তীব্র বিদ্যুৎ সংকট, অনিয়মিত লোডশেডিংয়ে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে।
- প্রকাশ : ০২:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 2
এইচ,এম আওলাদ জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।
***********************
গোপালগঞ্জ সহ টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় আবারও তীব্র বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও কোনো পূর্বঘোষণা বা নির্দিষ্ট সময়সূচি ছাড়াই বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিল আদায়ে ২৪ ঘণ্টা সেবার হিসাব ধরা হলেও বাস্তবে মিলছে না নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে দিনে ও রাতে একাধিকবার হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। কখন বিদ্যুৎ থাকবে আর কখন যাবে—সে বিষয়ে কোনো পূর্বঘোষণা বা সময়সূচি না থাকায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানান,এসএসসি, এইচএসসি এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু রাতের বেলায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে চার্জ লাইট বা মোমবাতির আলোতে পড়াশোনা করছেন।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজ, কোল্ড স্টোরেজ ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নির্ভর ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে ক্রেতারাও দোকানে আসতে আগ্রহ হারান। গৃহিণীদের। ভাষ্য, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ বেড়ে যাচ্ছে। পানির মোটর চালানো, রান্না ও অন্যান্য গৃহস্থালি কাজও ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহে এমন অনিয়মের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলেও অনেক সময় সন্তোষজনক ব্যাখ্যা বা নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না।
ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। এলাকাবাসীর দাবি,বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় কার্যকর নজরদারি জোরদার করতে হবে। যদি জাতীয় গ্রিডে কোনো সমস্যা বা নির্ধারিত লোডশেডিং থাকে, তবে তা আগেই জানিয়ে নির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ করা উচিত। এতে মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজ ও শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময় পরিকল্পনা করতে পারবেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য জানা সম্ভব হলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে। এলাকাবাসী দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়টি জরুরী ভিত্তিতে নজরে এনে সংস্লিস্ট আসনের নির্বাচিত এমপি মহোদয়দের প্রতি আহব্বান করেন সাধারন মানুষ।














