০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর চাটখিলের ভীমপুরে কিশোরীকে ধর্ষণ,গ্রেফতার-২

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৭:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২০
  • / 46
মোজাম্মেল হক, নোয়াখালী
নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ভীমপুর গ্রামে ১৭ বছরের এক কিশোরী ধর্ষিত হয়েছে।
ধর্ষণের সাথে জড়িত ভীমপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে নাঈম হোসেন (২২) ও রফিক উল্লাহ মোল্লার ছেলে ইউসুফ সুদানি(২৩) কে পুলিশ শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ব্যাপারে চাটখিল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মেয়ের বাবা বাবুল হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ধর্ষিতার বাবা বাবুল হোসেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং পরিবার পরিজন নিয়ে গত ৬ বছর যাবত ভীমপুর গ্রামের মজিব সওদাগরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাসার লোকজনের উপস্থিতিতে বাবুল মিয়ার মেয়েকে বাসায় একা পেয়ে নাঈম হোসেন পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষিতার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ধর্ষক নাঈম কে হাতেনাতে আটক করে, তাৎক্ষণিকভাবে নাঈম এর সহযোগী ইউসুফ সুদানীর নেতৃত্বে ৩/৪ জন সন্ত্রাসী বাড়ির লোকজনের উপর হামলা চালিয়ে তাদের কে মারধর করে ধর্ষক নাঈমকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
শনিবার বিকেলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চাটখিল বাজার থেকে ধর্ষকের সহযোগী ইউসুফ সুদানি কে গ্রেফতার করে। এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ধর্ষক নাঈমকে তার নানার বাড়ি বানসা থেকে গ্রেপ্তার করে।
এ ব্যাপারে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ধর্ষক নাঈম ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে এবং ধর্ষিতাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে।আসামীদেরকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

নোয়াখালীর চাটখিলের ভীমপুরে কিশোরীকে ধর্ষণ,গ্রেফতার-২

প্রকাশ : ০৭:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২০


মোজাম্মেল হক, নোয়াখালী
নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ভীমপুর গ্রামে ১৭ বছরের এক কিশোরী ধর্ষিত হয়েছে।
ধর্ষণের সাথে জড়িত ভীমপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে নাঈম হোসেন (২২) ও রফিক উল্লাহ মোল্লার ছেলে ইউসুফ সুদানি(২৩) কে পুলিশ শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ব্যাপারে চাটখিল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মেয়ের বাবা বাবুল হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ধর্ষিতার বাবা বাবুল হোসেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং পরিবার পরিজন নিয়ে গত ৬ বছর যাবত ভীমপুর গ্রামের মজিব সওদাগরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাসার লোকজনের উপস্থিতিতে বাবুল মিয়ার মেয়েকে বাসায় একা পেয়ে নাঈম হোসেন পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষিতার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ধর্ষক নাঈম কে হাতেনাতে আটক করে, তাৎক্ষণিকভাবে নাঈম এর সহযোগী ইউসুফ সুদানীর নেতৃত্বে ৩/৪ জন সন্ত্রাসী বাড়ির লোকজনের উপর হামলা চালিয়ে তাদের কে মারধর করে ধর্ষক নাঈমকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
শনিবার বিকেলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চাটখিল বাজার থেকে ধর্ষকের সহযোগী ইউসুফ সুদানি কে গ্রেফতার করে। এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ধর্ষক নাঈমকে তার নানার বাড়ি বানসা থেকে গ্রেপ্তার করে।
এ ব্যাপারে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ধর্ষক নাঈম ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে এবং ধর্ষিতাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে।আসামীদেরকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।