০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রডের রেকর্ডের দিনে সিরিজ জয় ইংলিশদের

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৫:০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০
  • / 51

স্পোর্টস ডেস্ক
বৃষ্টিও বাঁচাতে পারলো না ক্যারিবীয়দের। করোনা পরবর্তী সময়ে প্রথম টেস্ট সিরিজটি ২-১ এ জিতে নিলো ইংল্যান্ড। ম্যানচেস্টারের সিরিজ নির্ধারণী টেস্টে সফরকারীদের ২৬৯ রানে হারিয়েছে তারা। শেষ দিনে ব্রড-ওকসের বোলিং তোপে ১২৯ রানেই থেমে যায় উইন্ডিজের ইনিংস। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৩৬৯ রান করে ইংল্যান্ড। জবাবে, ১৯৭ রানে অলআউট হয় হোল্ডার বাহিনী। পরে ২২৬ রানে ইংলিশরা ইনিংস ঘোষণা করলে, ৩৯৯ রানের টার্গেট দাঁড়ায় উইন্ডিজের সামনে। ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড।
বৃষ্টির কবলে চতুর্থ দিন পুরোটাই। মনের কোণে অশনি সংকেত ইংলিশদের। বেরসিক বৃষ্টির হানাতে, সিরিজটাই কি হাত ছাড়াই হয়ে যায়? ওল্ড ট্রাফোর্ডে শেষ দিনের শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ভয়টা আরো বাড়িয়ে দেন ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। 
কিন্তু, ইতিহাস যে হাতছানি দিয়ে ডাকছিলো স্টুয়ার্ট ব্রডকে। তাকে কে আটকায়? এলবিডব্লিও’র ফাঁদে ফেলেন ক্রেইগ ব্রাথওয়েটকে। দিনের প্রথম উইকেটের পতন হয় উইন্ডিজ শিবিরের। শেই হোপকে নিয়ে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব বুঝে নেন ব্রুকস। কিন্তু অ্যান্ডারসন-ব্রড আর ওকসকে সামলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে ম্যানচেস্টারে। একে তো ব্রিটেনের ঝিরঝির বৃষ্টি, তার সঙ্গে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা বাতাস। ব্যাটসম্যানদের বধ্যভূমিতে তাই টিকতে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা। 
ব্যক্তিগত ৩১ আর দলীয় ৭১ রানে বিদায় নেন শেই হোপ। সিরিজজুড়ে নিজের ফর্মটাকে আর খুঁজেই পেলেন না তিনি। পার্টনারকে হারিয়ে উইকেটে থিতু হতে পারেননি ব্রুকসও। ওকসের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। 
একের পর উইকেটের পতন আশা দেখাতে শুরু করে জো রুটকে। আর হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়ে ক্যারিবীয় শিবির। রান আউটে কাঁটা পড়েন রোস্টন চেজ। ৮৭ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে লজ্জার পরাজয় তখন চোখ রাঙাতে থাকে সফরকারীদের।
দায়িত্ব নিয়েছিলেন অধিনায়ক। কিন্তু দিনটা যে ছিলো ইংলিশদের। ক্রিস ওকসের শিকার হয়ে ফিরে যান হোল্ডার। ডোওরিচও পারেননি। তার শিকারিও ক্রিস ওকস। ব্রডের ৫০০ উইকেটের দিনটা নিজের নামে রাঙাতে উঠে পড়ে লাগেন তিনি। পঞ্চম উইকেট হিসেবে তুলে নেন কর্নওয়ালকে

শেষ উইকেটটাও পেতে পারতেন, কিন্তু বিধাতা যে ব্রডের পান্ডুলিপিটা লিখেছিলেন আলাদা করে। তাই তো প্রথম টেস্টের দলে জায়গা না পাওয়া ব্রডের হাতেই তুলে দিলেন জয়মাল্য। ব্ল্যাকউডকে বাটলারের ক্যাচ বানিয়ে ম্যাচটা শেষ করে দেন এ ইংলিশ পেসার। আর এই জয়ে, টানা দুই টেস্ট জিতে করোনা পরবর্তী প্রথম টেস্ট সিরিজটি পকেটে পুরে নিলো ইংল্যান্ড। 

