০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: বাংলাদেশে ফের মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৯:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
  • / 65
কক্সবাজার প্রতিনিধি
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে এসেছেন মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে নাফ নদী হয়ে বাংলাদেশের টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজিট জেটিঘাটে পৌঁছালে বাংলাদেশের পক্ষে তাদের স্বাগত জানান অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শামসুদ্দৌজা নয়ন। সেখান থেকে প্রতিনিধিদল যান টেকনাফ কেরুনতলী প্রত্যাবাসন ঘাটে।
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ১৪ জন। তারা কেরুনতলী প্রত্যাবাসন ঘাটে দুই দিন কথা বলবেন রোহিঙ্গাদের সাথে। পরে শুক্রবার বিকালে তাদের মিয়ানমার ফেরত যাওয়ার কথা রয়েছে। কেরুনতলী ঘাটে ইতোমধ্যে বেশকিছু রোহিঙ্গাকে নিয়ে আসা হয়েছে।
গেল ৫ মে ২০ জন রোহিঙ্গাসহ ২৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পরিবেশ দেখতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও রোহিঙ্গারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তবে আশা করা হচ্ছে শিগগিরই এক হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে দিয়ে প্রত্যাবাসন শুরু হতে পার।
জানা গেছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আট লাখ ৮৮ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীর তালিকা মিয়ানমারের কাছে পাঠিয়েছিল।
এর পর মিয়ানমারের পক্ষ থেকে ৬৮ হাজার রোহিঙ্গার একটি ফিরতি তালিকা পাঠানো হয়। গত বছর জানুয়ারিতে ওই তালিকা থেকে পরিবারভিত্তিক প্রত্যাবাসনের জন্য প্রাথমিকভাবে ১১৪০ জনকে বাছাই করা হয় পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে।
এর মধ্যে ৭১১ জন রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে মিয়ানমার সম্মতি দিলেও বাকি ৪২৯ জনের ব্যাপারে তাদের আপত্তি ছিল। সেই ৪২৯ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই করতেই মিয়ানমারের ১৭ জন সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: বাংলাদেশে ফের মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল

প্রকাশ : ০৯:৫৬:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
কক্সবাজার প্রতিনিধি
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে এসেছেন মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে নাফ নদী হয়ে বাংলাদেশের টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজিট জেটিঘাটে পৌঁছালে বাংলাদেশের পক্ষে তাদের স্বাগত জানান অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শামসুদ্দৌজা নয়ন। সেখান থেকে প্রতিনিধিদল যান টেকনাফ কেরুনতলী প্রত্যাবাসন ঘাটে।
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ১৪ জন। তারা কেরুনতলী প্রত্যাবাসন ঘাটে দুই দিন কথা বলবেন রোহিঙ্গাদের সাথে। পরে শুক্রবার বিকালে তাদের মিয়ানমার ফেরত যাওয়ার কথা রয়েছে। কেরুনতলী ঘাটে ইতোমধ্যে বেশকিছু রোহিঙ্গাকে নিয়ে আসা হয়েছে।
গেল ৫ মে ২০ জন রোহিঙ্গাসহ ২৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পরিবেশ দেখতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও রোহিঙ্গারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তবে আশা করা হচ্ছে শিগগিরই এক হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে দিয়ে প্রত্যাবাসন শুরু হতে পার।
জানা গেছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আট লাখ ৮৮ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীর তালিকা মিয়ানমারের কাছে পাঠিয়েছিল।
এর পর মিয়ানমারের পক্ষ থেকে ৬৮ হাজার রোহিঙ্গার একটি ফিরতি তালিকা পাঠানো হয়। গত বছর জানুয়ারিতে ওই তালিকা থেকে পরিবারভিত্তিক প্রত্যাবাসনের জন্য প্রাথমিকভাবে ১১৪০ জনকে বাছাই করা হয় পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে।
এর মধ্যে ৭১১ জন রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে মিয়ানমার সম্মতি দিলেও বাকি ৪২৯ জনের ব্যাপারে তাদের আপত্তি ছিল। সেই ৪২৯ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই করতেই মিয়ানমারের ১৭ জন সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছেন।