০৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর ঝিকরগাছা শংকরপুর ইউনিয়নে ত্রান সামগ্রী ও সরকারি অনুদান সুবিধা বঞ্চিত দের হাতে পৌঁছায় না

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৬:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২০
  • / 39

মোঃ নজরুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি
 যশোর ঝিকরগাছা  উপজেলার ( ১০) নম্বর শংকরপুর  ইউনিয়নের পতিটি  ওয়ার্ড চাল বিতরণে চরম অনিয়ম দুর্নীতি ও চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সরেজমিন তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৫ মিনিটের অনুসন্ধানে এ বিষয়  বর্তমান চেয়ারম্যান মাওলানা নিছার উদ্দিন, বলেন  সরকারী অনুদান শংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদে আসে আমি পতিটা ওয়ার্ডে মেম্বার ও সকল নেত্রিবিন্দুদের সাথে নিয়ে  পরিষদে জনসংখ্যা পাতিক হারে ওয়ার্ডে ভাগকরে দেওয়া হয়। কিন্তু মেম্বার, ত্রান কমিটি, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রতিনিধি, এমপি, প্রতিনিধি সহ সকলে মিলে যে সকল পরিবারের নাম তালিকায় দেওয়া হয়। সেই তালিকার পরিবারের মধ্যে সচেতন  সীমিত  কিছু পরিবার  সরকারী মালামাল পেয়ে থেকে।
বাকি পরিবার গুলোর মালামাল ওইসব বেক্তিরা ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন। এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কাছে লিখিত অভিযোগ চেয়ারম্যান করেছেন। কি-না জানতে চাইলে চেয়ারম্যান নিছার উদ্দিন, বলেন না অভিযোগ করলে এরা আমাকে  মারধর করবে আগে রাস্তায় শারীরিকভাবে  লাঞ্ছিত করেছে।
  মহামারী করো না ভাইরাস মোকাবেলায়  সরকার ৬০০ পরিবারের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী শংকরপুর ইউনিয়নে বরাদ্দ করেন। যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে অথবা যে তালিকা অনুযায়ী চাল বিতরণ করা হয়েছে, সেই তালিকায় যাদের নাম এসেছে বেশিরভাগ পরিবার  সরকারি অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তালিকা অনুযায়ী যাচাই করে দেখা যায় হাতেগোনা কয়েকজন বাদ দিয়ে  বাকি নামের কেউই ওই চাল পাইনি।
  ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার হাসমোত  মুঠোফোন রিসিভ করেননি ।  তালিকায় দেখা যায় ৫০ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখান থেকে ৩০ জনের বেশি মানুষ ওই চাল পাইনি।
 ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিত্র  মেম্বার হাবিব  কাছে তুলেধরায়    এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এই তালিকার সম্পর্কিত কোন বিষয়ে তিনি অবগত নন। 
তিনি সাংবাদিকদের বলেন । সব পশ্নের উত্তর দিতে বাদ্যনয় অনিয়ম হলে সরকার দেখবে । 
 করোনা পরিস্থিতিতে এ সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন সকল জন প্রতিনিধিরা যেন জনগণের দোরগোড়ায় খাদ্য পৌঁছে দেন।
সেগুলো সঠিকভাবে বন্টন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারদের নির্দেশ দিয়েছেন কোনো অনিয়ম দুর্নীতি চুরি থেকে বিরত থাকার জন্য।
 কিন্তু জনগণের ন্যায্য অধিকার এবং এই দুঃসময়ের সরকারি অনুদান কিছু দুষ্কৃতিকারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের দুর্নীতি ও চুরির কারণে জনগণ বেশিরভাগটাই বঞ্চিত হচ্ছে।

১০ নম্বর শংকরপুর   ইউনিয়ন পরিষদের  প্রকৃত চিত্র এটি। সরেজমিন তদন্তে আসলে অভিযোগ ওঠে প্রায় প্রত্যেকটি ওয়ার্ডেই একইরকম দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে। তাই পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীরা এই তদন্ত চালাতে থাকবে। এলাকার সচেতন মহলের দাবি, এ ধরনের দুর্নীতি ও জনগণের অনুদান লুটপাট  কারিদের সঠিক তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

