০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নোয়াখালী চাটখিলে এ,সি,ল্যান্ডের নেতৃত্বে মৎস্য অভিযান পরিচালিত
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৭:০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০
- / 35
মোজাম্মেল হক, নোয়াখালী
নোয়াখালী চাটখিলে এ,সি,ল্যান্ড এর নেতৃত্বে চাটখিলে মৎস্য অভিযান পরিচালিত। বাঙ্গালীদের প্রধান খাদ্য ভাত-মাছ।এজন্য প্রবাদে আছে ভাতে মাছে বাঙ্গালী।প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন প্রজাতির মা মাছেরা ডিম পাড়ে ,পোনা ছাড়ে।তখন মা মাছেরা নিরাপদ জলাশয়ে আশ্রয় খোঁজে। তাদের এই পোনা গুলো বড় হয়ে একসময় পূর্ণাঙ্গ মাছে পরিনত হয়। সরকার ও এই সময়টুকু তে বিভিন্ন জলাশয়ে,খাল,বিল,নদী, নালায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করে জনসাধারণের জন্য। তিনমাস পযন্ত এ সময়টুকুর মধ্যে মাছ বড় হতে সুযোগ করে দিতে হবে।তাই সরকার এই তিন মাস যাবত মাছধরা নিষিদ্ধ করে দেয়।মৎস্য আইনে এ সময়ে মাছধরা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকার ও সময়টুকুতে মৎস্য শিকারীদের আথিক সহায়তা প্রদান করে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মৎস্য অভিযান পরিচালিত হয়।তারি ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ,সি,ল্যান্ডের নেতৃত্বে চাটখিলের উত্তর অঞ্চলে মৎস্য অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বৃন্দ, থানা প্রশাসন সহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হালিমা দিঘির পাড় থেকে শুরু করে পাল্লা হয়ে, রেজ্জাক পুর,, হীরা পুর, মানিক পুর,ও বদলকোট ইউনিয়নের পুরো খালের প্রতিটি ভেয়াল জালে অভিযান চালিয়ে ভেয়ালের মেইন বাঁশ গুলো বিছিন্ন করে দিয়ে জালগুলো নিয়ে যায়। তিন মাস পর্যন্ত একটুখানি কষ্ট করে কাটাতে পারলে ভবিষ্যতে লাভটা জনগণের হবে। সরকারের প্রতি আকুল আবেদন এই দূঃসময়ে মৎস্য শিকারীদের আথিক সহায়তা প্রদান করে তাদের পরিবার পরিজন দের সহযোগিতা করবেন।এ,সি ল্যান্ড যাবার সময় রাজ্জাক পুর খালে ১৮০/২০০ মাছ ফেলে যায়।





















