০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মূল্যস্ফীতির চাপে হিমশিম খাচ্ছেন বেসরকারি চাকরিজীবীরা, বেতন বাড়ানোর তাগিদ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৪:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩
  • / 36
নিজেস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
বেসরকারি একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন মোমেন। তিনজনের পরিবার নিয়ে থাকেন রাজধানীর রামপুরায়। ২০ হাজার টাকা বেতনে কোনভাবেই মাস পার করতে পারছেন না।জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। এরমধ্যে ফ্ল্যাট ভাড়া, খাওয়া খরচ, মায়ের ওষুধ কেনা, নিজের চলাচল কোনকিছুই হচ্ছে না। মাস শেষে নিতে হচ্ছে ঋণ।
মোমেন বলেন, এই অবস্থায় আমার বাড়তি কোন কাজ করার সুযোগ নেই। বেতন না বাড়ালে কীভাবে পরিবার নিয়ে চলব সেই দুশ্চিন্তা কাটছেই না।
কেবল মোমেন নয়, ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতনের এমন লাখ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষ এবং যাদের বাড়তি আয়ের সুযোগ নেই তারা প্রতিনিয়ত মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দিতে প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আয়-ব্যয়ের সমন্বয় না হওয়ায় জীবনযাপনে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে দেশে ৯ দশমিক ২৪ শতাংশের মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকলেও বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য কোনো দিকনির্দেশনা নেই।
এ অবস্থায় সরকারের হস্তক্ষেপ চান বেসরকারি চাকরিজীবীরা। তবে শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, মূল্যস্ফীতি না কমলে শুধু বেতন বাড়িয়ে কাজ হবে না। আসন্ন বাজেটেও বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ধরা হচ্ছে সাড়ে ৬ শতাংশ। এমন বাস্তবতায় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সমন্বয়ের চিন্তা সরকারের। কিন্তু বেসরকারি খাতের কর্মচারীদের জন্য নেই কোনো নির্দেশনা।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে বলেন, মূল্যস্ফীতি যখন বাড়ে তখন আমরা চেষ্টা করতে পারি যে কীভাবে আমরা পণ্যের দাম কমাতে পারি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম বলেন, অনানুষ্ঠানিক খাতে, বেসরকারি খাতে অনেক মানুষ কাজ করে। তাঁদের জন্যই ব্যবস্থা রাখতে হবে বাজেটে।
অর্থ বিভাগের তথ্যমতে, দেশে সরকারি চাকরিজীবী ১২ লাখ ৪৬ হাজার। তবে বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের কোনো পরিসংখ্যান নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

মূল্যস্ফীতির চাপে হিমশিম খাচ্ছেন বেসরকারি চাকরিজীবীরা, বেতন বাড়ানোর তাগিদ

প্রকাশ : ০৪:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩
নিজেস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
বেসরকারি একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন মোমেন। তিনজনের পরিবার নিয়ে থাকেন রাজধানীর রামপুরায়। ২০ হাজার টাকা বেতনে কোনভাবেই মাস পার করতে পারছেন না।জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। এরমধ্যে ফ্ল্যাট ভাড়া, খাওয়া খরচ, মায়ের ওষুধ কেনা, নিজের চলাচল কোনকিছুই হচ্ছে না। মাস শেষে নিতে হচ্ছে ঋণ।
মোমেন বলেন, এই অবস্থায় আমার বাড়তি কোন কাজ করার সুযোগ নেই। বেতন না বাড়ালে কীভাবে পরিবার নিয়ে চলব সেই দুশ্চিন্তা কাটছেই না।
কেবল মোমেন নয়, ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতনের এমন লাখ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষ এবং যাদের বাড়তি আয়ের সুযোগ নেই তারা প্রতিনিয়ত মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দিতে প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আয়-ব্যয়ের সমন্বয় না হওয়ায় জীবনযাপনে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে দেশে ৯ দশমিক ২৪ শতাংশের মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকলেও বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য কোনো দিকনির্দেশনা নেই।
এ অবস্থায় সরকারের হস্তক্ষেপ চান বেসরকারি চাকরিজীবীরা। তবে শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, মূল্যস্ফীতি না কমলে শুধু বেতন বাড়িয়ে কাজ হবে না। আসন্ন বাজেটেও বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ধরা হচ্ছে সাড়ে ৬ শতাংশ। এমন বাস্তবতায় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সমন্বয়ের চিন্তা সরকারের। কিন্তু বেসরকারি খাতের কর্মচারীদের জন্য নেই কোনো নির্দেশনা।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে বলেন, মূল্যস্ফীতি যখন বাড়ে তখন আমরা চেষ্টা করতে পারি যে কীভাবে আমরা পণ্যের দাম কমাতে পারি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম বলেন, অনানুষ্ঠানিক খাতে, বেসরকারি খাতে অনেক মানুষ কাজ করে। তাঁদের জন্যই ব্যবস্থা রাখতে হবে বাজেটে।
অর্থ বিভাগের তথ্যমতে, দেশে সরকারি চাকরিজীবী ১২ লাখ ৪৬ হাজার। তবে বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের কোনো পরিসংখ্যান নেই।