যশোর ঝিকরগাছা শংকরপুর ইউনিয়নে ত্রান সামগ্রী ও সরকারি অনুদান সুবিধা বঞ্চিত দের হাতে পৌঁছায় না

প্রকাশ : ০৬:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২০

মোঃ নজরুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি
 যশোর ঝিকরগাছা  উপজেলার ( ১০) নম্বর শংকরপুর  ইউনিয়নের পতিটি  ওয়ার্ড চাল বিতরণে চরম অনিয়ম দুর্নীতি ও চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সরেজমিন তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৫ মিনিটের অনুসন্ধানে এ বিষয়  বর্তমান চেয়ারম্যান মাওলানা নিছার উদ্দিন, বলেন  সরকারী অনুদান শংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদে আসে আমি পতিটা ওয়ার্ডে মেম্বার ও সকল নেত্রিবিন্দুদের সাথে নিয়ে  পরিষদে জনসংখ্যা পাতিক হারে ওয়ার্ডে ভাগকরে দেওয়া হয়। কিন্তু মেম্বার, ত্রান কমিটি, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রতিনিধি, এমপি, প্রতিনিধি সহ সকলে মিলে যে সকল পরিবারের নাম তালিকায় দেওয়া হয়। সেই তালিকার পরিবারের মধ্যে সচেতন  সীমিত  কিছু পরিবার  সরকারী মালামাল পেয়ে থেকে।
বাকি পরিবার গুলোর মালামাল ওইসব বেক্তিরা ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন। এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কাছে লিখিত অভিযোগ চেয়ারম্যান করেছেন। কি-না জানতে চাইলে চেয়ারম্যান নিছার উদ্দিন, বলেন না অভিযোগ করলে এরা আমাকে  মারধর করবে আগে রাস্তায় শারীরিকভাবে  লাঞ্ছিত করেছে।
  মহামারী করো না ভাইরাস মোকাবেলায়  সরকার ৬০০ পরিবারের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী শংকরপুর ইউনিয়নে বরাদ্দ করেন। যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে অথবা যে তালিকা অনুযায়ী চাল বিতরণ করা হয়েছে, সেই তালিকায় যাদের নাম এসেছে বেশিরভাগ পরিবার  সরকারি অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তালিকা অনুযায়ী যাচাই করে দেখা যায় হাতেগোনা কয়েকজন বাদ দিয়ে  বাকি নামের কেউই ওই চাল পাইনি।
  ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার হাসমোত  মুঠোফোন রিসিভ করেননি ।  তালিকায় দেখা যায় ৫০ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখান থেকে ৩০ জনের বেশি মানুষ ওই চাল পাইনি।
 ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিত্র  মেম্বার হাবিব  কাছে তুলেধরায়    এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এই তালিকার সম্পর্কিত কোন বিষয়ে তিনি অবগত নন। 
তিনি সাংবাদিকদের বলেন । সব পশ্নের উত্তর দিতে বাদ্যনয় অনিয়ম হলে সরকার দেখবে । 
 করোনা পরিস্থিতিতে এ সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন সকল জন প্রতিনিধিরা যেন জনগণের দোরগোড়ায় খাদ্য পৌঁছে দেন।
সেগুলো সঠিকভাবে বন্টন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারদের নির্দেশ দিয়েছেন কোনো অনিয়ম দুর্নীতি চুরি থেকে বিরত থাকার জন্য।
 কিন্তু জনগণের ন্যায্য অধিকার এবং এই দুঃসময়ের সরকারি অনুদান কিছু দুষ্কৃতিকারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের দুর্নীতি ও চুরির কারণে জনগণ বেশিরভাগটাই বঞ্চিত হচ্ছে।

১০ নম্বর শংকরপুর   ইউনিয়ন পরিষদের  প্রকৃত চিত্র এটি। সরেজমিন তদন্তে আসলে অভিযোগ ওঠে প্রায় প্রত্যেকটি ওয়ার্ডেই একইরকম দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে। তাই পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীরা এই তদন্ত চালাতে থাকবে। এলাকার সচেতন মহলের দাবি, এ ধরনের দুর্নীতি ও জনগণের অনুদান লুটপাট  কারিদের সঠিক তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।