০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
যশোরের ঝিকরগাছায় ৮ বছরের এক শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৪:০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০
- / 38
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,শার্শা(যশোর)
যশোরের ঝিকরগাছা কুমরী গ্রামে হুমায়ন কবির (২৬) নামের এক লম্পটের বিরুদ্ধে ৮ বছর বয়সী এক শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। লম্পট হুমায়ন উপজেলার কুমরী গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুল কুদ্দসের ছেলে। এব্যাপারে ভিকটিমের হতদরিদ্র পরিবারটি ন্যায় বিচার পেতে পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেছে।
জানা গেছে, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার কুমরী গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুল কুদ্দসের ছেলে লম্পট হুমায়ন কবির বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টার দিকে একই গ্রামের একটি অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের ৮ বছর বয়সী এক শিশুকে তালের শাঁস খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ঐ গ্রামের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া বেত্রাবতী নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। ভর দুপুরে নদীর ধারে নির্জন জায়গায় শিশুটিকে লম্পট হুমায়ন বলৎকার করে।
এসময় শিশুটির চিৎকারে স্থানীরা ছুটে এলে লম্পট হুমায়ন দৌড়ে পালিয়ে যায়। এঘটনার খবর পেয়ে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক হিমানিস কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাটি শোনার পর লম্পট হুমায়নের মালয়েশিয়া প্রবাসী পিতা আব্দুল কুদ্দস মুঠো ফোনে যোগাযোগ করে কথিত আওয়ামীলীগ নেতা ওহাব মোল্লা সহ স্থানীয় গ্রাম্য মাতব্বরদের ম্যানেজ করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে বলৎকারের মত জঘন্য ঘটনা ঘটার দুই দিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসন নিরব থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম হতাসার সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় ভিকটিমের পরিবার ও নিরীহ গ্রামবাসী ন্যায় বিচার পেতে পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ঝিকরগাছার বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রেরের উপ-পরিদর্শক হিমানিসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলটি নদীর ওপার কলারোয়া উপজেলায় হওয়ায় ওসির সারের সাথে আমি কথা বলার পর ওনাদেরকে কলারোয়া থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। আপনি ওসি সারের সাথে কথা বলেন।
এব্যাপারে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে আমি যায় নাই, বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রেরের ওরা আমাকে বললো ঘটনাস্থল কলারোয়া উপজেলায়। তাই আমি বলেছি ঘটনাস্থল যেহেতু কলারোয়া উপজেলায় তাহলে আমাদের মামলা নেওয়ার এখতিয়ার নাই। ওনাদের কলারোয়া থানায় যোগাযোগ করতে বলো।





















