০৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে মিয়ানমারের ৪০০ চাকমাসহ অপেক্ষায় হাজারো রোহিঙ্গা

নিজস্ব প্রতিবেদক,বান্দরবান
  • প্রকাশ : ০৯:৪৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / 70

মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান ত্রিমুখী সংঘর্ষের মধ্যে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় আছেন দেশটির চাকমা সম্প্রদায়ের প্রায় ৪০০ জন। একই সঙ্গে হাজারও রোহিঙ্গা পরিবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের জিরো পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।
সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মিয়ানমারে দেশটির সরকারের জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মির সংঘর্ষ চলছে। এতে মিয়ানমার সীমান্তে বসবাসকারীদের মধ্যে খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে আছে। এই অবস্থায় তারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছেন।
তবে সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমার থেকে কোনো রোহিঙ্গা অথবা অন্য কোনো সম্প্রদায়ের লোকজন যাতে অনুপ্রবেশ করতে না পারেন, সে জন্য সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার পর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে হেলিকপ্টার থেকে বোমা হামলা করে। অন্যদিকে বিদ্রোহী আক্রমণের মুখে এ পর্যন্ত ১০৬ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী পুলিশ (বিজিপি) সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে আছেন।
এর আগে, সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের একটি রান্নাঘরে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত দুজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নারী, অন্যজন রোহিঙ্গা পুরুষ।

Please Share This Post in Your Social Media

সীমান্তে মিয়ানমারের ৪০০ চাকমাসহ অপেক্ষায় হাজারো রোহিঙ্গা

প্রকাশ : ০৯:৪৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান ত্রিমুখী সংঘর্ষের মধ্যে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় আছেন দেশটির চাকমা সম্প্রদায়ের প্রায় ৪০০ জন। একই সঙ্গে হাজারও রোহিঙ্গা পরিবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের জিরো পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।
সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মিয়ানমারে দেশটির সরকারের জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মির সংঘর্ষ চলছে। এতে মিয়ানমার সীমান্তে বসবাসকারীদের মধ্যে খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে আছে। এই অবস্থায় তারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছেন।
তবে সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমার থেকে কোনো রোহিঙ্গা অথবা অন্য কোনো সম্প্রদায়ের লোকজন যাতে অনুপ্রবেশ করতে না পারেন, সে জন্য সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার পর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে হেলিকপ্টার থেকে বোমা হামলা করে। অন্যদিকে বিদ্রোহী আক্রমণের মুখে এ পর্যন্ত ১০৬ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী পুলিশ (বিজিপি) সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে আছেন।
এর আগে, সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের একটি রান্নাঘরে মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত দুজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নারী, অন্যজন রোহিঙ্গা পুরুষ।