০৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | সারাবাংলাটোয়েন্টিফোরনিউজ.কম
  • প্রকাশ : ০৭:৫০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / 58

ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত মিলন লস্কর (৩০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার সকালে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। সে ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পরবহাটি গ্রামের আতিয়ার লস্করের ছেলে।
খবরটি নিশ্চিত করেছেন জেলা কারাগারের জেলার মহিউদ্দিন হায়দার। তিনি জানান কারাগারের চিত্রা ৩ নং ওয়ার্ডের কয়েদি ছিলেন মিলন। ফজরের নামাজ আদায় শেষে সকাল ৬ টা ৪০ মিনিটের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে।
দ্রুত তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত ঘোষণা করেন। হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্টে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
তিনি আরও জানান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গত ২ জানুয়ারি মিলনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। সেই থেকে কারাগারের চিত্রা ৩ নং ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল তাকে। হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

প্রকাশ : ০৭:৫০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত মিলন লস্কর (৩০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার সকালে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। সে ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পরবহাটি গ্রামের আতিয়ার লস্করের ছেলে।
খবরটি নিশ্চিত করেছেন জেলা কারাগারের জেলার মহিউদ্দিন হায়দার। তিনি জানান কারাগারের চিত্রা ৩ নং ওয়ার্ডের কয়েদি ছিলেন মিলন। ফজরের নামাজ আদায় শেষে সকাল ৬ টা ৪০ মিনিটের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে।
দ্রুত তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত ঘোষণা করেন। হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্টে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
তিনি আরও জানান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গত ২ জানুয়ারি মিলনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। সেই থেকে কারাগারের চিত্রা ৩ নং ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল তাকে। হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।