ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সেনাবাহিনীর তৎপরতায় স্বস্থিতে চালক ও যাত্রীরা
- প্রকাশ : ০১:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
- / 32
জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।
এ কে এম আজাদ।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরা স্বাচ্ছন্দ্য করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করেছেন সেনাবাহিনী। এতে মহাসড়কটির কুমিল্লা অংশে কোনো রকম যানজট ও ভোগান্তি ছাড়াই গন্তব্যে ফিরেছন সাধারণ মানুষ। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। তাই যানজটে ভোগান্তি নিরসনে এখনো মহাসড়কে কাজ করছে সেনাবাহিনী।
শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ,অবৈধ পার্কিং এবং সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এতে পুরো মহাসড়ক ফাঁকা হয়ে যায়। এসময় চালকদের নিয়ম মেনে যানবাহন চলাচল করতে দেখে যায় ।
চান্দিনা বাজারের এক ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, প্রতি ঈদেই দেখেছি এই মহাসড়কে যানজট লেগে থাকে। এবারই প্রথম দেখলাম যে মানুষ কোনো ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরেছে এবং ছুটি শেষে কর্মস্থলে যাচ্ছে।যানজট নিরসনে সেনাবাহিনী অনেক দিন ধরে এই মহাসড়কে কাজ করছে। এবারের ঈদে মানুষের মনে স্বস্তি ফিরেছে।
মহাসড়কের চলা আল বারাকা পরিবহনের বাসচালক বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড,নিমসার বাজার,ইলিয়টগঞ্জ বাজার ও মাধাইয়া বাজার এলাকায় মাঝে মধ্যে যানজটের সৃষ্টি হতো। এখন তেমন যানজট নেই। বাসের যাত্রীরাও স্বস্তি বোধ করছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কে দায়িত্বরত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার জাকারিয়া আমিন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের ব্যস্ততম একটি মহাসড়ক। এ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রী উঠানামা করানো, দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে বিভিন্ন সময়ে যানটজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া ঈদ ঘিরে মহাসড়কটিতে যাত্রী ও পরিবহনের চাপ বাড়ে। এবার যেনো সেরকম কোনো দুভোর্গ পোহাতে না হয়, সেজন্য আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী চান্দিনা আর্মি ক্যাম্পের দুইটি টিম চান্দিনা, মাধাইয়া ও ইলিয়টগঞ্জ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছি।
তিনি বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের যাত্রাপথে ভোগান্তি দূর করতে এবং ঈদ পরবর্তী কর্মস্থলে ফিরতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকল বাস মালিকদের নিয়ম মেনে গাড়ি চালানোর অনুরোধ করছে। এছাড়া কুমিল্লা অংশের যেসব পয়েন্টে যানজট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেসব এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট এবং টহলের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। অবৈধ পার্কিং, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোসহ এসব বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইতোমধ্যে অব্যবস্থাপনার দায়ে ১১টি মামলায় অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে।




















