০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানব সেবা সাহিত্য সাংবাদিকতায় ৮ জন পেল আল্লামা ইকবাল সম্মাননা

নিজস্ব প্রতিবেদক | সারাবাংলাটোয়েন্টিফোরনিউজ.কম
  • প্রকাশ : ১০:১৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪
  • / 33

মানব সেবা,শিল্প সংস্কৃতি, সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় ( আটজন ৮ জন-) আল্লামা ইকবাল সম্মাননা পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ হোটেল ফারসে এ- সেমিনার আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
আল্লামা ইকবাল কালচারাল সোসাইটির আয়োজনে বিশ্ব কবি, আল্লামা ড. মোহাম্মদ ইকবাল ও জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলামের সম্প্রীতির বার্তা শীর্ষক সেমিনার সোসাইটির সভাপতি কবি মাহমুদুল হাসান নিজামীর সভাপতিত্বে ও নেওয়াজ পাটোয়ারির সঞ্চালনায় এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী জনাব নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, ড. আনিসুজ্জামান, মেজর জেনারেল এহতেশামুল হক, সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব ড. জাকারিয়া, ড. খালেকুজ্জামান, কবি আসলাম সানি প্রমুখ, ।
আমন্ত্রিত রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাকিস্তানের হাই কমিশনার সৈয়দ আহমদ মারুফ এবং অন্যান্য কূটনীতিকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
এমন জীবন তুমি করিবে গঠন ; মরনে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন। কবিতার এই পঙক্তি কথাটি উচ্চারিত হলেই একজন সাধক কবির নাম মানসপটে ভেসে ওঠে । তিনি ভূবনখ্যাত বিশ্ব কবি সাহিত্যিক ও দার্শনিক ডক্টর আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল । আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল ( ১৮৭৭) সালের ৯ নভেম্বর পাঞ্জাবের শিয়ালকটে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি বিভাগপুর্ব ভারতবর্ষের বিশ্ব মুসলিম কবি, সাহিত্যিক ও দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ ছিলেন। তার ফার্সি ও উর্দু মহাকবিতার আধুনিক যুগের ” ফার্সি ও উর্দু ” সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আল্লামা ইকবাল তাঁর ধর্মীয় ও ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনের জন্যে ও বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন।
তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা দর্শন হচ্ছে ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন। এই চিন্তাই বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। তাঁর নাম মুহাম্মদ ইকবাল হলেও তিনি আল্লামা ইকবাল হিসেবেই অধিক পরিচিত। আল্লামা শব্দের অর্থ হচ্ছে শিক্ষাবিদ। তাঁর ফার্সি সৃজনশীলতার জন্য ইরানেও তিনি ছিলেন সমধিক প্রসিদ্ধ; তিনি ইরানে ইকবাল-ই-লাহোরী নামে পরিচিত। আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও ইসলামি চিন্তা ধারার সার্থক ভাষ্যকার। উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সেমিনারে অংশগ্রহণ করে আমন্ত্রিত অতিথিগণ।
