১২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস সংকট সাময়িক, স্বাভাবিক হবে মার্চে: নসরুল হামিদ

নিজেস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ১২:১১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 109

দেশের চলমান গ্যাস সংকটকে সাময়িক উল্লেখ করে আগামী দুই মাসের মধ্যে এটা স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এসময় গ্যাস সংকটে সাধারণ মানুষের কষ্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন নসরুল হামিদ।
তিনি বলেন, ‘চলমান গ্যাস সংকট সাময়িক। এটা কমিয়ে আনার জন্য কাজ চলছে। আগামী মার্চ থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
দেশে গ্যাস সরবরাহের চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সংকট কাটতে আরও কিছুদিন সময় প্রয়োজন হবে। দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটি সংস্কারের জন্য দেশের বাইরে রয়েছে। এ কারণে শীতে চলমান গ্যাস সংকট আরও বেড়েছে।
এলএনজি টার্মিনালটি সংস্কার শেষে দেশে না আসা পর্যন্ত গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি করার পেট্রোবাংলার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন নসরুল হামিদ।
তিনি বলেন, প্রতি বছর শীতে পাইপ লাইনে পানি জমার কারণে গ্যাসের সংকট সৃষ্টি হয়। একইভাবে তাপমাত্রা কমে যাওয়াতে গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
এবার সেই সংকটের সঙ্গে সরবরাহের অপ্রতুলতা যোগ হওয়াতে গ্যাস সংকট বেড়েছে,’ বলেন নসরুল হামিদ।
তিনি জানান, বিবিয়ানাতে আরও এক দশমিক ৬ টিসিএফ নতুন গ্যাসের নতুন মজুদ পাওয়া গেছে। সেটি আগামী কিছু দিনের মধ্যে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নসরুল হামিদ বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ থাকবে। আর ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৬টি কূপ খনন করা হবে। এরপর আরও ১০০ কূপ খনন করা হবে। আমরা আরও দুটি এলএনজি টার্মিনাল নিয়ে আসছি।
সামনের রোজা ও গ্রীষ্মকালে এবার আগের চেয়েও বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই চাহিদা মোকাবিলায় সরকার এখনই উদ্যোগ নিচ্ছে। এবার গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াটে দাঁড়াবে।
চাহিদা পূরণের সরকারের প্রস্তুতি থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হলে লক্ষ্য পূরণ কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন নসরুল হামিদ।

Please Share This Post in Your Social Media

গ্যাস সংকট সাময়িক, স্বাভাবিক হবে মার্চে: নসরুল হামিদ

প্রকাশ : ১২:১১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪

দেশের চলমান গ্যাস সংকটকে সাময়িক উল্লেখ করে আগামী দুই মাসের মধ্যে এটা স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এসময় গ্যাস সংকটে সাধারণ মানুষের কষ্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন নসরুল হামিদ।
তিনি বলেন, ‘চলমান গ্যাস সংকট সাময়িক। এটা কমিয়ে আনার জন্য কাজ চলছে। আগামী মার্চ থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
দেশে গ্যাস সরবরাহের চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সংকট কাটতে আরও কিছুদিন সময় প্রয়োজন হবে। দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটি সংস্কারের জন্য দেশের বাইরে রয়েছে। এ কারণে শীতে চলমান গ্যাস সংকট আরও বেড়েছে।
এলএনজি টার্মিনালটি সংস্কার শেষে দেশে না আসা পর্যন্ত গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি করার পেট্রোবাংলার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন নসরুল হামিদ।
তিনি বলেন, প্রতি বছর শীতে পাইপ লাইনে পানি জমার কারণে গ্যাসের সংকট সৃষ্টি হয়। একইভাবে তাপমাত্রা কমে যাওয়াতে গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
এবার সেই সংকটের সঙ্গে সরবরাহের অপ্রতুলতা যোগ হওয়াতে গ্যাস সংকট বেড়েছে,’ বলেন নসরুল হামিদ।
তিনি জানান, বিবিয়ানাতে আরও এক দশমিক ৬ টিসিএফ নতুন গ্যাসের নতুন মজুদ পাওয়া গেছে। সেটি আগামী কিছু দিনের মধ্যে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নসরুল হামিদ বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ থাকবে। আর ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৬টি কূপ খনন করা হবে। এরপর আরও ১০০ কূপ খনন করা হবে। আমরা আরও দুটি এলএনজি টার্মিনাল নিয়ে আসছি।
সামনের রোজা ও গ্রীষ্মকালে এবার আগের চেয়েও বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই চাহিদা মোকাবিলায় সরকার এখনই উদ্যোগ নিচ্ছে। এবার গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াটে দাঁড়াবে।
চাহিদা পূরণের সরকারের প্রস্তুতি থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হলে লক্ষ্য পূরণ কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন নসরুল হামিদ।