০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রেপ্তারের পরদিনই ট্রান্সকম গ্রুপের ৫ কর্মকর্তার জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | সারাবাংলাটোয়েন্টিফোরনিউজ.কম
  • প্রকাশ : ০৯:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / 47

অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে শেয়ার হস্তান্তরের অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতার মেয়ে শাজরেহ হকের করা তিন মামলায় গ্রেপ্তার ওই গ্রুপের পাঁচ কর্মকর্তা জামিন পেয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা আক্তার এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রান্সকম গ্রুপের কর্মকর্তাদের আইনজীবী বাহারুল ইসলাম।
যাদের জামিন হয়েছে তারা হলেন- ট্রান্সকম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স-আইন) মো. ফখরুজ্জামান ভূঁইয়া, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) কামরুল হাসান, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) আবদুল্লাহ আল মামুন, সহকারী কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ মোসাদ্দেক ও ব্যবস্থাপক (কোম্পানি সেক্রেটারি) আবু ইউসূফ মো. সিদ্দিক।
এর আগে, পৃথক মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের পাঁচ কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির করে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অপর দিকে গ্রেপ্তার পাঁচজনের পক্ষ থেকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করে জামিনের আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবীরা।
উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত পাঁচজনের প্রত্যেককে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করেন। একই সঙ্গে আদালত তাঁদের প্রত্যেককে পুলিশ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগপর্যন্ত তিন হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
ট্রান্সকম গ্রুপের পাঁচ কর্মকর্তার পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ঢাকা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি মিজানুর রহমান মামুন, আইনজীবী বাহারুল ইসলাম ও এ কে এম মুহিউদ্দিন ফারুক।
আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কমর্কতা এস আই শাহ আলম বলেন, রিমান্ড শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং কারাগারে পাঠানোর মতো কোনো আইনি যুক্তি না থাকায় তাদের জামিন দেন বিচারক।
ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের মেয়ে শাজরেহ হক গত বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গুলশান থানায় তিনটি মামলা দায়ের করেন। গ্রুপের ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল এবং অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করার অভিযোগ আনা হয় সেসব মামলায়।
শাজরেহ হক তার বোন সিমিন রহমান, মা শাহনাজ রহমান এবং সিমিন রহমানের ছেলে যারেফ আয়াত হোসেনকেও আসামি করেছেন।
লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান এখন ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান। তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান গ্রুপের সিইও। আর নাতি যারেফ আয়াত ট্রান্সকমের হেড অব ট্রান্সফরমেশন। ছোট মেয়ে শাজরেহ হকও ট্রান্সকম গ্রুপের একজন পরিচালক।
মামলা হওয়ার পর বৃহস্পতিবার ঢাকার গুলশান থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই। শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।

Please Share This Post in Your Social Media

গ্রেপ্তারের পরদিনই ট্রান্সকম গ্রুপের ৫ কর্মকর্তার জামিন

প্রকাশ : ০৯:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে শেয়ার হস্তান্তরের অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতার মেয়ে শাজরেহ হকের করা তিন মামলায় গ্রেপ্তার ওই গ্রুপের পাঁচ কর্মকর্তা জামিন পেয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা আক্তার এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রান্সকম গ্রুপের কর্মকর্তাদের আইনজীবী বাহারুল ইসলাম।
যাদের জামিন হয়েছে তারা হলেন- ট্রান্সকম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স-আইন) মো. ফখরুজ্জামান ভূঁইয়া, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) কামরুল হাসান, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) আবদুল্লাহ আল মামুন, সহকারী কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ মোসাদ্দেক ও ব্যবস্থাপক (কোম্পানি সেক্রেটারি) আবু ইউসূফ মো. সিদ্দিক।
এর আগে, পৃথক মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের পাঁচ কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির করে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অপর দিকে গ্রেপ্তার পাঁচজনের পক্ষ থেকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করে জামিনের আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবীরা।
উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত পাঁচজনের প্রত্যেককে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করেন। একই সঙ্গে আদালত তাঁদের প্রত্যেককে পুলিশ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগপর্যন্ত তিন হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
ট্রান্সকম গ্রুপের পাঁচ কর্মকর্তার পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ঢাকা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি মিজানুর রহমান মামুন, আইনজীবী বাহারুল ইসলাম ও এ কে এম মুহিউদ্দিন ফারুক।
আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কমর্কতা এস আই শাহ আলম বলেন, রিমান্ড শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং কারাগারে পাঠানোর মতো কোনো আইনি যুক্তি না থাকায় তাদের জামিন দেন বিচারক।
ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের মেয়ে শাজরেহ হক গত বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গুলশান থানায় তিনটি মামলা দায়ের করেন। গ্রুপের ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল এবং অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করার অভিযোগ আনা হয় সেসব মামলায়।
শাজরেহ হক তার বোন সিমিন রহমান, মা শাহনাজ রহমান এবং সিমিন রহমানের ছেলে যারেফ আয়াত হোসেনকেও আসামি করেছেন।
লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান এখন ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান। তার বড় মেয়ে সিমিন রহমান গ্রুপের সিইও। আর নাতি যারেফ আয়াত ট্রান্সকমের হেড অব ট্রান্সফরমেশন। ছোট মেয়ে শাজরেহ হকও ট্রান্সকম গ্রুপের একজন পরিচালক।
মামলা হওয়ার পর বৃহস্পতিবার ঢাকার গুলশান থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই। শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।