সেমিনারে বক্তাগণ বলেন, অসাম্প্রদায়িক সুফিবাদী সাহিত্যে বিশ্ব কবি আল্লামা ড. মোহাম্মদ ইকবাল ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যে সম্প্রতির বার্তা দিয়ে গেছেন তা অহিংস শান্তিময় বিশ্বগড়তে বিশাল অবদান রাখবে। ইকবাল পাকিস্তানের জাতীয় কবি হওয়ার পরও। ‘সারা জাহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তা হামারা’সহ ভারতের অনেক দেশাত্মবোধক জনপ্রিয় গান কবিতা ইকবালেরই লেখা। তেমনিভাবে কাজি নজরুল ইসলাম যেমনি হামদ নাত লিখেছেন তেমনি শ্যামা সঙ্গিত লিখে অহিংস সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে গেছেন।
সেমিনারে, সাংবাদিকতায় ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ‘( ডিইউজে ‘) একাংশের সভাপতি, মো : শহিদুল ইসলাম, সাহিত্য, মানব, সেবায় অহিদা বানু, প্রকাশনা শিল্পে মিজানুর রহমান পাটোয়ারি, সাংবাদিকতায় কালবেলার সিনিয়র রিপোর্টার মাইদুর রহমান রুবেল, আর টিভির মাইন উদ্দিন মামুন, এটিএন নিউজের সাজ্জাদ আরিফ , সাহিত্য ও প্রকাশনায় বাংলা পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার,। এদিকে মাহবুব মুকল, মোস্তফা কামাল মাহদি, রেজওয়ানুল হকসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশিষ্ট জনদের সাহিত্য, কবিতা, মানব সেবায় আল্লামা ড. মোহাম্মদ ইকবাল এওয়ার্ড দেওয়া হয়।
বিশ্ব কবি, আল্লামা ড. মোহাম্মদ ইকবাল ও জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলামের সম্প্রীতিরা্ বার্তা শীর্ষক সেমিনারে আলোচকগণ আরোও বলেন – এদিকে জাতীয় কবি, কাজি নজরুল ইসলাম তিনি একাধারে কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, সুরকার, গীতিকার, সম্পাদক, সাংবাদিক, সৈনিক, ইমাম, মুয়াজ্জিন, রুটির কারিগর, বাদক ও সংগঠক, বহু গুণে গুণান্বিত ছিলেন নজরুল।
কবির রণসংগীত যেমন, আমাদের সংগ্রামী চেতনাকে আন্দোলিত করে, ঠিক তেমনি তার ইসলামি কাব্য আমাদের আধ্যাত্মিক রসদ জোগায় । তার শক্তিশালী কলমের অগ্রে ইসলামি জ্ঞান বিজ্ঞান একেবারে ছাড়াছড়ি। ইসলামের প্রতি তার গভীর অনুরাগের কারণেই তিনি ঝুঁকে পড়েছিলেন কাব্যের মাধ্যমে ইসলাম চর্চায়। কাব্যকে বেছে নেওয়ার নেপথ্যে তাঁর যুক্তি ছিল গদ্য কণ্ঠস্থ হয় না। সুতরাং ইসলামি জ্ঞান বিজ্ঞানকে যদি সহজ পদ্যের মাধ্যমে আলোচনা করা হয়, তাহলে অধিকাংশ মুসলমান ও প্রচুর বালক – বালিকা অনায়াসে আত্নস্থ করতে পারবে। এই কারণেই তিনি নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত, ঈদ, কোরবানি, মহররম, রবিউল আউয়াল, ও ইসলামি কৃষ্টি সংস্কৃতি ও কালচার নিয়ে সাড়া জাগানো কালজয়ী, ইসলামি গান, গজল, হামদ ও নাত_ এ রাসুল ( সা:,) রচনা করেছেন।
হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ কে নিয়ে তিনি শতাধিক নাত _ এ রাসুল লিখেছেন । আল্লাহ ও রাসুলুল্লাহ সাঃ এর শানে প্রসংশায় “,রচিত ; এই হামদ ও নাত গুলো আজ আমাদের দেশ ও জাতি মুসলিম সমাজ আমরা তাঁর ” নজরুলের ” কাছে চিরকৃতজ্ঞ । বলাবাহুল্য জাতীয় কবি, কাজি, নজরুল ছিলেন প্রকৃত অর্থে নবী ও রাসুল প্রেমিক । কবি প্রত্যেক সৌন্দর্য ও মনোহারিতার মাঝে খুঁজে পাচ্ছেন সেই নবী ও রাসুল প্রেম।

