০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
কেজিতে ১২ টাকা লাভ করছে আলু মজুতকারীরা: ভোক্তা অধিদপ্তর
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৩:০১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
- / 79
নিজেস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
আলুর বাজারে অস্থিরতার মূল কারিগর পাইকারি ব্যবসায়ীরা। যাদের ২৬-২৭ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রির কথা থাকলেও বিক্রি করছেন ১০ থেকে ১২ টাকা বেশিতে। যার প্রমাণ মিললো মুন্সীগঞ্জের হিমাগারে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. শফিকুজ্জামান বলেন, হিমাগার মালিকরা প্রতি কেজি আলুতে মুনাফা করছে ১০ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত। তবে আগামীকাল হিমাগার থেকে ২৭ টাকা কেজি দরেই আলু বিক্রি করা হবে বলে জানালেন সবাই।
আলুতে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এরই মধ্যে ৬০ লাখ টাকা লাভ তুলেছেন মুন্সীগঞ্জের আলু ব্যবসায়ী রস রাজ। মুক্তারপুরের রিভার ভিও হিমাগারে এখনও ১০ হাজার বস্তা আলু আছে তার। বর্তমানে সংকট না থাকলেও দেড় মাস আগে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করা আলুই এখন তিনি বাজারে দিচ্ছেন ৩৭ থেকে ৩৮ টাকায়।
কোল্ডস্টোরেজ বা হিমাগার থেকেই কারসাজি করে বাড়ানো হচ্ছে আলুর দর। যার প্রভাব পড়ছে সারাদেশের খুচরা বাজারগুলোতে। এমন তথ্য জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. শফিকুজ্জামান।
হিমাগারের পরিস্থিতি দেখতে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে গিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানালেন, আলুর দাম নিয়ে কারসাজির মূল হোতা পাইকারি ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকরা।
অস্থির আলুর বাজার, এক সপ্তাহে কেজিতে বাড়ল ১৫ টাকাঅস্থির আলুর বাজার, এক সপ্তাহে কেজিতে বাড়ল ১৫ টাকা
তিনি বলেন, হিমাগার মালিকরা প্রতি কেজি আলুতে মুনাফা করছে ১০ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত। যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে, প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ১০ টাকা ৫৩ পয়সা।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, উৎপাদন খরচের সাথে পরিবহন খরচ ও মুনাফা যোগ করলে হিমাগার পর্যায় থেকে আলুর দাম কোনোভাবেই ২৭ টাকার বেশি বিক্রি করা যাবে না। একইসাথে খুচরা পর্যায়েও ৩৫ থেকে ৩৬ টাকার বেশি বিক্রি করা হলে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠকে দাম বাড়ানোর বিষয়টি অস্বীকার করেন হিমাগার সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে মুন্সিগঞ্জের ৬৩টি হিমাগারে সাড়ে ৩ লাখ টনের কিছু বেশি আলু মজুত আছে। রোববার থেকে সেখানে ২৭ টাকা কেজি দরেই আলু বিক্রি হবে। এতে আগামী ৭-৮ দিনের মধ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও জানান ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।





















