোলেশন সেন্টারগুলোর রোগী ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য পাঠানো হচ্ছে রান্না করা মাংস।
সিএমপি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন বলেন, আজকে করোনা রোগীদের পক্ষ থেকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে ৪টি ছাগল কোরবানি করেছি।

চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের সেবায় বেসরকারিভাবে ছোট-বড় ১০টি আইসোলেশন সেন্টার চালু রয়েছে।