Please Share This Post in Your Social Media

মানব সেবা সাহিত্য সাংবাদিকতায় ৮ জন পেল আল্লামা ইকবাল সম্মাননা

প্রকাশ : ১০:১৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪

মানব সেবা,শিল্প সংস্কৃতি, সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় ( আটজন ৮ জন-) আল্লামা ইকবাল সম্মাননা পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ হোটেল ফারসে এ- সেমিনার আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
আল্লামা ইকবাল কালচারাল সোসাইটির আয়োজনে বিশ্ব কবি, আল্লামা ড. মোহাম্মদ ইকবাল ও জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলামের সম্প্রীতির বার্তা শীর্ষক সেমিনার সোসাইটির সভাপতি কবি মাহমুদুল হাসান নিজামীর সভাপতিত্বে ও নেওয়াজ পাটোয়ারির সঞ্চালনায় এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী জনাব নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, ড. আনিসুজ্জামান, মেজর জেনারেল এহতেশামুল হক, সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব ড. জাকারিয়া, ড. খালেকুজ্জামান, কবি আসলাম সানি প্রমুখ, ।
আমন্ত্রিত রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাকিস্তানের হাই কমিশনার সৈয়দ আহমদ মারুফ এবং অন্যান্য কূটনীতিকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
এমন জীবন তুমি করিবে গঠন ; মরনে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন। কবিতার এই পঙক্তি কথাটি উচ্চারিত হলেই একজন সাধক কবির নাম মানসপটে ভেসে ওঠে । তিনি ভূবনখ্যাত বিশ্ব কবি সাহিত্যিক ও দার্শনিক ডক্টর আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল । আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল ( ১৮৭৭) সালের ৯ নভেম্বর পাঞ্জাবের শিয়ালকটে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি বিভাগপুর্ব ভারতবর্ষের বিশ্ব মুসলিম কবি, সাহিত্যিক ও দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ ছিলেন। তার ফার্সি ও উর্দু মহাকবিতার আধুনিক যুগের ” ফার্সি ও উর্দু ” সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আল্লামা ইকবাল তাঁর ধর্মীয় ও ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনের জন্যে ও বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন।
তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা দর্শন হচ্ছে ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন। এই চিন্তাই বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। তাঁর নাম মুহাম্মদ ইকবাল হলেও তিনি আল্লামা ইকবাল হিসেবেই অধিক পরিচিত। আল্লামা শব্দের অর্থ হচ্ছে শিক্ষাবিদ। তাঁর ফার্সি সৃজনশীলতার জন্য ইরানেও তিনি ছিলেন সমধিক প্রসিদ্ধ; তিনি ইরানে ইকবাল-ই-লাহোরী নামে পরিচিত। আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও ইসলামি চিন্তা ধারার সার্থক ভাষ্যকার। উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সেমিনারে অংশগ্রহণ করে আমন্ত্রিত অতিথিগণ।
সেমিনারে বক্তাগণ বলেন, অসাম্প্রদায়িক সুফিবাদী সাহিত্যে বিশ্ব কবি আল্লামা ড. মোহাম্মদ ইকবাল ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যে সম্প্রতির বার্তা দিয়ে গেছেন তা অহিংস শান্তিময় বিশ্বগড়তে বিশাল অবদান রাখবে। ইকবাল পাকিস্তানের জাতীয় কবি হওয়ার পরও। ‘সারা জাহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তা হামারা’সহ ভারতের অনেক দেশাত্মবোধক জনপ্রিয় গান কবিতা ইকবালেরই লেখা। তেমনিভাবে কাজি নজরুল ইসলাম যেমনি হামদ নাত লিখেছেন তেমনি শ্যামা সঙ্গিত লিখে অহিংস সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে গেছেন।
সেমিনারে, সাংবাদিকতায় ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ‘( ডিইউজে ‘) একাংশের সভাপতি, মো : শহিদুল ইসলাম, সাহিত্য, মানব, সেবায় অহিদা বানু, প্রকাশনা শিল্পে মিজানুর রহমান পাটোয়ারি, সাংবাদিকতায় কালবেলার সিনিয়র রিপোর্টার মাইদুর রহমান রুবেল, আর টিভির মাইন উদ্দিন মামুন, এটিএন নিউজের সাজ্জাদ আরিফ , সাহিত্য ও প্রকাশনায় বাংলা পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার,। এদিকে মাহবুব মুকল, মোস্তফা কামাল মাহদি, রেজওয়ানুল হকসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশিষ্ট জনদের সাহিত্য, কবিতা, মানব সেবায় আল্লামা ড. মোহাম্মদ ইকবাল এওয়ার্ড দেওয়া হয়।
বিশ্ব কবি, আল্লামা ড. মোহাম্মদ ইকবাল ও জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলামের সম্প্রীতিরা্ বার্তা শীর্ষক সেমিনারে আলোচকগণ আরোও বলেন – এদিকে জাতীয় কবি, কাজি নজরুল ইসলাম তিনি একাধারে কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, সুরকার, গীতিকার, সম্পাদক, সাংবাদিক, সৈনিক, ইমাম, মুয়াজ্জিন, রুটির কারিগর, বাদক ও সংগঠক, বহু গুণে গুণান্বিত ছিলেন নজরুল।
কবির রণসংগীত যেমন, আমাদের সংগ্রামী চেতনাকে আন্দোলিত করে, ঠিক তেমনি তার ইসলামি কাব্য আমাদের আধ্যাত্মিক রসদ জোগায় । তার শক্তিশালী কলমের অগ্রে ইসলামি জ্ঞান বিজ্ঞান একেবারে ছাড়াছড়ি। ইসলামের প্রতি তার গভীর অনুরাগের কারণেই তিনি ঝুঁকে পড়েছিলেন কাব্যের মাধ্যমে ইসলাম চর্চায়। কাব্যকে বেছে নেওয়ার নেপথ্যে তাঁর যুক্তি ছিল গদ্য কণ্ঠস্থ হয় না। সুতরাং ইসলামি জ্ঞান বিজ্ঞানকে যদি সহজ পদ্যের মাধ্যমে আলোচনা করা হয়, তাহলে অধিকাংশ মুসলমান ও প্রচুর বালক – বালিকা অনায়াসে আত্নস্থ করতে পারবে। এই কারণেই তিনি নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত, ঈদ, কোরবানি, মহররম, রবিউল আউয়াল, ও ইসলামি কৃষ্টি সংস্কৃতি ও কালচার নিয়ে সাড়া জাগানো কালজয়ী, ইসলামি গান, গজল, হামদ ও নাত_ এ রাসুল ( সা:,) রচনা করেছেন।
হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ কে নিয়ে তিনি শতাধিক নাত _ এ রাসুল লিখেছেন । আল্লাহ ও রাসুলুল্লাহ সাঃ এর শানে প্রসংশায় “,রচিত ; এই হামদ ও নাত গুলো আজ আমাদের দেশ ও জাতি মুসলিম সমাজ আমরা তাঁর ” নজরুলের ” কাছে চিরকৃতজ্ঞ । বলাবাহুল্য জাতীয় কবি, কাজি, নজরুল ছিলেন প্রকৃত অর্থে নবী ও রাসুল প্রেমিক । কবি প্রত্যেক সৌন্দর্য ও মনোহারিতার মাঝে খুঁজে পাচ্ছেন সেই নবী ও রাসুল প্রেম।