০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বিগত বছরের তুলনায় ৮.১ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন চট্টগ্রাম বন্দরে
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৮:০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০
- / 46
অর্থনীতি ডেস্ক
করোনা সংক্রমণে দেশজুড়ে অচলাবস্থা সত্ত্বেও বিগত অর্থ বছরের তুলনায় ৮ দশমিক এক তিন শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। বৈশ্বিক মহামারির পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হলেও কন্টেইনার ওঠানামা, কার্গো হ্যান্ডলিং এবং জাহাজ আসা সব ক্ষেত্রেই কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। স্টোররেন্ট মওকুফসহ নানামুখী প্রণোদনা প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি বন্দর কর্তৃপক্ষের।
দেশে মার্চ মাসের শুরুতে করোনা রোগী শনাক্ত হলেও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জানুয়ারি থেকেই ভাটা পড়ে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে। বিশেষ করে অন্যতম রপ্তানিকারক দেশ চীন থেকে পণ্য আসা বন্ধ হয়ে যায় বছরের শুরুতেই।
কিন্তু তারপরও ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের তুলনায় ১৯-২০ অর্থ বছরে প্রবৃদ্ধির হার ৮ দশমিক এক তিন শতাংশ। সবচে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে সর্বক্ষণ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সেটাই এই গ্রোথের কারণ।
তবে নানামুখী জটিলতায় গত অর্থ বছরের শেষ ছয় মাসে চরমভাবে ভুগিয়েছে আমদানি-রপ্তানির সাথে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীদের। ডেলিভারির ধীর গতির কারণে দেখা দেয় মারাত্মক জাহাজ এবং কন্টেইনার জট। কিন্তু তারপরও গত অর্থ বছরের চেয়ে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৬৫টি জাহাজ বেশি এসেছে।
পি আই এল ম্যানেজার আবদুল্লাহ জহির বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইমপোর্টার-এক্সপোর্টারকে ছাড় দিয়েছে, আমরা শিপোর্ট লাইনকে ছাড় দিয়েছি।
২০১৯-২০ অর্থ বছরে চট্টগ্রাম বন্দর কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে ১০ কোটি মেট্রিক টনের পাশাপাশি কন্টেইনার ওঠানামা ৩০ লাখের কোটা ছাড়িয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব বলেন, আমি প্রবৃদ্ধি অর্জন করলাম সাথে সাথে আমরা লস করলাম, এতে করে সবাই বিরক্ত হলো। এসব মাথায় রেখেই প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করতে হবে।
দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯২ শতাংশ সম্পন্ন হয় এই বন্দর দিয়ে। আর বন্দর থেকে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হয়।





















