১২:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইল বাসাইলে পানির চাপে ভেঙে পড়ল ছনকাপাড়া সেতু

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৬:৩০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০
  • / 76

মোঃশরিফুল  ইসলাম,টাঙ্গাইল 
টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ছনকাপাড়া গ্রামের সেতুটি বন্যার পানির । চাপে ভেঙে পড়েছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বাসাইল ও মির্জাপুর উপজেলার ৩০টি গ্রামের মানুষ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)  সন্ধ্যায় বাসাইল-কাঞ্চনপুর সড়কের ছনকাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বুধবার বিকেল থেকে বাসাইল-নাটিয়াপাড়া সড়কের বিভিন্নস্থান বন্যায় ডুবে যাচ্ছে। এ কারণে ছনকাপাড়ার সেতুতে পানির ব্যাপক চাপ পড়ে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তীব্র চাপের কারণে সেতুটি ভেঙে যায়। এতে বাসাইল ও মির্জাপুরের কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়া, ছনকাপাড়া, কাজিরাপাড়া, কোদালিয়াপাড়া, ফতেপুর, পাটদিঘীসহ ৩০টি গ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এসব গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

বাসাইলের এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল আলম বলেন, ১৯৯২-৯৩ সালে ‘কেয়ার বাংলাদেশ’-এর আওতায় সাড়ে ১১ মিটার সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এ কারণে বন্যার পানির চাপে ভেঙে পড়ে। দুই উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এরইমধ্যে নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

টাঙ্গাইল বাসাইলে পানির চাপে ভেঙে পড়ল ছনকাপাড়া সেতু

প্রকাশ : ০৬:৩০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০

মোঃশরিফুল  ইসলাম,টাঙ্গাইল 
টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ছনকাপাড়া গ্রামের সেতুটি বন্যার পানির । চাপে ভেঙে পড়েছে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বাসাইল ও মির্জাপুর উপজেলার ৩০টি গ্রামের মানুষ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)  সন্ধ্যায় বাসাইল-কাঞ্চনপুর সড়কের ছনকাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বুধবার বিকেল থেকে বাসাইল-নাটিয়াপাড়া সড়কের বিভিন্নস্থান বন্যায় ডুবে যাচ্ছে। এ কারণে ছনকাপাড়ার সেতুতে পানির ব্যাপক চাপ পড়ে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তীব্র চাপের কারণে সেতুটি ভেঙে যায়। এতে বাসাইল ও মির্জাপুরের কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়া, ছনকাপাড়া, কাজিরাপাড়া, কোদালিয়াপাড়া, ফতেপুর, পাটদিঘীসহ ৩০টি গ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এসব গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

বাসাইলের এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল আলম বলেন, ১৯৯২-৯৩ সালে ‘কেয়ার বাংলাদেশ’-এর আওতায় সাড়ে ১১ মিটার সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এ কারণে বন্যার পানির চাপে ভেঙে পড়ে। দুই উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এরইমধ্যে নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো রয়েছে।