বগুড়ার শেরপুরে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে স্কুল ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল গ্রেপ্তার ১
- প্রকাশ : ০২:০২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
- / 50
জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।
মোঃ মিজানুর রহমান শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি।
বগুড়ার শেরপুরে স্কুল ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণের ঘটনায় ৮ মার্চ (শনিবার) রাতে অভিযুক্ত ধর্ষক মো. সুজনকে উপজেলার ধনকুন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সিমাবাড়ী ইউনিয়নের ধনকুন্ডি গ্রামের আরজিনা বেগম তার বাড়ি থেকে রান্না করে ওমেরা গ্যাস কোম্পানির স্টাফদের খাওয়াতেন। সেই সুবাদে গাইবান্ধার সদর উপজেলার কুপতলা এলাকার সৈয়দ আলী সরকারের ছেলে তাজুল ইসলাম সেই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। আরজিনা খাতুনের নবম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে তাজুল ইসলাম। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ আগস্ট আনুমানিক রাত ৯ টার দিকে স্কুল ছাত্রীর শয়ন কক্ষে ঢুকে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ ও তার ভিডিও ধারণ করে। ধর্ষণের ঘটনা কাউকে বললে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি দেয় তাজুল।
উক্ত ধর্ষণের ঘটনাটি স্কুল ছাত্রীর অগোচরে সিমাবাড়ী ইউনিয়নের ধনকুন্ডি গ্রামের মো. এজাব আলীর ছেলে মো. সুজন মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। পরবর্তীতে সুজন উক্ত ভিডিও ওই ছাত্রীকে দেখিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য প্রস্তাব দেয়। এতে সে রাজী না হলে গত ৫ অক্টোবর আনুমানিক রাত ৯ টার দিকে তার মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে উক্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করার ভয় দেখিয়ে সুজনও তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে সুজন স্কুল ছাত্রীর ওই ভিডিও তার সহযোগী একই গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে সুলতান, মৃত কুদ্দুসের ছেলে মো. রুবেল ও হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. বাবুর সহযোগীতায় তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষাথীর মা আরজিনা খাতুন বাদি হয়ে গত ৮ মার্চ শনিবার রাতে শেরপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে ধর্ষক মো. সুজন কে আটক করে থানা পুলিশ।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার প্রেক্ষিতে ২ নং আসামী সুজন কে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।




















