০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনা সিটি নির্বাচন: বন্ধ পাটকল চালু মেয়র প্রার্থীদের বড় চ্যালেঞ্জ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৬:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩
  • / 38


নিজেস্ব প্রতিবেদক,খুলনা
খুলনার শিল্প নগরী খালিশপুর। এই এলাকায় রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকল প্লাটিনাম, খালিশপুর, দৌলতপুর ও ক্রিসেন্ট জুট মিল। তিন বছর আগেও এসব কারখানা শ্রমিকদের পদচারণায় মুখর ছিল। ২০২০ সালের ২ জুলাই দেশের ২৬টি পাটকলের সাথে এই চারটি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে যায়।
সরকারি এই চারটি পাটকলের ওপর নির্ভরশীল ছিল ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। বন্ধের পর এদের বেশিরভাগই এখন কর্মহীন।
কলকারখানাগুলো চালুসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকেরা আন্দোলন করে আসলেও, তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে আসন্ন খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব বন্ধ পাটকলগুলো চালু করা। কারণ, এসব কারখানার শ্রমিকেরা বলছেন, আশ্বাস নয়, কারখানাগুলো চালু করতে যিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন, তাঁকেই মেয়র হিসেবে বেছে নেবেন শ্রমিকেরা।
বন্ধ কলকারখানা চালু করে প্রার্থীরাও এলাকায় নতুন কর্মসংস্থান চান। এজন্য সমর্থন আদায়ে পাটকল সংশ্লিষ্ট ২৪ হাজার ভোটারকে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীরা।
বর্তমান মেয়র এবং আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, মিলগুলো চালু হলে সক্ষম শ্রমিকেরা কাজ পাবেন।
জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, আমার একার পক্ষে মিলগুলো চালু সম্ভব নয়। তবে মিলগুলো চালুর ব্যাপারে শ্রমিকদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারি।
কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মো. আব্দুল আউয়াল।

Please Share This Post in Your Social Media

খুলনা সিটি নির্বাচন: বন্ধ পাটকল চালু মেয়র প্রার্থীদের বড় চ্যালেঞ্জ

প্রকাশ : ০৬:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩


নিজেস্ব প্রতিবেদক,খুলনা
খুলনার শিল্প নগরী খালিশপুর। এই এলাকায় রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকল প্লাটিনাম, খালিশপুর, দৌলতপুর ও ক্রিসেন্ট জুট মিল। তিন বছর আগেও এসব কারখানা শ্রমিকদের পদচারণায় মুখর ছিল। ২০২০ সালের ২ জুলাই দেশের ২৬টি পাটকলের সাথে এই চারটি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে যায়।
সরকারি এই চারটি পাটকলের ওপর নির্ভরশীল ছিল ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। বন্ধের পর এদের বেশিরভাগই এখন কর্মহীন।
কলকারখানাগুলো চালুসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকেরা আন্দোলন করে আসলেও, তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে আসন্ন খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব বন্ধ পাটকলগুলো চালু করা। কারণ, এসব কারখানার শ্রমিকেরা বলছেন, আশ্বাস নয়, কারখানাগুলো চালু করতে যিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন, তাঁকেই মেয়র হিসেবে বেছে নেবেন শ্রমিকেরা।
বন্ধ কলকারখানা চালু করে প্রার্থীরাও এলাকায় নতুন কর্মসংস্থান চান। এজন্য সমর্থন আদায়ে পাটকল সংশ্লিষ্ট ২৪ হাজার ভোটারকে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীরা।
বর্তমান মেয়র এবং আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, মিলগুলো চালু হলে সক্ষম শ্রমিকেরা কাজ পাবেন।
জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, আমার একার পক্ষে মিলগুলো চালু সম্ভব নয়। তবে মিলগুলো চালুর ব্যাপারে শ্রমিকদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারি।
কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মো. আব্দুল আউয়াল।