১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
টেকনাফের ওই কীটগুলো পঙ্গপাল নয়: বিশেষজ্ঞ দল
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০১:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০
- / 60
অনলাইন ডেস্ক
কক্সবাজারের টেকনাফে সন্দেহভাজন পঙ্গপাল অবস্থানের ঘটনায় উদ্বেগ সৃষ্টির পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিনিধি দল। ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এই পোকা পঙ্গপাল নয় বলে শনাক্ত করেন ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এ সময় স্থানীয় জনগণ ও কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফের সদর ইউপির লম্বরীর গ্রামে সন্দেহভাজন ওই স্থান তারা পরিদর্শন করেন।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের পিএসও ড. নির্মল কুমার দত্ত, ড. একেএম জিয়াউর রহমান, মো. শরফুদ্দিন ভূঁইয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঢাকা খামার বাড়ির উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের উপ-পরিচালক মো. রেজাউল ইসলাম, পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পের আইপিএম স্পেশালিস্ট আরিফুর রহমান শাহীন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নাজমুল বারী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. পান্না আলী, চট্টগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নাসির উদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, টেকনাফের কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. হাদিউর রহমান, উপসহকারী কৃষি অফিসার শফিউল আলম, উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার এসএম শাহজাহান, উপ সহকারী কৃষি অফিসার আনোয়ার হোসেন, শেখ জামাল উদ্দিন, মো. হাসান, মোস্তাক উদ্দিন। তারা সদর ইউপির লম্বরীর আব্দুর রশিদের ছেলে সোহেল সিকদারের বাড়িতে অবস্থানরত সন্দেহভাজন পঙ্গপাল অবস্থানের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পর এই পোকা পঙ্গপাল নয় বলে শনাক্তের পর স্থানীয় কৃষক ও জনগণকে উদ্বিগ্ন না হতে বলা হয়। এরপর আরও অধিকতর গবেষণার জন্য কিছু পোকা প্যাকেটজাত করে নিয়ে যান। প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন চাষাবাদের ফসল ও ফল-ফলাদি নিয়ে উদ্বিগ্ন চাষীদের উদ্বেগের অবসান ঘটেছে।
দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পর এই পোকা পঙ্গপাল নয় বলে শনাক্তের পর স্থানীয় কৃষক ও জনগণকে উদ্বিগ্ন না হতে বলা হয়। এরপর আরও অধিকতর গবেষণার জন্য কিছু পোকা প্যাকেটজাত করে নিয়ে যান। প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন চাষাবাদের ফসল ও ফল-ফলাদি নিয়ে উদ্বিগ্ন চাষীদের উদ্বেগের অবসান ঘটেছে।





















