বেনাপোল এক্সপ্রেস আগুন: নিহতদের মরদেহ বুঝে পেলেন স্বজনেরা
- প্রকাশ : ০৮:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
- / 46
বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া চারজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে রেলওয়ে পুলিশ। ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় শনাক্তের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেলের মর্গ থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাজনীতির নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যার নিন্দা জানিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন নিহতদের স্বজনরা।
এই ছোট্ট শিশুটির মা এলিনা ইয়াসমীন। গেলো বছর নভেম্বরে বাবার মৃত্যুর পর শেষ বারের মতো রাজবাড়িতে যান এলিনা। বেনাপোল এক্সপ্রেসে তারা ঢাকা ফিরছিলেন। নির্বাচনের দু’দিন আগে ৫ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগ এলাকায় সেই ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পুড়ে মারা যান এলিনা। এতোদিন তার মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছিলো না। ডিএনএ পরীক্ষার পর এবার তার মরদেহ বুঝে পেলেন এলিনার স্বামী।
এলিনার স্বামী সাজ্জাদ হোসেন চপল বলেন, আমার ভাতিজি বললো, আগুন লাগার সময় ফুপু আমার পেছনেই ছিলেন। কিন্তু ট্রেন থেকে নামার পর তাকে আর পাওয়া যায়নি।
একই ট্রেনে ফিরছিলেন নাতাশাও। তারও একই পরিণতি।
নিহত নাতাশার স্বজনরা জানান, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মরদেহ শনাক্ত করে আজ আমাদের ডাকা হয়েছে।
আন্দোলনের নামে সহিংসতার আগুনে ট্রেনে পুড়ে মারা যায় চদ্রিনা চৌধূরী সৌমি নামে আরেক নারী। হস্তান্তরের তালিকায় ছিলো তালহার মরদেহ।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনের ঘটনায় পুড়ে মারা যান চারজন। ঘটনার পর মরদেহগুলো আর শনাক্ত করা যাচ্ছিলো না। দীর্ঘ একমাস ১০ দিন পর ডিএনএ পরীক্ষায় তাদের মরদেহ শনাক্ত করা হয়।
ঢাকা রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস বলেন, অগ্নিদগ্ধ হওয়ায় নিহতদের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। যার কারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয় এবং আমরা তাদের মরদেহ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। চারজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আটক হয়েছে বেশ কজন আসামি।




















