০৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উদ্বোধনের পরই ‘ডিজিটাল হাট’ থেকে গরু কিনলেন ৩ মন্ত্রী

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০১:৫৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০
  • / 41

অনলাইন ডেস্ক
চিরচেনা হাটে গিয়ে নয়, এবার কোরবানির গরু পাওয়া যাবে ‘ডিজিটাল হাটে’। সে লক্ষ্যে ঘরে বসে কোরবানির পশু কিনতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে উদ্বোধন করা হলো ‘ডিজিটাল হাট’।
শনিবার (১১ জুলাই) ডিজিটাল এ হাটের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। 
উদ্বোধনের পরপরই ‘ডিজিটাল হাট’ থেকে গরু কিনেছেন তিন মন্ত্রী। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক উদ্বোধনের পরেই অনলাইন থেকে পছন্দের গরু কিনেছেন।  
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের গরুর মূল দাম এক লাখ ২৮ হাজার ৬০০ টাকা। বাসায় পৌঁছানো, গরু জবাইসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দাম পড়েছে এক লাখ ৬০ হাজার ২৩ টাকা।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এক লাখ টাকা দিয়ে একটি গরু ক্রয় করেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ৭৯ হাজার ৯০০ টাকা দিয়ে একটি গরু কেনেন। অন্যান্য চার্জসহ গরুর দাম পড়েছে এক লাখ ১২২ টাকা।
ডিজিটাল হাটে শুধু পশুই কেনা নয়, রয়েছে দক্ষ কসাই দিয়ে কোরবানি করিয়ে বাসায় মাংস পৌঁছে দেয়ার সুযোগ। তবে এর জন্য দিতে হবে বাড়তি চার্জ। পশু জবাই ও অন্যান্য প্রক্রিয়ায় গরুর মূল দামের সঙ্গে আরও ২৩ শতাংশ ও বাসায় পৌঁছানোর জন্য ঢাকার মধ্যে ১৫০০ টাকা চার্জ দিতে হবে।
যে কেউ যেকোনো সময় https://digitalhaat.net/ এ ঠিকানা থেকেই কোরবানির পশু কিনতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি ডিজিটাল গরুর হাট থেকে কেবল গরু কেনাই নয়, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে জবাই করে বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে। পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করলাম আমরা। এতে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। অনেক ভুলত্রুটি হতে পারে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই। 
এ সময় বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থদের কোরবানির হাটে যাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। যারা কোরবানি হাটে যাবেন তাদেরকে তিনি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার পরামর্শ দেন।
এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ডিজিটাল গরুর হাটের মাধ্যমে কোরবানি পশু ক্রয়-বিক্রয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো। ভবিষ্যতে করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গেলেও এ ধরনের অনলাইন প্লাটফর্মের উপর নির্ভর করতে পারবো।’ 
ই ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সারের সঞ্চালনায় অনলাইন সভায় অন্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান এবং এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বক্তব্য রাখেন।

Please Share This Post in Your Social Media

উদ্বোধনের পরই ‘ডিজিটাল হাট’ থেকে গরু কিনলেন ৩ মন্ত্রী

প্রকাশ : ০১:৫৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
চিরচেনা হাটে গিয়ে নয়, এবার কোরবানির গরু পাওয়া যাবে ‘ডিজিটাল হাটে’। সে লক্ষ্যে ঘরে বসে কোরবানির পশু কিনতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে উদ্বোধন করা হলো ‘ডিজিটাল হাট’।
শনিবার (১১ জুলাই) ডিজিটাল এ হাটের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। 
উদ্বোধনের পরপরই ‘ডিজিটাল হাট’ থেকে গরু কিনেছেন তিন মন্ত্রী। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক উদ্বোধনের পরেই অনলাইন থেকে পছন্দের গরু কিনেছেন।  
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের গরুর মূল দাম এক লাখ ২৮ হাজার ৬০০ টাকা। বাসায় পৌঁছানো, গরু জবাইসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দাম পড়েছে এক লাখ ৬০ হাজার ২৩ টাকা।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এক লাখ টাকা দিয়ে একটি গরু ক্রয় করেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ৭৯ হাজার ৯০০ টাকা দিয়ে একটি গরু কেনেন। অন্যান্য চার্জসহ গরুর দাম পড়েছে এক লাখ ১২২ টাকা।
ডিজিটাল হাটে শুধু পশুই কেনা নয়, রয়েছে দক্ষ কসাই দিয়ে কোরবানি করিয়ে বাসায় মাংস পৌঁছে দেয়ার সুযোগ। তবে এর জন্য দিতে হবে বাড়তি চার্জ। পশু জবাই ও অন্যান্য প্রক্রিয়ায় গরুর মূল দামের সঙ্গে আরও ২৩ শতাংশ ও বাসায় পৌঁছানোর জন্য ঢাকার মধ্যে ১৫০০ টাকা চার্জ দিতে হবে।
যে কেউ যেকোনো সময় https://digitalhaat.net/ এ ঠিকানা থেকেই কোরবানির পশু কিনতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি ডিজিটাল গরুর হাট থেকে কেবল গরু কেনাই নয়, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে জবাই করে বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে। পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করলাম আমরা। এতে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। অনেক ভুলত্রুটি হতে পারে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই। 
এ সময় বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থদের কোরবানির হাটে যাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। যারা কোরবানি হাটে যাবেন তাদেরকে তিনি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার পরামর্শ দেন।
এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ডিজিটাল গরুর হাটের মাধ্যমে কোরবানি পশু ক্রয়-বিক্রয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো। ভবিষ্যতে করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গেলেও এ ধরনের অনলাইন প্লাটফর্মের উপর নির্ভর করতে পারবো।’ 
ই ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সারের সঞ্চালনায় অনলাইন সভায় অন্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান এবং এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বক্তব্য রাখেন।