০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর আমকি পশুরহাট করোনা ঝুঁকিতে, আতংকে সাধারণ মানুষ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৩:৩৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০
  • / 34

 

মোজাম্মেল হক,নোয়াখালী
 পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুরহাট গুলো বাড়তি চিন্তার কারণ হিসেবে দেথা দিয়েছে। সোনাইমুড়ি উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের আমকি বাজার পশুরহাটে ঝুঁকিরমাত্রা আশংকাজনক পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পশুরহাটে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা, সামাজিক দূরত্ন বজায় রাখা ও সুরক্ষা সামগ্রী মাধ্যমে সম্ভাব্য এই ঝুঁকি কিছুটা এড়ানো যেতে পারে বলে মনে করেন তারা। কোরবানি সামনে রেখে ইতোমধ্যে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ সময় করোনা আক্রান্ত উপসর্গহীন অনেক মানুষও আমকিসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটে যাতায়াত করবেন। এসব হাটে ইতোমধ্যে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ভিড়ের মধ্যে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে পশু বাছাই ও দরদাম করা হয়। উপজেলার আমকি পশুরহাট নিয়ে মানুষের অসন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া থাকলেও এ হাটে তার চিত্রটা একেবারেই উল্টো। ক্রেতা-বিক্রেতা ও স্থানীয়রা অনেকেই বলছেন, পশুর হাট নয়, এ যেন করোনার হাট। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন তারা।সরেজমিনে হাট ঘুরে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের নানা রকম নির্দেশনা দেওয়া থাকলেও আমকি হাটে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না।

এতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন ক্রেতা-বিক্রেতা ও স্থানীয়রা। হাট ইজারাদারদের সরকারের স্বাস্থ্য বিধির নির্দেশনা মেনে হাট পরিচালনা করতে হবে কিন্তু হাটগুলোতে দেখা যাচ্ছে পশুর চেয়ে প্রায় দশ গুণ মানুষ বেশি। মাস্ক, গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জীবাণুনাশক স্প্রে বা হাত ধোয়ার তেমন কোনো ব্যবস্থায় নেই।স্থানীয় প্রশাসন ও হাট কর্তৃপক্ষের তৎপরতা না থাকার কারণে এই পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। এমন অবস্থা চলতে থাকলে করোনাভাইরাস আরো বেড়ে যাবে। প্রশাসনকে শক্তভাবে নজর দেওয়া উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

নোয়াখালীর আমকি পশুরহাট করোনা ঝুঁকিতে, আতংকে সাধারণ মানুষ

প্রকাশ : ০৩:৩৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

 

মোজাম্মেল হক,নোয়াখালী
 পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুরহাট গুলো বাড়তি চিন্তার কারণ হিসেবে দেথা দিয়েছে। সোনাইমুড়ি উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের আমকি বাজার পশুরহাটে ঝুঁকিরমাত্রা আশংকাজনক পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পশুরহাটে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা, সামাজিক দূরত্ন বজায় রাখা ও সুরক্ষা সামগ্রী মাধ্যমে সম্ভাব্য এই ঝুঁকি কিছুটা এড়ানো যেতে পারে বলে মনে করেন তারা। কোরবানি সামনে রেখে ইতোমধ্যে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ সময় করোনা আক্রান্ত উপসর্গহীন অনেক মানুষও আমকিসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটে যাতায়াত করবেন। এসব হাটে ইতোমধ্যে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ভিড়ের মধ্যে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে পশু বাছাই ও দরদাম করা হয়। উপজেলার আমকি পশুরহাট নিয়ে মানুষের অসন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া থাকলেও এ হাটে তার চিত্রটা একেবারেই উল্টো। ক্রেতা-বিক্রেতা ও স্থানীয়রা অনেকেই বলছেন, পশুর হাট নয়, এ যেন করোনার হাট। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন তারা।সরেজমিনে হাট ঘুরে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের নানা রকম নির্দেশনা দেওয়া থাকলেও আমকি হাটে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না।

এতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন ক্রেতা-বিক্রেতা ও স্থানীয়রা। হাট ইজারাদারদের সরকারের স্বাস্থ্য বিধির নির্দেশনা মেনে হাট পরিচালনা করতে হবে কিন্তু হাটগুলোতে দেখা যাচ্ছে পশুর চেয়ে প্রায় দশ গুণ মানুষ বেশি। মাস্ক, গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জীবাণুনাশক স্প্রে বা হাত ধোয়ার তেমন কোনো ব্যবস্থায় নেই।স্থানীয় প্রশাসন ও হাট কর্তৃপক্ষের তৎপরতা না থাকার কারণে এই পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। এমন অবস্থা চলতে থাকলে করোনাভাইরাস আরো বেড়ে যাবে। প্রশাসনকে শক্তভাবে নজর দেওয়া উচিত।