১১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণ, অ্যাটেনডেন্ট গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
  • প্রকাশ : ০৪:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 94

গ্রেপ্তার আক্কাস গাজী

চলন্ত ‘লালমনি এক্সপ্রেসে’ ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ট্রেনটির অ্যাটেনডেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার (জিআরপি) ওসি ফেরদৌস আলী।
ফেরদৌস আলী একাত্তরকে জানান, মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী (১৩) জয়দেবপুরে স্টেশনে আসে ময়মনসিংহে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তার ট্রেনের দেরি হয়। পরে রাত সোয়া ১২টার দিকে না বুঝেই ভুল করে সে লালমনি এক্সপ্রেসে উঠে পড়ে। রাত আড়াইটার দিকে অ্যাটেনডেন্ট আক্কাস গাজী কিশোরীর কাছে টিকেট চেকিংয়ের জন্য যান। টিকেট না পেয়ে তাকে একটি আসনে বসিয়ে দেন অ্যাটেনডেন্ট।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, পরে সকাল ৮টার দিকে ওই কিশোরীকে আসন থেকে তুলে একটি কেবিনে নিয়ে যান অ্যাটেনডেন্ট। ট্রেনটি লালমনিরহাটের তিস্তা স্টেশনে পৌঁছায় সকাল সাড়ে ১০টায়। তখন ওই কেবিন থেকে কান্না ও চিৎকারের শব্দ শুনে পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে যান। তখন কিশোরীকে উদ্ধার এবং অ্যাটেনডেন্টকে পুলিশ আটক করে
গ্রেপ্তার আক্কাছ গাজী বরিশাল সদরের শায়েস্তাবাদ সড়কের বাসিন্দা এবং তিনি সেলুন বেয়ারা (ভারপ্রাপ্ত অ্যাটেনডেন্ট) হিসেবে লালমনি ক্যারেজ অ্যান্ড ওয়াগন ডিপোতে কর্মরত।
এ ঘটনায় এএসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে ৯ (১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রেলওয়ে থানায় মামলা করেছেন।
ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাড়ি ময়মনসিংহের এক উপজেলায়। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এরই মধ্যে তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর মা গাজীপুরে থেকে মেসে কাজ করেন। মেয়ে মাঝে মাঝেই মায়ের কাছে আসত এবং কয়েকদিন থেকে আবার গ্রামের বাড়ি ফিরে যেত।
ওসি ফেরদৌস আলী বলেন, আক্কাস গাজীকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে লালমনিরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণ, অ্যাটেনডেন্ট গ্রেপ্তার

প্রকাশ : ০৪:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪

চলন্ত ‘লালমনি এক্সপ্রেসে’ ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ট্রেনটির অ্যাটেনডেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার (জিআরপি) ওসি ফেরদৌস আলী।
ফেরদৌস আলী একাত্তরকে জানান, মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী (১৩) জয়দেবপুরে স্টেশনে আসে ময়মনসিংহে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তার ট্রেনের দেরি হয়। পরে রাত সোয়া ১২টার দিকে না বুঝেই ভুল করে সে লালমনি এক্সপ্রেসে উঠে পড়ে। রাত আড়াইটার দিকে অ্যাটেনডেন্ট আক্কাস গাজী কিশোরীর কাছে টিকেট চেকিংয়ের জন্য যান। টিকেট না পেয়ে তাকে একটি আসনে বসিয়ে দেন অ্যাটেনডেন্ট।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, পরে সকাল ৮টার দিকে ওই কিশোরীকে আসন থেকে তুলে একটি কেবিনে নিয়ে যান অ্যাটেনডেন্ট। ট্রেনটি লালমনিরহাটের তিস্তা স্টেশনে পৌঁছায় সকাল সাড়ে ১০টায়। তখন ওই কেবিন থেকে কান্না ও চিৎকারের শব্দ শুনে পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে যান। তখন কিশোরীকে উদ্ধার এবং অ্যাটেনডেন্টকে পুলিশ আটক করে
গ্রেপ্তার আক্কাছ গাজী বরিশাল সদরের শায়েস্তাবাদ সড়কের বাসিন্দা এবং তিনি সেলুন বেয়ারা (ভারপ্রাপ্ত অ্যাটেনডেন্ট) হিসেবে লালমনি ক্যারেজ অ্যান্ড ওয়াগন ডিপোতে কর্মরত।
এ ঘটনায় এএসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে ৯ (১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রেলওয়ে থানায় মামলা করেছেন।
ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাড়ি ময়মনসিংহের এক উপজেলায়। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এরই মধ্যে তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর মা গাজীপুরে থেকে মেসে কাজ করেন। মেয়ে মাঝে মাঝেই মায়ের কাছে আসত এবং কয়েকদিন থেকে আবার গ্রামের বাড়ি ফিরে যেত।
ওসি ফেরদৌস আলী বলেন, আক্কাস গাজীকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে লালমনিরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।