০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে আমনের চারা দোগছি রোপণ করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ১১:৩৬:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০
  • / 38

মোস্তাকিম হোসেন,পাঁচবিবি,(জয়পুরহাট)
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে আমন ধান চাষের প্রস্তুতি শুরু করছেন কৃষকেরা। ইতি মধ্যেই আমন চাষের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন কৃষকেরা। প্রাথমিক ভাবে কৃষকরা আমনের জমিতে আইল বাঁধা আইলের সাইড কেটে জমিকে আমন চাষের উপযোগী করে তুলছে। যে সব জমিতে পাট আছে সে গুলোও পাট কেটে প্রস্তুত করছেন কৃষকেরা।
সেই লক্ষ্যে আমনের চারা দোগছি রোপন করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। আর কয়দিন পরেই  আমন চারা জমিতে রোপন শুরু হবে। কৃষকেরা জানান, উপজেলায় বন্যাসহ প্রাকৃতিক কোন দুযোর্গ না থাকায় এবার আগে ভাগেই শুরু হবে আমন চারা রোপন । 
বাগজানা মাঠে দোগছি লাগানো কৃষক গৌরাঙ্গ জানায়, এক মাস আগে আমন ধান বীজ তলায় ছিটানো হয়। এই বীজের চারা যখন প্রায় এক ফুট উচ্চতা হয়, তখন সেই চারা তুলে পুনরায় অন্য জমিতে রোপন করা হয়।সেই চারা আমনের জমিতে রোপন করা হয়।
দোগাছির উপকারিতা কি জানতে চাইলে কৃষক শহিদুল, মাসুদ রানা, সামছুল বলেন,দোগছি করলে চারার দন্ড মোটা হয়, ৮/১০টি চারা থেকে কমপক্ষে ৪০/৫০ টি গাছ গজায় এবং দোগছির চারা জমিতে রোপন করলে চারা সাশ্রয় ও  চারার গোঁজ মোটা হয়। ধানের শীষ লম্বা হয়, পোকার আক্রমনসহ ধান গাছে নানা বিধি রোগ বালাই দেখা না দিলে দোগছি ধানের ফলনও ভাল পাওয়া যায় বলেও জানান কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২০হাজার ২৩০ হেঃ জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে উপজেলায় প্রায় ১২শ হেক্টর জমিতে আমন বীজতলা তৈরী করা হয়। 
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফর রহমান জানান, এ এলাকায় স্থানীয় কৃষকের মাঝে দোগছির প্রচলন বেশি। কিন্তুু সব ধানের ক্ষেত্রে দোগছি করা যাবে না, যে ধানের জীবনকাল বেশি সেটি করা যেতে পারে। তবে বন্যা কবলিত এলাকায় দোগছি করলে চারা সংকটের  সম্ভাবনা থাকে না বলেও জানান তিনি ।

Please Share This Post in Your Social Media

জয়পুরহাটে আমনের চারা দোগছি রোপণ করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা

প্রকাশ : ১১:৩৬:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০

মোস্তাকিম হোসেন,পাঁচবিবি,(জয়পুরহাট)
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে আমন ধান চাষের প্রস্তুতি শুরু করছেন কৃষকেরা। ইতি মধ্যেই আমন চাষের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন কৃষকেরা। প্রাথমিক ভাবে কৃষকরা আমনের জমিতে আইল বাঁধা আইলের সাইড কেটে জমিকে আমন চাষের উপযোগী করে তুলছে। যে সব জমিতে পাট আছে সে গুলোও পাট কেটে প্রস্তুত করছেন কৃষকেরা।
সেই লক্ষ্যে আমনের চারা দোগছি রোপন করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। আর কয়দিন পরেই  আমন চারা জমিতে রোপন শুরু হবে। কৃষকেরা জানান, উপজেলায় বন্যাসহ প্রাকৃতিক কোন দুযোর্গ না থাকায় এবার আগে ভাগেই শুরু হবে আমন চারা রোপন । 
বাগজানা মাঠে দোগছি লাগানো কৃষক গৌরাঙ্গ জানায়, এক মাস আগে আমন ধান বীজ তলায় ছিটানো হয়। এই বীজের চারা যখন প্রায় এক ফুট উচ্চতা হয়, তখন সেই চারা তুলে পুনরায় অন্য জমিতে রোপন করা হয়।সেই চারা আমনের জমিতে রোপন করা হয়।
দোগাছির উপকারিতা কি জানতে চাইলে কৃষক শহিদুল, মাসুদ রানা, সামছুল বলেন,দোগছি করলে চারার দন্ড মোটা হয়, ৮/১০টি চারা থেকে কমপক্ষে ৪০/৫০ টি গাছ গজায় এবং দোগছির চারা জমিতে রোপন করলে চারা সাশ্রয় ও  চারার গোঁজ মোটা হয়। ধানের শীষ লম্বা হয়, পোকার আক্রমনসহ ধান গাছে নানা বিধি রোগ বালাই দেখা না দিলে দোগছি ধানের ফলনও ভাল পাওয়া যায় বলেও জানান কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২০হাজার ২৩০ হেঃ জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে উপজেলায় প্রায় ১২শ হেক্টর জমিতে আমন বীজতলা তৈরী করা হয়। 
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফর রহমান জানান, এ এলাকায় স্থানীয় কৃষকের মাঝে দোগছির প্রচলন বেশি। কিন্তুু সব ধানের ক্ষেত্রে দোগছি করা যাবে না, যে ধানের জীবনকাল বেশি সেটি করা যেতে পারে। তবে বন্যা কবলিত এলাকায় দোগছি করলে চারা সংকটের  সম্ভাবনা থাকে না বলেও জানান তিনি ।