০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের কঠোর অবস্থানে ভারত পণ্য নিতে বাধ্য হয়েছে

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ১০:৪৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০
  • / 36


মোঃ নজরুল ইসলাম,শার্শা(যশোর)
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী এবং সিএন্ডএফ এজেন্টদের কঠোর অবস্থানের ফলে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ সাড়ে ৩মাস পর বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি পণ্য নেওয়ার জন্য বন্দর উম্মুক্ত করেছেন।
লকডাউনের ফলে মার্চ’র শেষ সপ্তাহ থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আমদানী-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ গত ৭ই জুন থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশকে আমদানি পণ্য দেওয়া শুরু করলেও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণ দেখিয়ে এদেশ থেকে রপ্তানি পণ্য নেওয়া বন্ধ করে দেয়।
দুই দেশের ব্যবসায়ী এবং সিএন্ডএফ এজেন্টগণ যথাসাধ্য চেষ্টা করেও রপ্তানী বাণিজ্য কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ব্যর্থ হন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারক এবং সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশন এর নেতৃবৃন্দের কঠোর অবস্থান এবং বাঁধা প্রদানের ফলে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানী পণ্যের বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।
এমতাবস্থায় ৫ দিন আমদানী-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর দুই দেশের ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আলোচনার মাধ্যমে রবিবার (৫ই জুলাই) বিকালে পুনরায় বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বানিজ্য শুরু হয়। এর ফলে বেনাপোল বন্দরের আমদানী-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারত থেকে পণ্য আমদানীর বিপরীতে বাংলাদেশের বাৎসরিক প্রায় চল্লিশ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি বানিজ্য ঘাটতি রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

বাংলাদেশের কঠোর অবস্থানে ভারত পণ্য নিতে বাধ্য হয়েছে

প্রকাশ : ১০:৪৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০


মোঃ নজরুল ইসলাম,শার্শা(যশোর)
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী এবং সিএন্ডএফ এজেন্টদের কঠোর অবস্থানের ফলে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ সাড়ে ৩মাস পর বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি পণ্য নেওয়ার জন্য বন্দর উম্মুক্ত করেছেন।
লকডাউনের ফলে মার্চ’র শেষ সপ্তাহ থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আমদানী-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ গত ৭ই জুন থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশকে আমদানি পণ্য দেওয়া শুরু করলেও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণ দেখিয়ে এদেশ থেকে রপ্তানি পণ্য নেওয়া বন্ধ করে দেয়।
দুই দেশের ব্যবসায়ী এবং সিএন্ডএফ এজেন্টগণ যথাসাধ্য চেষ্টা করেও রপ্তানী বাণিজ্য কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ব্যর্থ হন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারক এবং সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশন এর নেতৃবৃন্দের কঠোর অবস্থান এবং বাঁধা প্রদানের ফলে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানী পণ্যের বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।
এমতাবস্থায় ৫ দিন আমদানী-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর দুই দেশের ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আলোচনার মাধ্যমে রবিবার (৫ই জুলাই) বিকালে পুনরায় বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বানিজ্য শুরু হয়। এর ফলে বেনাপোল বন্দরের আমদানী-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারত থেকে পণ্য আমদানীর বিপরীতে বাংলাদেশের বাৎসরিক প্রায় চল্লিশ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি বানিজ্য ঘাটতি রয়েছে।