১২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনার দূর্গাপুরে কালভার্ট না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই রাস্তা পারাপার,দুর্ভোগ চরমে

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০২:০৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০
  • / 73

 

হৃদয় আহমেদ, নেত্রকোনা 
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে চন্তিগড় ইউনিয়নের চৌরাস্তা বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বের রাস্তার মধ্যে  কোন ধরনের কালভার্ট না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিতে হচ্ছে চৌরাস্তা- মধ্য মধুয়াকোণা- এবং ফুলফুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের।  
বর্ষাকালে দেখা যায় বন্যার পানি বাড়তে থাকলে অল্প পরিমাণ পানি বাড়লেই তলিয়ে যায় রাস্তার কিছুটা অংশ। পানির স্রোত চলতে থাকে রাস্তার উপর দিয়ে।
আজ রবিবার (০৫ জুলাই)  দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কালভার্ট না থাকা জনদূর্ভোগের এই চিত্র ।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, 
বিভিন্ন গ্রামের লোকজন প্রায় (৪-৫) হাজার মানুষ  এই একটিমাত্র রাস্তা ব্যবহার করে থাকে। সেই সাথে স্কুল-মাদ্রাসার মসজিদে যাওয়ার কোনো সুযোগ সুবিধা নেই বললেই চলে, এই রাস্তার জন্য। সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলে চারদিকে কাঁচা রাস্তা ভারী হয়ে যায় লোকজনের চলাচল। এই দুর্দশা নিয়েই চলাচল করছে শিক্ষর্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।
স্থানীয় সচেতন মহল বারং বার জন প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করেও মিলেনি একমাত্র কালভার্ট।
স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছক ভুক্তভোগী জানান , আমাদের এই কালভার্টের জন্যে অনেক সমস্যায় পড়তেছি।
তাছাড়া আমাদের ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার মোছা.জাহানারা বেগমের বাড়ি একই এলাকায় থাকায়,  প্রতিদিনই আসা-যাওয়া করে এই রাস্তা দিয়ে। কিন্তু এর ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না বলে জানান এলাকাবাসী। 
তাছাড়া বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয়েও জানেন।
মুঠোফোনে এ বিষয়টি জানতে চায়লে, 
চন্তিগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাবুর রহমান কাজল এ ব্যাপারে  কথা বলতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

নেত্রকোনার দূর্গাপুরে কালভার্ট না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই রাস্তা পারাপার,দুর্ভোগ চরমে

প্রকাশ : ০২:০৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০

 

হৃদয় আহমেদ, নেত্রকোনা 
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে চন্তিগড় ইউনিয়নের চৌরাস্তা বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বের রাস্তার মধ্যে  কোন ধরনের কালভার্ট না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিতে হচ্ছে চৌরাস্তা- মধ্য মধুয়াকোণা- এবং ফুলফুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের।  
বর্ষাকালে দেখা যায় বন্যার পানি বাড়তে থাকলে অল্প পরিমাণ পানি বাড়লেই তলিয়ে যায় রাস্তার কিছুটা অংশ। পানির স্রোত চলতে থাকে রাস্তার উপর দিয়ে।
আজ রবিবার (০৫ জুলাই)  দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কালভার্ট না থাকা জনদূর্ভোগের এই চিত্র ।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, 
বিভিন্ন গ্রামের লোকজন প্রায় (৪-৫) হাজার মানুষ  এই একটিমাত্র রাস্তা ব্যবহার করে থাকে। সেই সাথে স্কুল-মাদ্রাসার মসজিদে যাওয়ার কোনো সুযোগ সুবিধা নেই বললেই চলে, এই রাস্তার জন্য। সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলে চারদিকে কাঁচা রাস্তা ভারী হয়ে যায় লোকজনের চলাচল। এই দুর্দশা নিয়েই চলাচল করছে শিক্ষর্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।
স্থানীয় সচেতন মহল বারং বার জন প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করেও মিলেনি একমাত্র কালভার্ট।
স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছক ভুক্তভোগী জানান , আমাদের এই কালভার্টের জন্যে অনেক সমস্যায় পড়তেছি।
তাছাড়া আমাদের ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার মোছা.জাহানারা বেগমের বাড়ি একই এলাকায় থাকায়,  প্রতিদিনই আসা-যাওয়া করে এই রাস্তা দিয়ে। কিন্তু এর ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না বলে জানান এলাকাবাসী। 
তাছাড়া বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয়েও জানেন।
মুঠোফোনে এ বিষয়টি জানতে চায়লে, 
চন্তিগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাবুর রহমান কাজল এ ব্যাপারে  কথা বলতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করেছেন।