১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্মাণের আগেই ভেঙ্গে পড়লো লাঙ্গলবাঁধ নাদুরিয়া খেয়া ঘাটের উপর নির্মাণাধীন ব্রিজ

তৌহিদ মাগুরা।
  • প্রকাশ : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • / 60

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

তৌহিদ মাগুরা।

মাগুরা জেলার শ্রীপুরের লাঙ্গলবাধ-নাদুরিয়া খেয়া ঘাটের গড়াই নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটির পিলার আবার ভেঙ্গে পড়েছে। ইতিপূর্বেও ব্রিজটির একটি গাডার ভেঙ্গে পড়েছিলো। তার দুই মাস পরে আবার আরেকটি গাডার ভেঙে পড়ায় আশেপাশের জনগন বেশ আতংকে আছে। জানা যায় যে, রবিবার ২৭ জুলাই দিবাগত রাতে হঠাৎ করে একটি গাডার ভেঙ্গে গড়াই নদীর মধ্যে পড়ে যায়। এ সময় গাডার নদীর মধ্যে পড়ে গেলে বিকট শব্দ শোনা যায় এবং আশেপাশের বাড়িঘর সমূহ কেঁপে ওঠে। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীরা জানান, বাতাসে ব্রিজের গাডার ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যাওয়া একটা নজিরবিহীন ঘটনা।তারা আরো বলেন, নানা ধরনের অনিয়মের কারণে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ ধীর গতিতে হওয়ায় এরকম ঘটনা ঘটছে। ঝিনাইদহের শৈলকূপা মাগুরা জেলার শ্রীপুর ও রাজবাড়ী জেলার পাংশা ও কালুখালী উপজেলা সীমান্তে গড়াই নদীর লাঙ্গলবাঁধ – নাদুরিয়া খেয়া ঘাটে মানুষ ও যানবাহন পারাপারের জন্য এই ব্রীজিটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ব্রিজ নির্মাণ কাজ এতটাই ধীর গতিতে হচ্ছে সেটা বলার মতো না।

তাই এলাকাবাসীরা মনে করেন কবে যে এই ব্রীজটির নির্মাণ কাজ কবে শেষ হবে কেউই বলতে পারে না। আর এভাবে কাজ করার মধ্যে যদি ব্রীজ ভেঙ্গে যায় তাহলে জনসাধারণ ভয়ে আর এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করবে না। ব্রিজটি তৈরি হলে এই ব্রিজটি ৩টি জেলাকে একত্রিত করবে তাই এই ব্রিজটি নিয়ে ৩ জেলার জনসাধারণই স্বপ্ম দেখছে। কিন্তু একই ব্রিজের ২ বার করে গাডার ভেঙে পড়ায় সবাই এখন আতংকে আছে। এখন প্রশাসনের কাছে তাদের আকুতি ব্রিজটি তৈরির পূর্বে আবার যেন ভালোভাবে যাবতীয় পরীক্ষা – নিরীক্ষা করে নেয়া হয়। তা নাহলে ভবিষ্যতে যেকোন দূর্ঘটনার জন্য প্রশাসনকেই দায়ী করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

নির্মাণের আগেই ভেঙ্গে পড়লো লাঙ্গলবাঁধ নাদুরিয়া খেয়া ঘাটের উপর নির্মাণাধীন ব্রিজ

প্রকাশ : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

তৌহিদ মাগুরা।

মাগুরা জেলার শ্রীপুরের লাঙ্গলবাধ-নাদুরিয়া খেয়া ঘাটের গড়াই নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটির পিলার আবার ভেঙ্গে পড়েছে। ইতিপূর্বেও ব্রিজটির একটি গাডার ভেঙ্গে পড়েছিলো। তার দুই মাস পরে আবার আরেকটি গাডার ভেঙে পড়ায় আশেপাশের জনগন বেশ আতংকে আছে। জানা যায় যে, রবিবার ২৭ জুলাই দিবাগত রাতে হঠাৎ করে একটি গাডার ভেঙ্গে গড়াই নদীর মধ্যে পড়ে যায়। এ সময় গাডার নদীর মধ্যে পড়ে গেলে বিকট শব্দ শোনা যায় এবং আশেপাশের বাড়িঘর সমূহ কেঁপে ওঠে। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীরা জানান, বাতাসে ব্রিজের গাডার ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যাওয়া একটা নজিরবিহীন ঘটনা।তারা আরো বলেন, নানা ধরনের অনিয়মের কারণে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ ধীর গতিতে হওয়ায় এরকম ঘটনা ঘটছে। ঝিনাইদহের শৈলকূপা মাগুরা জেলার শ্রীপুর ও রাজবাড়ী জেলার পাংশা ও কালুখালী উপজেলা সীমান্তে গড়াই নদীর লাঙ্গলবাঁধ – নাদুরিয়া খেয়া ঘাটে মানুষ ও যানবাহন পারাপারের জন্য এই ব্রীজিটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ব্রিজ নির্মাণ কাজ এতটাই ধীর গতিতে হচ্ছে সেটা বলার মতো না।

তাই এলাকাবাসীরা মনে করেন কবে যে এই ব্রীজটির নির্মাণ কাজ কবে শেষ হবে কেউই বলতে পারে না। আর এভাবে কাজ করার মধ্যে যদি ব্রীজ ভেঙ্গে যায় তাহলে জনসাধারণ ভয়ে আর এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করবে না। ব্রিজটি তৈরি হলে এই ব্রিজটি ৩টি জেলাকে একত্রিত করবে তাই এই ব্রিজটি নিয়ে ৩ জেলার জনসাধারণই স্বপ্ম দেখছে। কিন্তু একই ব্রিজের ২ বার করে গাডার ভেঙে পড়ায় সবাই এখন আতংকে আছে। এখন প্রশাসনের কাছে তাদের আকুতি ব্রিজটি তৈরির পূর্বে আবার যেন ভালোভাবে যাবতীয় পরীক্ষা – নিরীক্ষা করে নেয়া হয়। তা নাহলে ভবিষ্যতে যেকোন দূর্ঘটনার জন্য প্রশাসনকেই দায়ী করা হবে।