১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত কনস্টেবল আনোয়ারের মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে জেলা পুলিশ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ১০:২১:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০
  • / 35
মোজাম্মেল হক, নোয়াখালী
কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশের মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করলেন নোয়াখালী জেলা পুলিশ।
২০০৯ সালে কক্সবাজার জেলার চকোরিয়া থানায় কর্তব্যরত অবস্থায় সড়ক দুর্টঘনায় নিহত হন কনস্টেবল আনোয়ার উল্যাহ।আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তার স্ত্রী জোয়েদা আক্তারের সেজো মেয়ে আসমাউল হোসনা মুক্তা’র বিয়ের খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।সংবাদ পেয়ে নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পাশে এসে দাঁড়ায় জেলা পুলিশ।সোমবার ১০ আগস্ট সুধারাম থানার ৮ নং এওজবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের কনের নিজ বাড়ীতে আয়োজন করে বিয়ের।
বর রিয়াজ উদ্দিন আজাদ একই ইউনিয়নের চর শুল্যকিয়া গ্রামের বাসিন্দা। জেলা পুলিশের প্রীতি উপহার নিয়ে কনের বাড়ীতে যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) জনাব দীপক জ্যোতি খীসা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপারভ (ইন-সার্ভিস ট্রেইনিং সেন্টার)মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নবীর হোসেন।
পিতার অবর্তমানে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করায় পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর হোসেন এর প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কনে আসমাউল হোসনা মুক্তা ও তার বিধবা মা জোয়েদা আক্তার।

Please Share This Post in Your Social Media

নোয়াখালীতে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত কনস্টেবল আনোয়ারের মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে জেলা পুলিশ

প্রকাশ : ১০:২১:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০


মোজাম্মেল হক, নোয়াখালী
কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশের মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করলেন নোয়াখালী জেলা পুলিশ।
২০০৯ সালে কক্সবাজার জেলার চকোরিয়া থানায় কর্তব্যরত অবস্থায় সড়ক দুর্টঘনায় নিহত হন কনস্টেবল আনোয়ার উল্যাহ।আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তার স্ত্রী জোয়েদা আক্তারের সেজো মেয়ে আসমাউল হোসনা মুক্তা’র বিয়ের খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।সংবাদ পেয়ে নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পাশে এসে দাঁড়ায় জেলা পুলিশ।সোমবার ১০ আগস্ট সুধারাম থানার ৮ নং এওজবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের কনের নিজ বাড়ীতে আয়োজন করে বিয়ের।
বর রিয়াজ উদ্দিন আজাদ একই ইউনিয়নের চর শুল্যকিয়া গ্রামের বাসিন্দা। জেলা পুলিশের প্রীতি উপহার নিয়ে কনের বাড়ীতে যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) জনাব দীপক জ্যোতি খীসা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপারভ (ইন-সার্ভিস ট্রেইনিং সেন্টার)মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নবীর হোসেন।
পিতার অবর্তমানে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করায় পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর হোসেন এর প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কনে আসমাউল হোসনা মুক্তা ও তার বিধবা মা জোয়েদা আক্তার।