১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাছা থানার চৌকস অফিসার এএসআই আল মামুন যড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্তের স্বীকারে অন্যত্র বদলী

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম।
  • প্রকাশ : ০৩:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 39

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ মুজাহিদুল ইসলামঃ

গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানার চৌকস পুলিশ অফিসার এএসআই আল মামুনকে সাম্প্রতি বদলির আদেশ হয়েছে। এএসআই আল মামুন গাছা থানায় যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করে তিনি অপরাধীদের মাঝে ভীতির সৃষ্টি করেছেন। তাই তিনি গাছার সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তিনি বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়ে হামলার শিকারও হয়েছেন।

এ অবস্থায় তাঁকে গাছা থানার কার্যক্রম থেকে দূরে সরানোর জন্য একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী বলেন এএসআই আল মামুনের মতো নিষ্ঠাবান পুলিশের খুবই প্রয়োজন পুরো জিএমপি জুড়েই। সম্প্রতি নগরীর ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুনিয়া পাছর পশ্চিমপাড়া এলাকায় মাদকের বড় একটি চালান আসার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এএসআই আল মামুন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে গেলেও, তারা পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাতে থাকে।এই অপপ্রচারই হয়তো বদলির পেছনে মূল ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, একজন সৎ নিষ্ঠাবান ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তাকে হঠাৎ বদলি করা হলে মাদকবিরোধী অভিযানের গতি কমে যেতে পারে।

তাই এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি এএসআই আল মামুনের বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনার করে তাঁর বদলীর আদেশ প্রত্যাহার করা। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, এমন সাহসী, সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি মাদক কারবারিদের চাপে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে সেটি মাদকবিরোধী অভিযানের মনোবল দুর্বল করে দিতে পারে।
তাই তাকে পূর্বের আদেশ বহাল রেখে এ থানায় কাজ করার সুযোগ দিন। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এএসআই আল মামুন বলেন, “বদলি আমাদের পেশাগত জীবনের অংশ।

তবে পরিবার নিয়ে যারা পোস্টিংয়ে থাকি, তাদের ক্ষেত্রে একটু সময় দিয়ে বদলি হলে ভালো হয়। আশা করি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করবেন।এ ব্যাপারে গাছা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি নিয়মিত বদলির একটি অংশ মাত্র। বাকি বিষয়টি আমার উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

গাছা থানার চৌকস অফিসার এএসআই আল মামুন যড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্তের স্বীকারে অন্যত্র বদলী

প্রকাশ : ০৩:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ মুজাহিদুল ইসলামঃ

গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানার চৌকস পুলিশ অফিসার এএসআই আল মামুনকে সাম্প্রতি বদলির আদেশ হয়েছে। এএসআই আল মামুন গাছা থানায় যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করে তিনি অপরাধীদের মাঝে ভীতির সৃষ্টি করেছেন। তাই তিনি গাছার সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তিনি বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়ে হামলার শিকারও হয়েছেন।

এ অবস্থায় তাঁকে গাছা থানার কার্যক্রম থেকে দূরে সরানোর জন্য একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী বলেন এএসআই আল মামুনের মতো নিষ্ঠাবান পুলিশের খুবই প্রয়োজন পুরো জিএমপি জুড়েই। সম্প্রতি নগরীর ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুনিয়া পাছর পশ্চিমপাড়া এলাকায় মাদকের বড় একটি চালান আসার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এএসআই আল মামুন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে গেলেও, তারা পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাতে থাকে।এই অপপ্রচারই হয়তো বদলির পেছনে মূল ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, একজন সৎ নিষ্ঠাবান ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তাকে হঠাৎ বদলি করা হলে মাদকবিরোধী অভিযানের গতি কমে যেতে পারে।

তাই এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি এএসআই আল মামুনের বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনার করে তাঁর বদলীর আদেশ প্রত্যাহার করা। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, এমন সাহসী, সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি মাদক কারবারিদের চাপে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে সেটি মাদকবিরোধী অভিযানের মনোবল দুর্বল করে দিতে পারে।
তাই তাকে পূর্বের আদেশ বহাল রেখে এ থানায় কাজ করার সুযোগ দিন। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এএসআই আল মামুন বলেন, “বদলি আমাদের পেশাগত জীবনের অংশ।

তবে পরিবার নিয়ে যারা পোস্টিংয়ে থাকি, তাদের ক্ষেত্রে একটু সময় দিয়ে বদলি হলে ভালো হয়। আশা করি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করবেন।এ ব্যাপারে গাছা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি নিয়মিত বদলির একটি অংশ মাত্র। বাকি বিষয়টি আমার উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিবেন।