ফিলিং স্টেশনে গ্রাহক ভোগান্তীর শীর্ষে।
- প্রকাশ : ১২:৩৬:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
- / 10
জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।
জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।
মঙ্গলবার (৩১শে মার্চ) সকাল আনুমানিক ১০টার সময় সিরিয়ালে খাকা গাড়ির গ্রাহক ও পাম্প কর্তৃপক্ষের মাঝে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রাহকদের পেট্রোল না দিয়ে বোতলে গ্রাহকদের সরবরাহ-এর মূল কারণ। গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া ফিলিং চলছে ব্যপক আনিয়ম ও দুর্নীতি। রাতের আধারে বিভিন্ন দোকান ব্যবসায়ীদের নিকট বেশি দামে বিক্রয় করছে পেট্রোল, নিকটে ও ডিজেল।
সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তি নিরসনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পেট্রোল পাম্পটিতে দেওয়া হয়েছে, একজন ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের একটি টিম। জেলা প্রশাসনের কড়া তদারকির পরেও এই পাম্প মালিক কতৃপক্ষ অবৈধভাবে বেশিরভাগ জ্বালানি তৈল বিক্রি করছে বিভিন্ন দোকান মালিকদের কাছে। ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ কর্মজীবী গ্রাহকরা। এ নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে প্রশাসনের উপর মানুয়ে ভ্রান্তি ধারণার জন্ম নিচ্ছে। অনেকে বলছে, প্রশাসন এই পাম্প মালিক ও দোকানদারদের সিন্ডিকেট বন্ধ করতে কি ব্যর্থ, নাকি এরাও এদের সাথে জড়িত।
অপরদিকে দেখা যাচ্ছে, টুঙ্গিপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত দোকান ব্যবসায়ীদের বেশি দামে ও মজুত (জ্বালানি তৈল)করার দায়ে জরিমানা করছে। অনেকে বলছে, এই দোকান ব্যবসায়ীরা জ্বালানি তৈল পাচ্ছে কোথায়। এই পাম্প থেকে বেশি দামে কিনে নিয়ে তারাও বিক্রি করছে চড়া দামে। টুঙ্গিপাড়া ফিলিং স্টেশনের মটরসাইকেলে তৈল নিতে আসা গ্রাহকদের কাছ থেকে ৫০ টাকা বেশী আদায় করছে ফিলিং স্টেশন কতৃপক্ষ। ৫০০ টাকার তৈল নিলে ৪৫০ টাকার দেওয়া হয়।
গণমাধ্যম কর্মীদের এক ছায়া তদন্তে পাওয়া যায়, টুঙ্গিপাড়া ফিলিং স্টেশনের কতৃপক্ষ মালিকের নির্দেশে রাত ২টার পর প্রশাসনের ত্যাগ আফিসারে অনুপস্থিতে টুঙ্গিপাড়া এলাকার দোকান ব্যবসায়ীদের নিকট বেশি দামে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রয় করছে গণমাধ্যম কর্মীদের অনুসন্ধানে আরো উঠে আসে এই পাম্পের সামনের দিকে বিভিন্ন যানবাহনের সিরিয়াল, অপর দিকে পিছন সাইডে বিভিন্ন সাইজের প্লাস্টিক বোতলের সিরিয়াল। কর্মজীবী সাধারণ মানুষের গাড়িতে তৈল না দিয়ে দিচ্ছে বোতল নিয়ে আসা গ্রাহকদের।
এ ব্যপারে গ্রাহকরা প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে পাম্প মালিকের ভাড়া করা গুন্ডা বাহিনী তাদেরকে প্রতিহত করছে। এই ফিলিং স্টেশনে সোমবার রাতে ৩০০০ লিটার পেট্রোলিয়াম জাতীয় তৈল ডিপো থেকে নিয়ে আসে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন গাড়ি চালকদের তৈল সরবরাহ আরম্ভ করে। প্রায় ৩ ঘণ্টার গ্রাহকদের মাঝে প্রায় ১৫০০ লিটার বিতরণ করে। সিরিয়ালে থাকা বহু গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেয়, বাকী তৈল হাওয়া। গোপন সূত্রে জানা যায় এই পাম্প কতৃপক্ষ প্রশাসনের নজরের আড়ালে দোকানব বসায়ীদের নিকট পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল ১৬০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রয় করছে।
অপরদিকে ওরা তা আবার বিক্রয় করছে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত। ফিলিং স্টেশন ও ব্যবসায়ীদের এই সিন্ডিকেট ভাঙেতে না পারলে সাধারণ কর্মজীবী মানুষের এই দুর্ভগ লাঘব করা কখনই সম্ভব না। প্রশাসনের নজরদারী একটু করা করলেই এই সিন্ডিকেট বন্ধ করা সম্ভব। সমগ্র গোপালগঞ্জের ন্যায় টুঙ্গিপাড়া ফিলিং স্টেশনে জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত ট্যাগ অফিসার টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে মুঠোফোনে ব্যপারটি অবগত করা হয়। তিনি বলেন, আমি উপজেলা মাসিক মিটিং-এ আছি, ব্যপারিটি আমি দেখবো।
এ ব্যপারটি আমলে এনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের উপরোক্ত কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।



