Please Share This Post in Your Social Media

ব্রডের রেকর্ডের দিনে সিরিজ জয় ইংলিশদের

প্রকাশ : ০৫:০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০

স্পোর্টস ডেস্ক
বৃষ্টিও বাঁচাতে পারলো না ক্যারিবীয়দের। করোনা পরবর্তী সময়ে প্রথম টেস্ট সিরিজটি ২-১ এ জিতে নিলো ইংল্যান্ড। ম্যানচেস্টারের সিরিজ নির্ধারণী টেস্টে সফরকারীদের ২৬৯ রানে হারিয়েছে তারা। শেষ দিনে ব্রড-ওকসের বোলিং তোপে ১২৯ রানেই থেমে যায় উইন্ডিজের ইনিংস। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৩৬৯ রান করে ইংল্যান্ড। জবাবে, ১৯৭ রানে অলআউট হয় হোল্ডার বাহিনী। পরে ২২৬ রানে ইংলিশরা ইনিংস ঘোষণা করলে, ৩৯৯ রানের টার্গেট দাঁড়ায় উইন্ডিজের সামনে। ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড।
বৃষ্টির কবলে চতুর্থ দিন পুরোটাই। মনের কোণে অশনি সংকেত ইংলিশদের। বেরসিক বৃষ্টির হানাতে, সিরিজটাই কি হাত ছাড়াই হয়ে যায়? ওল্ড ট্রাফোর্ডে শেষ দিনের শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ভয়টা আরো বাড়িয়ে দেন ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। 
কিন্তু, ইতিহাস যে হাতছানি দিয়ে ডাকছিলো স্টুয়ার্ট ব্রডকে। তাকে কে আটকায়? এলবিডব্লিও’র ফাঁদে ফেলেন ক্রেইগ ব্রাথওয়েটকে। দিনের প্রথম উইকেটের পতন হয় উইন্ডিজ শিবিরের। শেই হোপকে নিয়ে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব বুঝে নেন ব্রুকস। কিন্তু অ্যান্ডারসন-ব্রড আর ওকসকে সামলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে ম্যানচেস্টারে। একে তো ব্রিটেনের ঝিরঝির বৃষ্টি, তার সঙ্গে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা বাতাস। ব্যাটসম্যানদের বধ্যভূমিতে তাই টিকতে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা। 
ব্যক্তিগত ৩১ আর দলীয় ৭১ রানে বিদায় নেন শেই হোপ। সিরিজজুড়ে নিজের ফর্মটাকে আর খুঁজেই পেলেন না তিনি। পার্টনারকে হারিয়ে উইকেটে থিতু হতে পারেননি ব্রুকসও। ওকসের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। 
একের পর উইকেটের পতন আশা দেখাতে শুরু করে জো রুটকে। আর হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়ে ক্যারিবীয় শিবির। রান আউটে কাঁটা পড়েন রোস্টন চেজ। ৮৭ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে লজ্জার পরাজয় তখন চোখ রাঙাতে থাকে সফরকারীদের।
দায়িত্ব নিয়েছিলেন অধিনায়ক। কিন্তু দিনটা যে ছিলো ইংলিশদের। ক্রিস ওকসের শিকার হয়ে ফিরে যান হোল্ডার। ডোওরিচও পারেননি। তার শিকারিও ক্রিস ওকস। ব্রডের ৫০০ উইকেটের দিনটা নিজের নামে রাঙাতে উঠে পড়ে লাগেন তিনি। পঞ্চম উইকেট হিসেবে তুলে নেন কর্নওয়ালকে

শেষ উইকেটটাও পেতে পারতেন, কিন্তু বিধাতা যে ব্রডের পান্ডুলিপিটা লিখেছিলেন আলাদা করে। তাই তো প্রথম টেস্টের দলে জায়গা না পাওয়া ব্রডের হাতেই তুলে দিলেন জয়মাল্য। ব্ল্যাকউডকে বাটলারের ক্যাচ বানিয়ে ম্যাচটা শেষ করে দেন এ ইংলিশ পেসার। আর এই জয়ে, টানা দুই টেস্ট জিতে করোনা পরবর্তী প্রথম টেস্ট সিরিজটি পকেটে পুরে নিলো ইংল্যান্ড।