০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ বাংলাদেশ

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৪:২৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০
  • / 76

অনলাইন ডেস্ক

এপ্রিল মাসে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ৩ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আমদানি ব্যয় কমার কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমলেও রিজার্ভ বেড়েছে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ার কারণে রিজার্ভ বাড়ছে। কারণ অর্থ খরচ না হলে রিজার্ভ বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছর ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাত, পুঁজিবাজার, রাজস্ব আয়, রফতানি প্রবৃদ্ধিসহ অর্থনীতির সব সূচক উল্টোপথে হাঁটলেও রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত ছিল। রেমিট্যান্স বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত আড়াই বছর পর আবারও ১ মার্চ তিন হাজার ৩০০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। এই রিজার্ভ দিয়ে আট মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ বাংলাদেশ

প্রকাশ : ০৪:২৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

এপ্রিল মাসে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ৩ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আমদানি ব্যয় কমার কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমলেও রিজার্ভ বেড়েছে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ার কারণে রিজার্ভ বাড়ছে। কারণ অর্থ খরচ না হলে রিজার্ভ বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছর ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাত, পুঁজিবাজার, রাজস্ব আয়, রফতানি প্রবৃদ্ধিসহ অর্থনীতির সব সূচক উল্টোপথে হাঁটলেও রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত ছিল। রেমিট্যান্স বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত আড়াই বছর পর আবারও ১ মার্চ তিন হাজার ৩০০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। এই রিজার্ভ দিয়ে আট মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।